গারো পাহাড়ে মিষ্টি আনারস চাষে ভাগ্য বদলের হাতছানি চাষীদের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৫ মে, ২০২৫
     ৫:০১ অপরাহ্ণ

আরও খবর

বনমোরগ উদ্ধারের পর বনে ‘দেশি মোরগ’ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা, খেয়ে ফেলার অভিযোগ

স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারা যুবকের আত্মহননের চেষ্টার ভুয়া গল্প অন্তর্জালে, প্রকৃত ঘটনা যা জানা গেল

সমন্বয়ক জিনিয়ার ‘অন্ধকার জগৎ’: তরুণীদের নেশা করিয়ে পাঠানো হতো পুলিশ কর্মকর্তার কাছে!

পঞ্চগড়ে কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: স্বজনদের হত্যার অভিযোগ

ঘুষের টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে থানায় মারধরের শিকার মা–মেয়ে, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

ছেলেকে ধরতে না পেরে ক্ষুব্ধ পুলিশের লাথিতে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যু, পুলিশের দাবি হৃদরোগ

বাংলাদেশে মশা এখনও আছে আগের মতোই, শুধু মাঝখান থেকে এদেশের শাসক বদলেছে

গারো পাহাড়ে মিষ্টি আনারস চাষে ভাগ্য বদলের হাতছানি চাষীদের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৫ মে, ২০২৫ | ৫:০১ 139 ভিউ
শেরপুরের গারো পাহাড়ে কৃষিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে মিষ্টি আনারস চাষ। বন্য হাতির আক্রমণে ধানসহ অন্যান্য ফসলে বারবার ক্ষতির মুখে পড়ে পাহাড়ি এলাকার কৃষকরা। ফলে তারা বিকল্প পথ খুঁজতে গিয়ে এখন ঝুঁকছেন আনারস চাষে। গারো পাহাড়ে পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিকভাবে এই রসালো ও মিষ্টি আনারসের চাষাবাদে সফলতার মুখ দেখেছেন কৃষকরা। জলডুবি জাতের এ আনারস রসালো ও সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে রয়েছে এর ব্যাপক চাহিদা। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে এ আনারস এখন দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও অন্যান্য একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে টাঙ্গাইলের মধুপুরের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির গারো সম্প্রদায়ের পিটার ডালবট নামে এক আনারস চাষী শেরপুরের ঝিনাইগাতী

উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের উত্তর বাঁকাকূড়া গ্রামে তার শ্বশুর হালদ্রা সাংমার ৬ একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে এ আনারস চাষ শুরু করেন। প্রথম অবস্থায় একটু চিন্তায় পড়লেও পরবর্তীতে ফলন দেখে আশায় বুক বাঁধেন পিটার। আনারস যখন পাকা শুরু হয় তখন দেখেন মধুপুরের চেয়ে অনেক বেশি সুস্বাদু ও রসালো হয়েছে। ওই বাগানের রক্ষণাবেক্ষণ, সেচ, সার, পরিচর্যা বাবদ খরচ হয় প্রায় ১১ লাখ টাকা। পুরো বাগানের সোয়া লাখ পিস আনারস ১৬ লাখ টাকায় বিক্রিও করেন তিনি। এর পর থেকেই আশপাশের অনেকেই এ বাগান দেখে এবং চাষাবাদে আগ্রহী হয়ে এবার বাণিজ্যিকভাবে আনারস চাষ করেছেন। স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা আশরাফুল আলম বলেন, গত বছর আমি আনারস চাষে লাভবান

হয়েছি। এবার আট একর জমিতে দ্বিতীয়বারের মতো আনারস চাষ করেছি। আমি এবার প্রায় দুই লাখ চারা রোপণ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ১৬ লাখ টাকা। ধান বা অন্যান্য ফসল বন্য হাতির আক্রমণে ধ্বংস হয়ে যায়, কিন্তু আনারস তুলনামূলকভাবে নিরাপদ ও লাভজনক। গতবারের মতো এবারও ভালো মুনাফার প্রত্যাশা করছি। ঝিনাইগাতী উপজেলার পশ্চিম বাকাকুড়া গ্রামের কৃষক জমশন ম্রং বলেন, এবার ২০ হাজার আনারসের চারা রোপণ করেছি। এতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। এবারও দ্বিগুণ লাভ হবে। তার দাবি আগামীবার আরও বড় পরিসরে চাষাবাদ করবেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো আমার আনারস বিক্রির জন্য বাজারে নিতে হয়নি। সব ক্ষেতেই বিক্রি

