ইলিশ রপ্তানিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ইলিশ রপ্তানিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বাতিলসহ পদ্মা, মেঘনা ও নদীর ইলিশ মাছ রপ্তানির বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট করা হয়েছে। বুধবার রিটটি করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী মাহমুদুল হাসান। রিটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আমদানি-রপ্তানির কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রককে বিবাদী করা হয়েছে। মাহমুদুল হাসান জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভারতের ‘ফিশ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের’ নেতাদের বক্তব্য প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তারা স্বীকার করেছেন যে, বাংলাদেশ থেকে পদ্মার ইলিশ তারা আমদানি করে থাকেন। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের পদ্মা নদীর সব মাছ ভারতে রপ্তানি হয় এবং বিপুল পরিমাণ ইলিশ ভারতে চোরাচালান হয়। তিনি জানান, বাংলাদেশে ভারতীয়

এজেন্ট ও রপ্তানিকারকরা সারা বছর পদ্মা নদীর মাছ সংগ্রহ করে ফ্রিজিং করে রাখেন এবং পরে সুযোগ অনুযায়ী ভারতে রপ্তানি ও পাচার করে থাকেন। ফলে বাংলাদেশের জনগণ বাজারে গিয়ে পদ্মার ইলিশ পায় না এবং সামান্য পরিমাণ পেলেও তার দাম অত্যন্ত বেশি থাকে যা সাধারণ জনগণের পক্ষে কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের রপ্তানিনীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী, ইলিশ মাছ মুক্তভাবে রপ্তানিযোগ্য কোনো পণ্য নয়। এই মাছ রপ্তানি করতে চাইলে যথাযথ শর্ত পূরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেনি।’ এই ইলিশ হলো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারাধীন বিষয়। এক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

এককভাবে এই ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমোদন দিতে পারে না। এটা এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ। এক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ও সচিব বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছেন এবং বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন। ওই রিট পিটিশনে ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বাতিলসহ বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা ও নদীর ইলিশ রপ্তানির বিরুদ্ধে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
পলাশীর পতনের ঠিক ১৯২ বছর পরে বাংলার জেগে ওঠার উপখ্যান মেসির রেকর্ড গড়া গোলটি অবৈধ ছিল, বললেন সাবেক গোলরক্ষক ইউজিসি-তে ছাত্র বহিষ্কারের প্রতিবাদে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ব্যানার চীন-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান, স্থগিত আলোচনা চালুর ওপর জোর ঝিনাইদহে চরম উত্তেজনা: পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে আওয়ামী লীগ নেতা বিজুকে ছিনিয়ে নিলো জনতা ‘মাজারবিদ্বেষীদের’ সঙ্গে নিয়ে শেষ দিনে ‘মাজারে ডিসিগিরি’ করে গেলেন সারওয়ার আলম রাজস্ব ঘাটতির চাপ তীব্র, বাড়ছে অর্থ ব্যবস্থাপনার সংকট ভ্যাট বৃদ্ধির প্রভাবে রডের দাম টনপ্রতি বেড়েছে ২ হাজার টাকা আওয়ামী লীগ ঠেকাতে মরিয়া সরকার; পুলিশ-র‍্যাব-আর্মির পর এবার যুক্ত হলো বিজিবি রোনালদোকে কখন ‘তুলতে হবে’, শিখতে হবে কোচকে এক জুতোর পেছনে ৩ জন রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা সেটি নির্ধারিত হবে আদালতে: ডা. জাহেদ সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল নয়, বাদীর আবেদন নথিভুক্ত বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি ঢাবির সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বরখাস্ত ৩ শিক্ষক, অব্যাহতি দুজনের রাঙামাটিতে আ.লীগের ১০ নেতাসহ আটক ১৬ জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপ্রতিরোধ্য আওয়ামী লীগের নতুন করে দেশ গড়ার প্রত্যয় কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের প্রতিবেদনের জবাবে ওবায়দুল কাদেরের জবাব- গণতন্ত্র ও স্থিতিশীল রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৬ দফা দাবী