‘ভাবিনি এমন জয় দেখে যেতে পারব’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৪ September, ২০২৪

‘ভাবিনি এমন জয় দেখে যেতে পারব’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৪ September, ২০২৪ |
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তাদের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ করা পরিপূর্ণ তৃপ্তি দেয়নি অনেককেই। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাওয়া টেস্ট জয়েও লেগে ছিল দেশের মাটিতে পছন্দের উইকেটে খেলার তকমা। টেস্ট জয়ের সত্যিকারের তৃপ্তি দিয়েছিল মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ঐতিহাসিক জয়। কিউইদের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের পারফরম্যান্সও মুগ্ধ করেছে। কিন্তু অতীতের সব ছাপিয়ে গেছে পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করা। দেশি-বিদেশি ক্রিকেট বিশ্লেষকদের কাছে যেটা বাংলাদেশের ক্রিকেটের সেরা সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু তো আবেগি হলেন আরও বেশি। তিনি বলেছেন, কখনও ভাবতে পারেননি এ জীবনে এমন সাফল্য দেখতে পাব। বাংলাদেশ খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ জেতেনি। ২৫ বছরে ১৪৪ টেস্ট ম্যাচ খেলে ২১টিতে জয়।

৯টি সিরিজ জয়ের তিনটি বিদেশে। এক ম্যাচে ভালো খেললে পরের ম্যাচে ব্যর্থতা দেখতে হয়েছে। এই প্রথম কোনো প্রতিকূলতা বাংলাদেশের ধারাবাহিক ভালো খেলায় বাধা হতে পারেনি। প্রিয় দলের এমন সাফল্য দেখে আপ্লুত বিসিবির সাবেক প্রধান নির্বাচক নান্নু, ‘একটি ভারসাম্য টেস্ট দল গড়ে তুলতে আমরা অনেক দিন ধরে চেষ্টা করেছি। টেস্ট ক্রিকেটারদের আলাদা করছি। বিদেশের জন্য ফাস্ট বোলার তৈরি করেছি। দিনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বল করার জন্য সক্ষম করে গড়ে তোলা হয়েছে। ধাপে ধাপে উন্নতি হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বলব, ঐতিহাসিক সিরিজ জয়। এটা যে দেখে যেতে পারব, ভাবিনি। নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে, দেখে যেতে পারলাম পাকিস্তানের মাটিতে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়।

আমি খেলোয়াড়দের জন্য গর্বিত।’ স্মৃতির ফ্রেমে বাঁধাই করে রাখার মতো এই পারফরম্যান্সের কৃতিত্ব কোনো একটি বিভাগকে দিতে চান না নান্নু, ‘খেলোয়াড়রা একটি মুহূর্তের জন্য ফোকাস হারায়নি। মনেই হয়নি তারা পাকিস্তানের মাটিতে খেলছে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং করেছে। শারীরিক ভাষা ছিল ইতিবাচক। খুবই বুদ্ধি দিয়ে খেলেছে। ৩৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর গেম বদলে দিয়েছে। সবার জন্য অফুরান ভালোবাসা।’ রাওয়ালপিন্ডির স্টেডিয়ামের অনার্স বোর্ডে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশের চার ক্রিকেটারের নাম– মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন কুমার দাস ও হাসান মাহমুদ। তাদের বাইরে একজন নাম লিখেছেন পাকিস্তানি ব্যাটারদের হৃদয়ে। তিনি হলেন, ফাস্ট বোলার নাহিদ রানা। টাইগার এ ফাস্ট বোলার ভেঙেছেন অগ্রজ

রুবেল হোসেনের জোরে বোলিংয়ের রেকর্ড। নিজের রেকর্ড হারিয়েও খুশি রুবেল, ‘রানার সঙ্গে আমি যখন বিপিএলে খেলি, তখনই ওকে বলেছিলাম, আমার রেকর্ড তুমি ভাঙবে। ও বলেছে, ভাইয়ো দোয়া কইরেন। আমি বলেছি, অবশ্যই দোয়া করব (হাসি)। ও সত্যিই জোরে বল করে। ১৫২ কিলোমিটার গতি সামান্য বিষয় না। ও পেস দিয়ে ব্যাটারদের পরাস্ত করেছে। ও গতির ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয় না।’ জাতীয় দলের সাবেক এ পেসার মনে করেন, পেস বোলিং কাজে লাগিয়ে বিশ্বের যে কোনো দেশে টেস্ট ম্যাচ জয়ের সক্ষমতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। জাতীয় দলের আরেক সাবেক ফাস্ট বোলার হাসিবুল হোসেন শান্ত পুরো দলকেই কৃতিত্ব দিলেন। তিন বিভাগের উন্নতি এবং সমন্বিত পারফরম্যান্স পাকিস্তানে

সিরিজ জয় সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের