চট্টগ্রামে ‘গান গেয়ে উল্লাস করে’ যুবককে পিটিয়ে হত্যা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৮:৩৭ পূর্বাহ্ণ

চট্টগ্রামে ‘গান গেয়ে উল্লাস করে’ যুবককে পিটিয়ে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৮:৩৭ 211 ভিউ
চট্টগ্রামে দলবদ্ধভাবে ‘গান গেয়ে গেয়ে, উল্লাস করে’ এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে।নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন দুই নম্বর গেট আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ‘মধু হই হই আঁরে বিষ খাওয়াইলা, কোন কারণে ভালোবাসার দাম ন দিলা’ গানটি গেয়ে যুবককে পেটানো হয়। গত ১৩ আগস্ট রাতে এই ঘটনা ঘটলেও গতকাল (শনিবার) ওই যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিওটি ভাইরাল হলে চট্টগ্রামজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। হতভাগ্য ওই যুবকের নাম শাহাদাত হোসেন। ঘটনার পর দিন ১৪ আগস্ট ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার দূরে প্রবর্তক মোড় থেকে লাশ উদ্ধারের পর তাকে শনাক্ত করা হয়। এ ঘটনায় শাহাদাতের চাচা মোহাম্মদ হারুন বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের

করেছিলেন। খুঁটির সঙ্গে বেঁধে গান গেয়ে গেয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ২০ সেকেন্ডের যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটি দেখে স্ত্রী শারমিন আক্তার বলেন, এটি তার স্বামীকে মারারই দৃশ্য। জানা গেছে, শাহাদাত হোসেনের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলার পাঁচবাড়িয়া ইউনিয়নে। তার বাবার নাম নুর মোহাম্মদ। নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন বিআরটিসি এলাকার বয়লার কলোনিতে থাকতেন তিনি। চাকরি করতেন স্টেশন রোডে অবস্থিত ফলমন্ডির একটি দোকানে। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ১৩ আগস্ট দুপুর দুইটার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশে যান শাহাদাত। সন্ধ্যা সাতটার দিকে তার স্ত্রীর শারমিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় শাহাদাতের। তখন কিছুক্ষণের মধ্যে বাসায় ফিরে আসবেন বলে স্ত্রীকে জানান। কিন্তু মধ্যরাত

পর্যন্ত বাসায় ফেরেননি। এতে তার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তখন তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। ১৪ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে ফেসবুকের মাধ্যমে নিহতের চাচা হারুন জানতে পারেন প্রবর্তক মোড়ের অদূরে বদনা শাহ মিয়া (রহ.) মাজারের বিপরীতে সড়কের পাশে তার ভাতিজা শাহাদাত হোসেনের লাশ পড়ে আছে। ওই রাতেই পুলিশের সাহায্যে তিনি লাশটি উদ্ধার করেন। পরে লাশটি মর্গে পাঠানো হয়।ময়নাতদন্ত শেষে লাশ দাফন করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও আসামি করা হয় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের। তবে কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে সে বিষয়েও এজাহারে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। এদিন রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে

শাহাদাতের লাশ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী শারমিন আক্তার। পাঁচলাইশ থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমান রোববার রাতে বলেন, খুঁটির সঙ্গে বেঁধে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শাহাদাতের স্ত্রী সেটি দেখে নিশ্চিত করেন যে, মারধরের শিকার ব্যক্তিটিই তার স্বামী।ভিডিওতে দেখা যায়, ‘মধু হই হই আঁরে বিষ খাওয়াইলা, কোন কারণে ভালোবাসার দাম ন দিলা’-এই গানটি গেয়ে রীতিমতো উল্লাস ও উৎসব করতে করতে শাহাদাতকে পেটাচ্ছে কয়েকজন যুবক।নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন দুই নম্বর গেট আখতারুজ্জামান ফ্লাইওভারের নিচে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘নির্বাহী আদেশে মামলা তুলে নেওয়া সবচেয়ে বড় অন্যায়’, ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন সাংবাদিক মাসুদ কামাল সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: কারান্তরীণ অবস্থাতেই সম্পাদক প্রার্থী ব্যারিস্টার সুমন মা হারালেন শেখ মেহেদী ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করবেন যেভাবে রক্তঝরা ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের চিরন্তন প্রেরণা ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচন বৈধতা পেতে শর্ত, ইউনুসের দেশবিরোধী চুক্তি বাস্তবায়ন আবার শুরু হলো বিএনপির অন্যতম রাজনৈতিক কর্মসূচি-চাঁদাবাজি! যাদের কাছে একুশ বিপজ্জনক: যে সংগঠন বায়ান্নেও ছিল না, একাত্তরেও ছিল না হলফনামায় ২ কোটি থাকলেও এক হাজার কোটি টাকার ‘নগদ’ কিনতে চান ব্যারিস্টার আরমান! ১৯৫২ সালের রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুধুমাত্র ভাষা আন্দোলন ছিল না ১৯৭১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ কার্যালয়ে আগুন দেওয়ায় আ’লীগ নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল ভাষার মাসে ভাষার মিনারে রাজাকারের জয়গান : শহীদ মিনার এখন কার? ড. ইউনূসকে ‘সবচেয়ে বড় রাজাকার’ আখ্যা সাংবাদিক পান্নার, পাঠ্যপুস্তকে নাম অন্তর্ভুক্তির দাবি শেখ মুজিবঃ ছাত্রনেতা থেকে জননেতা শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ বায়ান্নর বীর সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই ২১শে ফেব্রুয়ারি আমরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা নিয়ে দিন কাটালাম – শেখ মুজিবের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী অমর একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির