বাড়ি ভাড়া নিতে ব্রোকার ফি লাগবে না – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ November, ২০২৪

বাড়ি ভাড়া নিতে ব্রোকার ফি লাগবে না

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ November, ২০২৪ |
নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা একটি আইন পাস করেছে যে বাড়ি ভাড়া নেয়ার ক্ষেত্রে ভাড়াটেরা বাড়ি ভাড়া ঠিক করিয়ে দেওয়ার জন্য বর্তমানে ব্রোকার বা দালালকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অন্তত এক মাসের ভাড়ার সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে থাকেন, নতুন আইনে ব্রোকার ফি দিতে হবে বাড়ি মালিকদের। ব্রোকার ফ্রি দেওয়ার জন্য এখন থেকে আর ভাড়াটেদের মাথা ব্যথা থাকবে না। গত ১৩ নভেম্বর, সিটি কাউন্সিল সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে এই বিলের পক্ষে ভোট দেয়। বিলের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কোনো কোনো কাউন্সিলম্যান বলেন যে, এটি একটি অস্বাভাবিক ব্যবস্থা নিউইয়র্ক সিটির মতো বড় সিটিতে দশকের পর দশক কার্যকর ছিল, যে কারণে ব্রোকাররা বাড়ি ভাড়া ঠিক করে দেওয়ার জন্য ভাড়াটেদের

কাছ থেকে অন্তত এক মাসের বাড়ি ভাড়ারসমান অর্থ আদায় করতো, যা অধিকাংশ ভাড়াটের জন্য বিরাট একটি বোঝা ছিল। কারণ যেকোনো বাড়ি মালিক বাড়ি ভাড়া দেওয়ার চুক্তিতে ন্যূতম এক মাসের ভাড়ার সমপরিমাণ ডিপোজিট রাখতে, যা অনেক ক্ষেত্রে দুই, এমনকি তিন মাসের ভাড়ার সমপরিমাণও হতো। সিটি কাউন্সিল ব্রোকার ফি বাড়ি মালিকদের ওপর ন্যস্ত করায় ভাড়াটেরা আর্থিক স্বস্তি লাভ করবে। বিলটি পাস হওয়ায় অনেক ভাড়াটে এবং ভাড়াটে-অধিকার গোষ্ঠী তাদের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। অবশ্য ব্রোকার, বাড়ি মালিক এবং রিয়েল এস্টেট গ্রুপগুলো বিল পাসের বিরোধিতা করে বলেছে যে এর ফলে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি পেতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক রিপোর্টে বাড়ি ভাড়া ক্ষেত্রে ব্রোকার ফি সম্পর্কে ধারণা দিয়েছে

যে, ব্রোকাররা ভাড়োটেকে বাড়ি ঠিক করে দেওয়ার বিনিময়ে তার কাছ থেকে এককালীন অর্থ আদায় করেন, যা সাধারণত এক মাসের ভাড়া বা বার্ষিক ভাড়ার ১৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। ডিপোজিট এবং প্রথম মাসের ভাড়ার সাথে ব্রোকার ফি পরিশোধ করার অর্থ হচ্ছে ভাড়াটেকে একটি নতুন অ্যাপার্টমেন্টে উঠতে হলে নিউইয়র্কে কমপক্ষে ১০,০০০ ডলার ব্যয় করতে হবে। নতুন ভাড়াটেদের জন্য এটি বিরাট এক বোঝা এবং যারা প্রথমবার নিউইয়র্ক সিটিতে যান তাদের জন্য ব্রোকার ফি অবাঞ্ছিত বিস্ময় ছিল। StreetEasy Ges Zillow-এর মতো ভাড়া দেওয়ার সম্ভাব্য বাড়ির তালিকার অনলাইন সাইটগুলোর মতো কোনো ব্যবস্থা যখন ছিল না তখন ব্রোকাররা বাড়ি মালিক ও ভাড়াটের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করতে যে

মধ্যস্থতা করতো, এখন আর সেই আব,শ্যকতা নেই। ভাড়াটেরা অনলাইন সাইটগুলোতে গিয়ে নিজেরাই বাড়ি ঠিক করতে পারেন। সেজন্য সিটি কাউন্সিল বিবেচনা করেছে যে ব্রোকার ফি যদি দিতেই হয় তাহলে তা দেবে বাড়ি মালিকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সৌদি আরবে আগুনে নিহত নওগাঁর পাঁচজনের লাশ তিন মাস পর বাড়িতে পৌঁছেছে সরকার যদি জনগণের মত অগ্রাহ্য করে, তা চরম মূল্যে দেবে: শফিকুর রহমান টাঙ্গাইলে দুই চোখ উপড়ে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সভাপতিকে হত্যা, নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার আরেকটি জুলাই প্রতারণার স্বরূপ উন্মোচিত: শরীরে ৯ গুলির দাবি করে শেখ হাসিনার নামে মামলা, তদন্তে জানা গেল ‘ঘটনাই ঘটেনি’ প্রতিশোধ নেওয়া আমাদের চরিত্র নয়’, দেশে ফেরা নিয়ে শিক্ষার্থীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই: শেখ হাসিনা ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিতে উত্তাল শিল্পাঞ্চল, মিরপুরে সড়ক অবরোধ মিরপুরের স্পিন উইকেটে বাংলাদেশকে বড় ব্যবধানে হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন হয়নি—টুকুর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিপু, মনে করিয়ে দিলেন কানসাটের ১৭ প্রাণহানির ঘটনা বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ পিছিয়ে দিল জাতিসংঘ, নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর ফিরতে আমাকে হবেই, আকাশ আমার ছাদ আর মাটি হবে ঘর’— গণমাধ্যমের মুখোমুখি শেখ হাসিনা লন্ডনে কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন হাতিয়ায় পুলিশকে ঘিরে হত্যা মামলার আসামির পলায়ন এম্বাপ্পের ওপর ক্ষোভের কারণ চীনারা জিজ্ঞেস করেও জানে না বিজ্ঞাপনে এআইয়ের প্রভাব, ৫০০ বিলিয়ন ডলার কমল গুগলের বাজারমূল্য তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতু এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর সব ধরনের নৌযানে পর্যটকদের ঘোরাফেরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২৮শে অক্টোবর, বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু। এ সময় পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদ্মা সেতু এলাকায় বিশেষ সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। পরিদর্শনকালে শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি, নদীপথে পর্যটকদের চলাচল, নৌযানের নিরাপত্তা এবং পদ্মাসেতুর সংশ্লিষ্ট পিলার এলাকার বর্তমান অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় নদীপথে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার, ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর পিলার সংলগ্ন এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৬টার পর কোনো পর্যটক যাতে নদীতে ঘোরাফেরা করতে না পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ববি মিতু তিনি জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট পদ্মা নদী কেন্দ্রিক পর্যটন ও নৌ-যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। পর্যটক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নদীপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) কর্মকর্তা শান্তনু ঘোষ সাগর, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তা নেয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. মালেক খসরু, টুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর মো. দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক শেখ মো. সোহেল রানা ও শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছার সহ আরও অনেকে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, নৌ-পুলিশ, টুরিস্ট পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএর অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেন। সন্ধ্যার পর পদ্মা সেতু ও মাওয়া ঘাটে পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি বিশ্বব্যাংক: বছর শেষে জ্বালানির দাম ৩২%, খাদ্যপণ্যে ১০% আর পণ্যমূল্য গড়ে ২৩% বাড়বে অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন: দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই, নেই বড় অঙ্কের এলসি খোলার গ্রাহকও