ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আর নেই
৮০ বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধকে জেলে পচিয়ে মারাই যদি শাসনের নমুনা হয়
দেশ আজ ক্লান্ত, দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত, দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা।
রাজধানীতে একই বাসা থেকে সন্তানসহ ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
এখন আমাদের গ্যাস নাই, না খাইয়া কি মানুষ বাঁচে?” – জনতার দুর্ভোগ
চট্টগ্রামে ২৬ দিনে ১২ খুন : ইউনূসের ‘সংস্কার সরকার’ কি দেশকে জঙ্গলরাজে পরিণত করছে?
বন্যার্তদের ত্রাণ দিতে গিয়ে আহত চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু
বন্যার্তদের ত্রাণ দিতে গিয়ে ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী ফাহিম আহমাদ পলাশ মারা গেছেন। পলাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বুধবার ভোর ৬টা ২০ মিনিটে ঢাকার একটি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট ত্রাণবাহী ট্রাক নিয়ে নোয়াখালী যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন চবির ১২ শিক্ষার্থী। মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ এলাকায় চালকের অসাবধানতার কারণে সামনে থাকা একটি গাড়ির সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা লাগে। এতে সামনের আসনে থাকা দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন এবং ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন ফাহিম আহমাদ পলাশ ও একই শিক্ষাবর্ষের সাদমান হায়দার। তাদেরকে চট্টগ্রাম
মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনায় পড়া বাকি শিক্ষার্থীরাও একই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সোমবার দিবাগত রাতে ফাহিম আহমাদ পলাশকে ঢাকায় একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি আজ সকালে মারা যান। নিহত ফাহিম আহমাদ পলাশের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার খানাসামা থানার ভাবকী ইউনিয়নে। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আক্কাস আলী। ফাহিম আহমাদ পলাশের সহপাঠী আশিক সরকার ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. রোকনুজ্জামান (আজাদ) ফাহিম আহমাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অধ্যাপক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, পলাশের অবস্থা গুরুতর ছিল। ভালো চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় আনা হয়। তবে আসার পথে তার অবস্থা আরও বেগতিক হয়ে যায়। আজ ভোরে চিকিৎসক তাকে মৃত
ঘোষণা করেন। আমরা এখন তার মৃতদেহ দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সহপাঠী আশিক সরকার বলেন, পলাশসহ আমাদের বিভাগের ১২ শিক্ষার্থী সেদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। বাকিরা আশঙ্কামুক্ত হলেও পলাশ পুরো শরীরে আঘাত পেয়েছিল। তার এক পায়ের জয়েন্ট ছুটে যায় ও দুই পা ভেঙে গিয়েছিল। গত পরশু রাতে তাকে নিয়ে ঢাকায় রওনা হই। আজ ভোরে সিএমএইচে আমাদের বন্ধু মারা যায়।
মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুর্ঘটনায় পড়া বাকি শিক্ষার্থীরাও একই হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সোমবার দিবাগত রাতে ফাহিম আহমাদ পলাশকে ঢাকায় একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই তিনি আজ সকালে মারা যান। নিহত ফাহিম আহমাদ পলাশের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার খানাসামা থানার ভাবকী ইউনিয়নে। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আক্কাস আলী। ফাহিম আহমাদ পলাশের সহপাঠী আশিক সরকার ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মো. রোকনুজ্জামান (আজাদ) ফাহিম আহমাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অধ্যাপক মো. রোকনুজ্জামান বলেন, পলাশের অবস্থা গুরুতর ছিল। ভালো চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় আনা হয়। তবে আসার পথে তার অবস্থা আরও বেগতিক হয়ে যায়। আজ ভোরে চিকিৎসক তাকে মৃত
ঘোষণা করেন। আমরা এখন তার মৃতদেহ দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সহপাঠী আশিক সরকার বলেন, পলাশসহ আমাদের বিভাগের ১২ শিক্ষার্থী সেদিন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। বাকিরা আশঙ্কামুক্ত হলেও পলাশ পুরো শরীরে আঘাত পেয়েছিল। তার এক পায়ের জয়েন্ট ছুটে যায় ও দুই পা ভেঙে গিয়েছিল। গত পরশু রাতে তাকে নিয়ে ঢাকায় রওনা হই। আজ ভোরে সিএমএইচে আমাদের বন্ধু মারা যায়।



