ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
আ.লীগের ১৯ নেতাকর্মী আটক
লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার দুপুরে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠায়।
থানা পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক শিমুল ভূঁইয়াসহ ১৯ জনকে আটক করা হয়। তারা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের জেলা-উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল মোন্নাফ জানান, লক্ষ্মীপুরে গত ৪ আগস্ট চার শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগের ১৯ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়। তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে
জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। হত্যা ও ছাত্র-জনতার ওপর হামলা মামলায় এ পর্যন্ত ২ শতাধিক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, ৪ আগস্ট শহরের মাদাম ও তমিজ মার্কেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলি চালায়। এতে ছাত্র সাদ আলম আফনান, কাউছার হোসেন বিজয়, সাব্বির হোসেন ও ওসমান গনি নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। যদিও একই দিন সন্ধ্যায় যুবলীগ নেতা একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুর বাসা থেকে পালানোর সময় পিটিয়ে ও কুপিয়ে আটজনকে হত্যা করা হয়। তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও টিপুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। হত্যা ও ছাত্র-জনতার ওপর হামলা মামলায় এ পর্যন্ত ২ শতাধিক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। প্রসঙ্গত, ৪ আগস্ট শহরের মাদাম ও তমিজ মার্কেট এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলি চালায়। এতে ছাত্র সাদ আলম আফনান, কাউছার হোসেন বিজয়, সাব্বির হোসেন ও ওসমান গনি নিহত ও গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। যদিও একই দিন সন্ধ্যায় যুবলীগ নেতা একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুর বাসা থেকে পালানোর সময় পিটিয়ে ও কুপিয়ে আটজনকে হত্যা করা হয়। তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও টিপুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত।



