ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রতিটি নতুন শয়তানির জবাবে আমরা নতুন চমক দেখাই: আকবরজাদে
৭২ ঘণ্টায় মার্কিন অবরোধ ভেঙেছে ৫২ ইরানি জাহাজ
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
বিশ্বসেরা ট্যাংক রাশিয়ার টি-৭২, খোদ যুক্তরাষ্ট্র থেকেই এলো ঘোষণা
ইরানের শহীদ শিশুদের প্রতি শ্রদ্ধা: ই-বুক ও অডিওবুক বিতরণ
হরমুজ প্রণালিতে ইরানকে টোল দিতে চায় না মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ
ইরানের সংরক্ষিত উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোথায়, চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলো আইএইএ
পাকিস্তান-আফগানিস্তানকে বিভেদ কমিয়ে ঐক্যের ডাক ইরানের
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে মেহর নিউজ।
বুধবার এক আলোচনাসভায় পেজেশকিয়ান বলেন, মুসলিম জাতিগুলোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে তাদের দুর্বল করাই শত্রুদের স্থায়ী কৌশল।
তিনি বলেন, ‘সংঘাত ও বিভাজন কোনো মুসলিম দেশের কাম্য নয়। এগুলো আন্তর্জাতিক জায়নবাদের ষড়যন্ত্রের ফল।’
ইরানের প্রেসিডেন্ট জানান, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক উত্তেজনা ইরানসহ গোটা অঞ্চলের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে, কারণ দুই দেশই ইরানের প্রতিবেশী।
তিনি বলেন, অভিন্ন বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বন্ধনে আবদ্ধ মুসলিম দেশগুলোকে শান্তি, ন্যায় ও অগ্রগতির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করতে
হবে। পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরান সংলাপকে উৎসাহিত করতে, উত্তেজনা প্রশমনে ও দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক জোরদারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। সংলাপ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কই আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর পথ।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অঞ্চল এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় শান্তি, ঐক্য ও সহযোগিতা বেশি প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি, উভয় দেশের সরকার ও জনগণ প্রজ্ঞা ও সংযমের মাধ্যমে মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলবে।’ বুধবার বিকেল ৬টা স্থানীয় সময় থেকে কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে পুনরাবৃত্ত সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে একটি স্বল্পস্থায়ী বিরতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সহিংসতা আরও বাড়ার আশঙ্কা সাময়িকভাবে কমিয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
হবে। পেজেশকিয়ান জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরান সংলাপকে উৎসাহিত করতে, উত্তেজনা প্রশমনে ও দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক জোরদারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে। সংলাপ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কই আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর পথ।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই অঞ্চল এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় শান্তি, ঐক্য ও সহযোগিতা বেশি প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি, উভয় দেশের সরকার ও জনগণ প্রজ্ঞা ও সংযমের মাধ্যমে মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলবে।’ বুধবার বিকেল ৬টা স্থানীয় সময় থেকে কার্যকর হওয়া এই যুদ্ধবিরতি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে পুনরাবৃত্ত সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে একটি স্বল্পস্থায়ী বিরতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সহিংসতা আরও বাড়ার আশঙ্কা সাময়িকভাবে কমিয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।



