ভারতে ইলিশ উপহার নয়, রপ্তানি করা হবে : উপদেষ্টা রিজওয়ানা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ভারতে ইলিশ উপহার নয়, রপ্তানি করা হবে : উপদেষ্টা রিজওয়ানা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ইলিশ ভারতে উপহার হিসেবে যাচ্ছে না। ইলিশ রপ্তানি করা হবে। রপ্তানির টাকা বাংলাদেশ সরকার পাবে। সেটা খুব ছোট করে দেখার মতো টাকা না। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইলিশ এখনো যায়নি। শুধু একটা সিন্ধান্ত হয়েছে। তার আগেইতো দাম বেড়ে গেছে। কাজেই রপ্তানি হলে দাম বাড়বে এ কথাটা ঠিক না। যেটা সরকারের বিবেচনায় আছে। তিনি আরও বলেন, যারা ইলিশটা চাচ্ছে, তারাও কিন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ওপার থেকে অনেক সমর্থন দিয়েছে।সেটা আমরা

সকলে দেখেছি। আমরা খুব কতগুলো সহজ কথা বলে ফেলি। আমরা সব সময় মনে রাখতে হবে। প্রতিবেশীর সাথে অনেক বিষয়ে আমাদের আলাপ আলোচনা করতে হবে। আমরা সেই আলোচনার ধারটা ছোট ছোট বিষয়ে বন্ধ হয়ে যাক, সেটা আমরা চাই না। নদী থেকে বালু উত্তোলন জাতীয় দস্যুতায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করে পরিবেশ বন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন,‘যেখানেই নদীতে বালু আছে সেখানেই জেলা প্রশাসকরা মানুষের শত আপত্তি সত্ত্বেও রাজস্ব আয়ের কথা চিন্তা করে বালু মহাল ঘোষণা করে দেয়। বালু মহাল ঘোষণার যেমন সুযোগ আছে তেমনি বিলুপ্তির ও সুযোগ আছে। বালু উত্তোলনের মাধ্যমে নদীর ড্রেজিং কি বালু ব্যবসায়ীদের কাছে

তুলে দিবো নাকি সরকারিভাবে ড্রেজিং করা হবে তা আমাদের ভাবার সময় এসেছে।’উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘মুছাপুর নদীর পাড়ে আসার কারণ হচ্ছে, সমস্যাটা সরকারের চশমা দিয়ে না দেখে মানুষের চোখ দিয়ে দেখার জন্য।মানুষ আর সরকার ভিন্ন সত্ত্বা হলে পরিবর্তন হবে না। মানুষকে আর সরকারকে এক জায়গায় এসে সমস্যার সমাধানে যেতে হবে। আমরা নদী তীরবর্তী এলাকায় এসে স্থানীয় মানুষের কথা শুনলাম। সরকারি হিসেব মতে প্রতিবছর নদী ভাঙনে ৩০ হাজার মানুষ সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়, যেটি বেসরকারি হিসেবে এক লাখের বেশি মানুষ সর্বশান্ত হয়ে যায়।’ লোনা পানির আগ্রাসন ঠেকাতে মুছাপুর রেগুলেটর লাগবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রেগুলেটর দিনে দিনে তৈরি করা সম্ভব না। এটার

একটা প্রক্রিয়া আছে। আমরা যদি দ্রুত গতিতেও রেগুলেটর নির্মাণ করতে চাই তাও দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে। এখানে যে চর হয়েছে সেখানের বালু সরিয়ে দেয়ার জন্য এলাকাবাসী প্রস্তাবনা দিয়েছে। নদীতে ক্যাপটেল ড্রেজিং এর পাশাপাশি মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং করতে হবে। সরকারকে রেগুলেটর আর ড্রেজিং দুটোর কথাই ভাবতে হচ্ছে। সবচেয়ে কার্যকর কোনটি হবে তা আমরা ভেবে দেখবো। যেটি কার্যকর হবে সেটিই আগে বাস্তবায়ন হবে।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি রিমান্ডে অনুমোদন পেল ৪ ডিজিটাল ব্যাংক কাস্পিয়ান সাগরে ভেসে গেল ১৯ সেনা, নিহত ৯ জাতিসংঘে খলিলের কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তা হলেন জাইমা রহমান ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু চাকরি হারালেন আরও ৬ পুলিশ কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসির রিমান্ড আবেদনে যা বলল পুলিশ ১০০ ফুট লালগালিচায় চীনের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানালেন ট্রাম্প যেভাবে গিনেস রেকর্ড গড়ল তুরস্কের কেলকিট শহর আবারও রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল বৃথা গেল চেষ্টা, ধর্ষণ মামলায় বিচারের মুখোমুখি হাকিমি বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম মক্কাসহ সৌদির বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি ইসরায়েলি নাগরিকের প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনতে পাকি সেনাবাহিনীর সমঝোতা পর্তুগালের নতুন যুগের সূচনায় ১ হাজার গোলের স্বপ্ন রোনালদোর সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জন দাশের গ্যাস পাম্প দখলে নিতে প্রভাবশালীদের তালা যুবদল নেতার লুট করা ৪ ট্রাকের ৬৭ হাজার কেজি মুরগির বিষ্ঠা উদ্ধার কুমিল্লায় থানায় ভাঙচুর করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে বেরিয়ে গেল ২২ কিশোর গ্যাং সদস্য বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: নোয়াখালীতে সাড়ে ৫ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে রডের বদলে চিকন তার ‘শ্রাবণের মেঘগুলো’ গানের সেই বিউটি রানি এবার জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক