ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
গুম কমিশনে সাক্ষ্যদাতা জঙ্গিরাই আবার বোমা বানাচ্ছে, যাদের সাক্ষ্যে জঙ্গিবিরোধী পুলিশ কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার
বাঙালী নারীদের উপর পাক হানাদারদের বর্বরতার ইতিহাস ও পরবর্তীতে হানাদারদের ক্যাম্প উড়িয়ে দেবার বিরত্ব গাঁথা শোনালেন একাত্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধা শিশু মিয়া
যে দুইদিনই বাঁচি দেশটাত যেনো শান্তিতে থাকতে পারি” – বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজা বেগম —
রাজনীতির বাঁকবদল: শেখ হাসিনার মানবিকতা বনাম ঐতিহাসিক তিক্ততা—একটি বিশ্লেষণধর্মী পর্যালোচনা
ইউনুস সরকারের অধীনে সংখ্যালঘু হওয়া মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা।
ইন্ডিয়া যদি আমাদের সাহায্য না করতো, বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধারা পারতো না দেশটা স্বাধীন করতে” –বীর মুক্তিযোদ্ধা
যাত্রাবাড়ীতে অপহৃত ভিকটিম উদ্ধার, ৭ অপহরণকারী গ্রেফতার
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে অপহৃত ভিকটিম জাকারিয়াকে উদ্ধার ও মুক্তিপণ দাবিকারী সাতজন অপহরণকারীকে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগের একটি টিম।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- মো. আলী আজগর, কাজী আমিনুল ইসলাম আমিন, মো. মারুফ গাজী, মো. আল-আমিন, মো. কামাল হোসেন, মো. ইসমাইল হোসেন।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর ৩৬ পুরানা পল্টনের হোসেন ভবনের ৪র্থ তলায় অভিযান চালিয়ে ভিকটিম জাকারিয়াকে উদ্ধার ও অপহরণকারীদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে অপহরণে ব্যবহৃত ২টি পিস্তল, ৪টি ম্যাগাজিন, ১৮ রাউন্ড গুলি এবং ইসলামি ব্যাংকের ১টি চেক বই, ১টি সিপিইউ ও ১টি ড্রিল মেশিন উদ্ধার করা হয়।
জাকারিয়া পটুয়াখালী পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাব-কন্ট্রাকটর। তিনি যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল মুসলিমনগর এলাকায় বসবাস
করেন। তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে যাত্রাবাড়ীর ফ্লাইওভার থেকে অপহৃত হন। অপহরণকারীরা জাকারিয়ার পরিবারের সদস্যদের ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় ওই দিন যাত্রাবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভিকটিমের স্ত্রী লাইজু ওরফে স্বর্ণা। বিষয়টি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের পাশাপাশি গুরুত্বসহকারে তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগ ও ডিবি সাইবার টেকনিক্যাল টিম। অপহরণকারীদের গ্রেফতারে রাজধানীর একাধিক স্থানে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম। তদন্তকালে জানা যায়, ভিকটিমের একজন আত্মীয় অপহরণকারীদের দেওয়া একটি বিকাশ নাম্বারে ২৫ হাজার টাকা প্রেরণ করেছে। টাকা উত্তোলন করতে গেলে অপহরণকারী দলের পলাতক একজনের স্ত্রী সুচনাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা-পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩৬ পুরানা পল্টনের
হোসেন ভবনের ৪র্থ তলায় মা প্রিন্টিং প্রেসে অভিযান চালিয়ে ভিকটিম জাকারিয়াকে উদ্ধার ও ছয়জন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
করেন। তিনি গতকাল শুক্রবার বিকেলে যাত্রাবাড়ীর ফ্লাইওভার থেকে অপহৃত হন। অপহরণকারীরা জাকারিয়ার পরিবারের সদস্যদের ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ ঘটনায় ওই দিন যাত্রাবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভিকটিমের স্ত্রী লাইজু ওরফে স্বর্ণা। বিষয়টি যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশের পাশাপাশি গুরুত্বসহকারে তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগ ও ডিবি সাইবার টেকনিক্যাল টিম। অপহরণকারীদের গ্রেফতারে রাজধানীর একাধিক স্থানে অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম। তদন্তকালে জানা যায়, ভিকটিমের একজন আত্মীয় অপহরণকারীদের দেওয়া একটি বিকাশ নাম্বারে ২৫ হাজার টাকা প্রেরণ করেছে। টাকা উত্তোলন করতে গেলে অপহরণকারী দলের পলাতক একজনের স্ত্রী সুচনাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা-পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩৬ পুরানা পল্টনের
হোসেন ভবনের ৪র্থ তলায় মা প্রিন্টিং প্রেসে অভিযান চালিয়ে ভিকটিম জাকারিয়াকে উদ্ধার ও ছয়জন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।



