ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুবলীগকর্মীকে ধরতে গিয়ে না পেয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার
‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি সফল দাবি, দেশবাসীর প্রতি যুবলীগের কৃতজ্ঞতা
কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী কিশোর অপ্রতিম হত্যায় শোক ও প্রতিবাদ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার
যুবলীগের ‘লকডাউন’: রাজধানীর সড়ক ফাঁকা, গণপরিবহন সীমিত
ফেনীতে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ায় সড়কের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন বিএনপি নেতা
একমাসেই জামায়াতের ২য় দফা গ্যাস-বিদ্যুৎ-এর দাবিতে লং মার্চঃ জনগনকে ভুলিয়ে রাখার কৌশল?
যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের বিবৃতি: ক্যাঙ্গারু কোর্টে আওয়ামী লীগের ৭ নেতার রায়ের তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ
বাড়িতে ঢুকে যুবদল নেতাকে গুলি, অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে মো. সোহাগ ওরফে সোহেল (৩৫) নামে যুবদলের সাবেক এক নেতাকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলপুর গ্রামের চৌকিদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। তিনি ওই গ্রামের চৌকিদার বাড়ির মাহফুজ মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানায়, গত ২০ জুলাই চার বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন সোহেল। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে পাশের আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে পথরোধ করে মারধর করেন জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা।
এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে তাদের
বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় জামায়াত-শিবিরের নেতা ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করে বলেন, গোপালপুর ইউনিয়নে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি না করলে বসবাস করা কঠিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা যুবদল নেতা সোহেলকে বাড়িতে গুলি করে পালিয়ে যান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার আবু তাহের। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত)
মো. হাবীবুর রহমান জানান, এলজির ছররা গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। আঘাত তেমন গুরুতর নয়। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে রোববার সন্ধ্যায় জামায়াত-শিবিরের নেতা ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে সোহেলকে বাড়িতে ঢুকে গুলি করে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করে বলেন, গোপালপুর ইউনিয়নে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি না করলে বসবাস করা কঠিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা যুবদল নেতা সোহেলকে বাড়িতে গুলি করে পালিয়ে যান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাস্টার আবু তাহের। তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত)
মো. হাবীবুর রহমান জানান, এলজির ছররা গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। আঘাত তেমন গুরুতর নয়। রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