হয়ে গেছে। জেলা শহর থেকে বেড়াতে আসা কলেজ শিক্ষক মফিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের জেলায় আনারস চাষ হয় আমি প্রথম দেখলাম। এতো মিষ্টি আনারস আমাদের শেরপুরের খেয়ে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। আমি নিজের হাতে বাগান থেকে কেটে খেলাম। মধুর মতো মিষ্টি। আমি চাই আমাদের শেরপুরের গারো পাহাড়ে অনেক অনাবাদি জমি আছে। সেই জমিগুলোতে যেন আরও বড় পরিসরে আনারস চাষ করা হয়। গারো পাহাড়ে বেড়াতে আসা ব্যবসায়ী মাসুম মিয়া ও শিক্ষার্থী লুৎফর আনারস খেয়ে বলেন, আনারসের সাইজ ছোট হলেও প্রচুর মিষ্টি। গারো পাহাড়ের বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা এখন সময়ের দাবি। শেরপুরে ব্যাপকভাবে এই আনারস চাষ হলে আমরা হাতের নাগালে সুমিষ্ট আনারস অল্প দামে পাবো।

এতে প্রত্যন্ত সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকার আনারস চাষীরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। শেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শেরপুরে সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া আনারস চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ঝিনাইগাতীর সফলতা দেখে এখন নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবরদীতেও এই চাষ ছড়িয়ে পড়ছে। তবে বন্য হাতির আক্রমণ প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ অঞ্চল শিগগিরই দেশের অন্যতম প্রধান আনারস উৎপাদন অঞ্চলে রূপ নিতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
Bangabandhu Was Not Just a Leader – He Was the Architect of a Successful History March 1971: From Political Deadlock to Declaration of Independence ৭ই মার্চের চেতনাকে ভয় পায় বলেই দমননীতি—ধানমন্ডিতে ৫ বছরের শিশুসহ পথচারী গ্রেপ্তার বাধা উপেক্ষা করে হৃদয়ে প্রতিধ্বনিত বজ্রকণ্ঠ: ৫৫ বছরে ৭ মার্চের অবিনাশী চেতনা বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনেও গণতন্ত্র হত্যা জিরো টলারেন্সের সরকার, জিরো জবাবদিহির দেড় বছর রাজনীতির নামে পশুত্ব! বৃদ্ধা মায়ের রক্ত ঝরিয়ে কাপুরুষতার উৎসব বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিল আওয়ামী লীগ সাইনবোর্ডে লেখা রাত ৮টা, কিন্তু ৭টার আগেই বন্ধ তেলের পাম্প! রক্তে রাঙানো ৫ই মার্চ: বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতার মহড়া কারাগারকে হত্যা কারখানায় পরিণত করা হয়েছে অবৈধ ইন্টারিম থেকে বিএনপি… স্বাধীনতা পদক তালিকায় বিতর্কিত চরিত্র মেজর জলিলের নাম: ঐতিহাসিক কিছু ঘটনা ৭ মার্চের ভাষণ স্বাধীনতার ‘গ্রিন সিগন্যাল’, বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা: ‘একটি জাতির জন্ম’ প্রবন্ধে জিয়াউর রহমান ৭ই মার্চ: বাঙালির মুক্তির আহ্বান, ইতিহাসের অনন্ত শপথ সারাদিন রোজা রাখার পর পান করতে পারেন যেসব স্বাস্থ্যকর পানীয় ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ কিনা- প্রশ্নের জবাবে শাহবাগের ওসি: সাংবাদিক হয়ে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করেন কেন? দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ আছে মাত্র চার দিনের চানখারপুলে সাউন্ডবক্সে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ বাজানোয় আটক অন্তত ৪ মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের ধাক্কা দেশের জ্বালানি ও শিল্পখাতে: উত্তরণের পথ দেখছেন না উদ্যোক্তারা ব্রঙ্কসে ডে কেয়ারে ফেন্টানলের মজুদ, ১ শিশুর মৃত্যু