ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পেলেও এখনই মুক্তি মিলছে না সাদ্দামের
চানখারপুলের রায় ‘পূর্বনির্ধারিত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান নয়, বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ধ্বংসযজ্ঞ: ছাত্রলীগ
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত : মির্জা ফখরুল
নিপীড়িত পরিবারগুলোর কান্নাই আমাদের শপথ: অপশাসন উৎখাত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে
৪৮তম বিশেষ বিসিএস ছাত্রলীগ’ তকমা দিয়ে চূড়ান্ত গ্যাজেট থেকে ‘মাইনাস’ ২৩ চিকিৎসক!
আওয়ামী লীগকে ছাড়া নির্বাচন ‘গণতন্ত্র নয়, স্বৈরতন্ত্র’—ড. ইউনূসের কঠোর সমালোচনা করলেন শেখ হাসিনা
ছাত্রলীগের রাজনীতিতে ফেরার ইঙ্গিত, যে বার্তা দিলেন শিবির সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্ত্রীয় সভাপতি মঞ্জরুল ইসলাম বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও জাহাঙ্গীরনগর (জাবি) বিশ্ববিদ্যালয়ে নিহতের ঘটনায় বিবৃতি দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে ছাত্রলীগ। নিহতের ঘটনাকে পুঁজি করে নতুন স্বপ্নে বিভোর হচ্ছে ছাত্রলীগ।
ছাত্রলীগের মনে রাখা উচিৎ তারা কিন্তু এদেশের ছাত্রজনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। গণহত্যায় সরাসরি জড়িত তারা।
সম্প্রতি দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে ছাত্রলীগের ভবিষ্যত রাজনীতি নিয়ে এসব কথা বলেন মঞ্জরুল ইসলাম।
শিবির সভাপতি বলেন, ঢাবিতে অসুস্থ মানুষের হত্যার যে দৃশ্য দেখেছি এটাতো কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ মেনে নিতে পারে না। সেখানেও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জড়িত ছিল। তারা গ্রেফতারও হয়েছেন। আমরা এ ধরনের হত্যাকে কখনো পোশ্রয় প্রশ্রয় দিইনি। তারই প্রমাণ হচ্ছে,
ঘটনার পর পরই তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি জানিয়ে স্টেটমেন্ট দিয়েছে শিবির। এখন আমাদের প্রশ্ন, এ ঘটনায় যতটা বিবেক নাড়া দিয়েছে ছাত্রলীগের কিন্তু রাস্তায় নির্মমভাবে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে সেটাতো কেন তাদের বিবেক নাড়া দেয়নি? অথচ এ ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত। ছাত্রলীগ তো রাজপথের শত শত ছাত্রকে হত্যা করেছে। এর দায় তো ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগকে নিতে হবে। এটিই প্রমাণ করে ছাত্রলীগের দুই রকমের চরিত্র। এটা জাতি মেনে নেবে না। আর ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলীগকে ছাত্রসমাজ মেনে নেবে কিনা এটা বড় প্রশ্ন থেকে যায়? কারণ তারা শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে ছিল। মঞ্জরুল ইসলাম মনে করেন, ছাত্রলীগ যেভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেছে তাদের অপকর্মের কারণে ক্যাম্পাসে
শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না। কারণ তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের অংশ হিসেবে সরাসরি জড়িত ছিল।
ঘটনার পর পরই তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি জানিয়ে স্টেটমেন্ট দিয়েছে শিবির। এখন আমাদের প্রশ্ন, এ ঘটনায় যতটা বিবেক নাড়া দিয়েছে ছাত্রলীগের কিন্তু রাস্তায় নির্মমভাবে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে সেটাতো কেন তাদের বিবেক নাড়া দেয়নি? অথচ এ ঘটনায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সরাসরি জড়িত। ছাত্রলীগ তো রাজপথের শত শত ছাত্রকে হত্যা করেছে। এর দায় তো ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগকে নিতে হবে। এটিই প্রমাণ করে ছাত্রলীগের দুই রকমের চরিত্র। এটা জাতি মেনে নেবে না। আর ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলীগকে ছাত্রসমাজ মেনে নেবে কিনা এটা বড় প্রশ্ন থেকে যায়? কারণ তারা শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে ছিল। মঞ্জরুল ইসলাম মনে করেন, ছাত্রলীগ যেভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করেছে তাদের অপকর্মের কারণে ক্যাম্পাসে
শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না। কারণ তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের অংশ হিসেবে সরাসরি জড়িত ছিল।



