ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না সাদ্দামের
চানখারপুলের রায় ‘পূর্বনির্ধারিত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নয়, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ধ্বংসযজ্ঞ: ছাত্রলীগ
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
জনগণের ঝাঁটাপেটা খেয়ে পালিয়ে গিয়ে দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে: সোহেল তাজ
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং তার দলের লোকেরা ছাত্র-জনতার ঝাঁটাপেটা খেয়ে পালিয়ে যেয়ে এখন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং তাজউদ্দীনপুত্র তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ফেসবুকে সাতটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে এই মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাবেক রাজনৈতিক। প্রথম ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে শেখ হাসিনার একটা ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন। যিনি আত্মতৃপ্তি নিয়ে চেয়ে দেখছেন মুসলমান আর ইসকনদের লড়াই। নিচটা রক্তাক্ত।
এরপর রয়েছে একটি আন্দোলনের ছবি। যার ইনসেটে শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি ছবি। নিচে লেখা, ‘টাকার লোভ দেখিয়ে জয়ের পরিকল্পনায় গণঅভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছিল আ.লীগ।’
পরের ছবিটি রিকশাচালকদের আন্দোলনের। উপরে
লেখা, ‘কোনো উপায় না পেয়ে রিকশা চালাচ্ছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।’ এই বক্তব্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরের ছবিটি রাজধানীর মোল্লা কলেজে হামলার। সেখানে লেখা, ‘মোল্লা কলেজে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্রলীগ।’ পরবর্তী ছবিটি কালবেলা পত্রিকার শেয়ার করা একটি কার্ড। যেখানে শেখ হাসিনার ফোনে কথা বলা একটি ছবি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাস্যোজ্জল একটি ছবি কোলাজ করা। ছবির উপরে লেখা, ‘শেখ হাসিনার অডিও ফাঁস, ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিলের নির্দেশনা।’ এর পরেরটা দুটি ছবি উপরে নিচে দিয়ে জোড়া লাগানো। সে ছবি দুটিতে ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনকে দেখানো হয়েছে।
ইনসেটে শেখ হাসিনার একটি ছবিও আছে। পরের ছবিটি আনসার বাহিনীর সদস্যদের আন্দোলনের। সমকাল পত্রিকার লোগো সম্বলিত ওই ছবিটির উপরে লেখা, ‘এক দফা দাবিতে সচিবালয় ঘেরাও করলো আনসার সদস্যরা।’ ছবিগুলো পোস্ট করে সোহেল তাজ ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘হত্যা, গুম, খুন, গণহত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, দুর্নীতি করে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশটাকে শেষ করে ছাত্র-জনতার ঝাঁটাপেটা খেয়ে পালিয়ে যেয়ে এখন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে ও’ লিখেছেন, ‘কত বড় নির্লজ্জ বেহায়া হলে দেশটাকে এক মুহূর্তের জন্য শান্তিতে থাকতে দেবে না ও প্রথমে ডিজিটাল জুডিশিয়াল ‘কু’-এর চেষ্টা, তারপর একের পর এক অপচেষ্টা- আনসার বাহিনী দিয়ে, ব্যাটারি রিকশা, নূর হোসেন
