ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
বাংলাদেশে আবার ফিরে আসছে সাম্প্রদায়িক হামলার – টার্গেট আবার পুরোহিত ও হিন্দুদের পূজা আর্চনা
বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ
পুকুরে লাশ, রাষ্ট্রের মুখে তালা: সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে—জবাবদিহির দায় কার?
নাটোরের হালসা ইউনিয়নের নবীন কৃষ্ণপুর গ্রামে চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকা সনাতন ধর্মাবলম্বী শ্রমজীবী নিমাই চন্দ্র দাস (৫০)-এর মরদেহ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, নিখোঁজের পর পরিবার ও এলাকাবাসী উদ্বেগ প্রকাশ করলেও কার্যকর নিরাপত্তা বা দ্রুত অনুসন্ধানের দৃশ্যমান উদ্যোগ ছিল না—এমন অভিযোগ উঠছে।
এই মৃত্যু ঘিরে যে প্রশ্নগুলো সামনে আসছে, সেগুলো কোনো একক ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, নিখোঁজ, নির্যাতন ও সন্দেহজনক মৃত্যুর খবর একের পর এক সামনে আসছে—এমনটাই বলছেন মানবাধিকারকর্মী ও স্থানীয় পর্যবেক্ষকেরা। কখনো নদী, কখনো পুকুর—লাশ উদ্ধারের খবর বাড়ছে, কিন্তু রাষ্ট্রীয় প্রতিক্রিয়া চোখে পড়ছে না বলেই অভিযোগ।
সমালোচকেরা বলছেন, এটি কেবল
‘নিরাপত্তা ব্যর্থতা’ নয়; বরং সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার ধারাবাহিকতার ফল। একজন শ্রমজীবী মানুষ নিখোঁজ হয়ে চার দিন পর পুকুরে ভেসে ওঠেন—এতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোথায় ছিল, সেই প্রশ্ন এড়ানো যাচ্ছে না। তদন্তের গতি, দায় নির্ধারণ এবং দোষীদের বিচারের বিষয়ে স্পষ্টতা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। নাটোরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের উদ্বেগ স্পষ্ট—আজ নাটোর, কাল কোথায়? এই নীরবতা ভাঙা না গেলে তালিকা দীর্ঘ হবে, আর দায় এড়ানোর সুযোগ পাবে না কেউ। সংখ্যালঘু নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এই সত্য অস্বীকারের জায়গা নেই। দ্রুত, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দৃশ্যমান জবাবদিহি ছাড়া আস্থা ফিরবে না—এটাই এখন সবচেয়ে জোরালো দাবি।
‘নিরাপত্তা ব্যর্থতা’ নয়; বরং সংখ্যালঘু নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার না দেওয়ার ধারাবাহিকতার ফল। একজন শ্রমজীবী মানুষ নিখোঁজ হয়ে চার দিন পর পুকুরে ভেসে ওঠেন—এতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব কোথায় ছিল, সেই প্রশ্ন এড়ানো যাচ্ছে না। তদন্তের গতি, দায় নির্ধারণ এবং দোষীদের বিচারের বিষয়ে স্পষ্টতা না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে। নাটোরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের উদ্বেগ স্পষ্ট—আজ নাটোর, কাল কোথায়? এই নীরবতা ভাঙা না গেলে তালিকা দীর্ঘ হবে, আর দায় এড়ানোর সুযোগ পাবে না কেউ। সংখ্যালঘু নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব—এই সত্য অস্বীকারের জায়গা নেই। দ্রুত, স্বচ্ছ তদন্ত এবং দৃশ্যমান জবাবদিহি ছাড়া আস্থা ফিরবে না—এটাই এখন সবচেয়ে জোরালো দাবি।



