ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দল থেকে বহিষ্কার নিয়ে মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
নাটোরে জোড়া খুনের মামলায় বিএনপি নেতা দুলু খালাস
নাটোরের আলোচিত রাকিব ও রায়হানের জোড়া খুনের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নিবার্হী পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ সব অভিযুক্তকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে নাটোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৩ এর বিচারক মো. মাইনুদ্দীন এই রায় প্রদান করেন।
মামলা সূত্র জানায়, ২০১৫ সালে ৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের ঘোষিত সংবিধান সুরক্ষা ও গনতন্ত্র রক্ষায় বিজয় র্যালি কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা যাওয়ার সময় নাটোর সদরের তেবাড়িয়া এলাকায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ছাত্রদল কর্মী রাকিব ও রায়হান নামের দুজনকে গুলি করে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় রাকিবের বড় ভাই আনজুল ইসলাম বাদি হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের
করেন। এজাহার দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ ১৪জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন তালুকদার টগর বলেন, এই মামলায় বাদি পক্ষ আসামিদেরকে সনাক্ত করতে না পারায় ও রাষ্ট্রপক্ষ স্বাক্ষী প্রমাণ করতে না পারায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক আসামি বিএনপি নেতা আ্যডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ মামলার ১৪জন আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দেন। খালাস পেয়ে আদালত চত্বরে বিএনপি নেতা দুলু বলেন, রাকিব ও রায়হান বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদলের কর্মী। আওয়ামী লীগের আমলে তাদের হত্যা করে ক্ষমতাসীনরা উলটো বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নিহতের বড় ভাইকে দিয়ে
মামলা করায়। বিএনপি নেতা দুলু এই জোড়া খুনের মুল পরিকল্পনাকারী ও দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর দুলুকে আরও তিনটি মামলায় বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
করেন। এজাহার দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ ১৪জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী রুহুল আমিন তালুকদার টগর বলেন, এই মামলায় বাদি পক্ষ আসামিদেরকে সনাক্ত করতে না পারায় ও রাষ্ট্রপক্ষ স্বাক্ষী প্রমাণ করতে না পারায় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক আসামি বিএনপি নেতা আ্যডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুসহ মামলার ১৪জন আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দেন। খালাস পেয়ে আদালত চত্বরে বিএনপি নেতা দুলু বলেন, রাকিব ও রায়হান বিএনপির অঙ্গ সংগঠন ছাত্রদলের কর্মী। আওয়ামী লীগের আমলে তাদের হত্যা করে ক্ষমতাসীনরা উলটো বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নিহতের বড় ভাইকে দিয়ে
মামলা করায়। বিএনপি নেতা দুলু এই জোড়া খুনের মুল পরিকল্পনাকারী ও দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর দুলুকে আরও তিনটি মামলায় বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।