দিবসে ‘ট্রাম্প’ কার্ড, ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শাহবাগে মানুষের জমায়েত করার চেষ্টা, বিভিন্ন কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা আর এবার ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে লাশের উপর ক্ষমতায় ফিরে আসার চেষ্টা।’ পোস্টে সবাইকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু লেখা দুটি বই পড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন সোহেল তাজ। একটি হলো- ‘আমার ফাঁসি চাই’, অন্যটি ‘অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী।’ সবশেষে বিঃ দ্রঃ দিয়ে সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘নীতি আদর্শ বিচ্যুত খারাপ মানুষের প্রশংসা আমার প্রয়োজন নাই। আমি আপাদেরকে চিনি।’ আরও লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্রেইন ওয়াশড নষ্ট পচা নীতি/আদর্শ বিচ্যুত লুটেরা খুনি হত্যা গুম নির্যাতনকারীদের সমর্থক সকলকে বলব, অনতিবিলম্বে আমার এই ফেসবুক পেজটি আনফলো করতে- আর অনুরোধ থাকবে
নিজের বিবেককে জাগিয়ে আত্মউপলব্ধি আত্মসমালোচনা করে অনুশোচনা করার।’
লেখা, ‘কোনো উপায় না পেয়ে রিকশা চালাচ্ছে ছাত্রলীগের কর্মীরা।’ এই বক্তব্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমের বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরের ছবিটি রাজধানীর মোল্লা কলেজে হামলার। সেখানে লেখা, ‘মোল্লা কলেজে হামলার নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্রলীগ।’ পরবর্তী ছবিটি কালবেলা পত্রিকার শেয়ার করা একটি কার্ড। যেখানে শেখ হাসিনার ফোনে কথা বলা একটি ছবি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাস্যোজ্জল একটি ছবি কোলাজ করা। ছবির উপরে লেখা, ‘শেখ হাসিনার অডিও ফাঁস, ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিলের নির্দেশনা।’ এর পরেরটা দুটি ছবি উপরে নিচে দিয়ে জোড়া লাগানো। সে ছবি দুটিতে ট্রাম্পের ছবি নিয়ে মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনকে দেখানো হয়েছে।
ইনসেটে শেখ হাসিনার একটি ছবিও আছে। পরের ছবিটি আনসার বাহিনীর সদস্যদের আন্দোলনের। সমকাল পত্রিকার লোগো সম্বলিত ওই ছবিটির উপরে লেখা, ‘এক দফা দাবিতে সচিবালয় ঘেরাও করলো আনসার সদস্যরা।’ ছবিগুলো পোস্ট করে সোহেল তাজ ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘হত্যা, গুম, খুন, গণহত্যা, নির্যাতন-নিপীড়ন, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, দুর্নীতি করে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে দেশটাকে শেষ করে ছাত্র-জনতার ঝাঁটাপেটা খেয়ে পালিয়ে যেয়ে এখন দেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করছে ও’ লিখেছেন, ‘কত বড় নির্লজ্জ বেহায়া হলে দেশটাকে এক মুহূর্তের জন্য শান্তিতে থাকতে দেবে না ও প্রথমে ডিজিটাল জুডিশিয়াল ‘কু’-এর চেষ্টা, তারপর একের পর এক অপচেষ্টা- আনসার বাহিনী দিয়ে, ব্যাটারি রিকশা, নূর হোসেন
দিবসে ‘ট্রাম্প’ কার্ড, ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শাহবাগে মানুষের জমায়েত করার চেষ্টা, বিভিন্ন কলেজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা আর এবার ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করে লাশের উপর ক্ষমতায় ফিরে আসার চেষ্টা।’ পোস্টে সবাইকে বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু লেখা দুটি বই পড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন সোহেল তাজ। একটি হলো- ‘আমার ফাঁসি চাই’, অন্যটি ‘অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী।’ সবশেষে বিঃ দ্রঃ দিয়ে সোহেল তাজ লিখেছেন, ‘নীতি আদর্শ বিচ্যুত খারাপ মানুষের প্রশংসা আমার প্রয়োজন নাই। আমি আপাদেরকে চিনি।’ আরও লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগের ব্রেইন ওয়াশড নষ্ট পচা নীতি/আদর্শ বিচ্যুত লুটেরা খুনি হত্যা গুম নির্যাতনকারীদের সমর্থক সকলকে বলব, অনতিবিলম্বে আমার এই ফেসবুক পেজটি আনফলো করতে- আর অনুরোধ থাকবে
নিজের বিবেককে জাগিয়ে আত্মউপলব্ধি আত্মসমালোচনা করে অনুশোচনা করার।’



