ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝিনাইদহে ওসির বিরুদ্ধে অপহরণ ও গুম নাটক সাজিয়ে সাড়ে ২১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
জ্বলছে না চুলা, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন: গ্যাস সংকটে চরম ভোগান্তিতে জনজীবন
চট্টগ্রামে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮
সোনাগাজীতে স্কুলছাত্রীকে মারধোর করে কানের দুল ছিনিয়ে নিল যুবদলকর্মীরা
ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০
আয়নাবাজি: উধাও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রমজান, কারাগারে নিরপরাধ দিনমজুর সোনা মিয়া
চট্টগ্রামে আধিপত্যের লড়াই: জমি দখল ও চাঁদাবাজির আড়ালে প্রাণহানির মিছিল
চিকিৎসা সংকটে রংপুরে গুলিবিদ্ধ বাবু মিয়া
সবজি ব্যবসায়ী বাবু মিয়া। এ ব্যবসার আয়ে চলত তার সংসার। ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। এর পর থেকে সেই ক্ষত নিয়ে নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যদিও তা যথেষ্ট নয়। তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু অর্থাভাবে তা করতে পারছেন না। তাই পঙ্গুত্ব বরণ করতে চলেছেন তিনি। এখন নিজের ও পরিবারের অজানা ভবিষ্যৎ নিয়ে দিন কাটছে তার।
রংপুর মহানগরীর জুম্মাপাড়ার বাসিন্দা বাবু মিয়া। এখনো তার পায়ে একাধিক রাবার বুলেটের স্পিন্টার রয়েছে। ক্ষতস্থানে সংক্রমন বেড়েছে। দিনভর স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ সেবা দিয়ে আসছেন আহত বাবু মিয়াকে। বর্তমানে ঠিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারছেন না। অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে হাঁটাহাঁটির চেষ্টা করেন। যে
সবজি ব্যবসার ওপর ভর করে বাবু মিয়ার সংসার চলত, তা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। আর্থিক সংকটে তার চিকিৎসা হচ্ছে না বলে জানান এ প্রতিবেদককে। ১৯ জুলাই বিকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুর সিটি বাজার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার দফায় দফায় ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলে। ছাত্র-জনতাকে মোকাবিলায় পুলিশ ছররা গুলি, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে দেন সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতা বাবু মিয়া। এ সময় তিনি হঠাৎ পায়ে আঘাত অনুভব করেন এবং দেখেন পা থেকে রক্ত ঝরছে। পুলিশের
হাত থেকে বাঁচতে তিনি সেই আঘাত নিয়েই দৌড়ে পালিয়ে যান। এরপর বাবু মিয়া বাসায় এসে দেখতে পান তার পায়ে গুলি লেগেছে। পরদিন তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসক তার পা থেকে দুটি স্পিন্টার বের করে ওষুধ লিখে দেন। বাবু মিয়ার পায়ের গভীরে আরও কয়েকটি বুলেট রয়েছে, যা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা সম্ভব বলে জানান চিকিৎসক। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর দীর্ঘ ৪৬ দিন বিছানায় শুয়ে দিন কাটছে বাবু মিয়ার। পরিবারের সদস্যরা এলাকার কিছু বিত্তবানদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে তাকে ওষুধ কিনে খাওয়াচ্ছেন। বাবু মিয়ার ছেলে আশরাফুল হোসেন বলেন, বাবার পা থেকে দুটি গুলি বের করা হয়েছে। বাকীগুলো
পায়ের বেশি গভীরে থাকায় চিকিৎসকরা বের করেননি। মেডিকেল থেকে বলেছিল, যেসব ওষুধ লেখা হয়েছে, সেগুলো খেলে গুলিগুলো পা থেকে বের হয়ে যাবে। কিন্তু গুলি তো বের হয়নি বরং এখন পায়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, দেশের বাইরে বাবার অস্ত্রোপচার করালে ক্ষত ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এ চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরপরও কোনো আহত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হলে তাকে সাধ্যমতো চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।
সবজি ব্যবসার ওপর ভর করে বাবু মিয়ার সংসার চলত, তা এখন বন্ধ হয়ে গেছে। আর্থিক সংকটে তার চিকিৎসা হচ্ছে না বলে জানান এ প্রতিবেদককে। ১৯ জুলাই বিকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রংপুর সিটি বাজার এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার সংঘর্ষ হয়। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে ছাত্র-জনতার দফায় দফায় ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ চলে। ছাত্র-জনতাকে মোকাবিলায় পুলিশ ছররা গুলি, রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি করে দোকান বন্ধ করে দেন সিটি বাজারের সবজি বিক্রেতা বাবু মিয়া। এ সময় তিনি হঠাৎ পায়ে আঘাত অনুভব করেন এবং দেখেন পা থেকে রক্ত ঝরছে। পুলিশের
হাত থেকে বাঁচতে তিনি সেই আঘাত নিয়েই দৌড়ে পালিয়ে যান। এরপর বাবু মিয়া বাসায় এসে দেখতে পান তার পায়ে গুলি লেগেছে। পরদিন তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসক তার পা থেকে দুটি স্পিন্টার বের করে ওষুধ লিখে দেন। বাবু মিয়ার পায়ের গভীরে আরও কয়েকটি বুলেট রয়েছে, যা বড় ধরনের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অপসারণ করা সম্ভব বলে জানান চিকিৎসক। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর দীর্ঘ ৪৬ দিন বিছানায় শুয়ে দিন কাটছে বাবু মিয়ার। পরিবারের সদস্যরা এলাকার কিছু বিত্তবানদের কাছ থেকে সহযোগিতা নিয়ে তাকে ওষুধ কিনে খাওয়াচ্ছেন। বাবু মিয়ার ছেলে আশরাফুল হোসেন বলেন, বাবার পা থেকে দুটি গুলি বের করা হয়েছে। বাকীগুলো
পায়ের বেশি গভীরে থাকায় চিকিৎসকরা বের করেননি। মেডিকেল থেকে বলেছিল, যেসব ওষুধ লেখা হয়েছে, সেগুলো খেলে গুলিগুলো পা থেকে বের হয়ে যাবে। কিন্তু গুলি তো বের হয়নি বরং এখন পায়ের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন, দেশের বাইরে বাবার অস্ত্রোপচার করালে ক্ষত ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু এ চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় তা সম্ভব হচ্ছে না। এ ব্যাপারে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এরপরও কোনো আহত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হলে তাকে সাধ্যমতো চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে।



