ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সমিতির ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পলাতক জামায়াত আমির গ্রেপ্তার
তালাকের কথা শুনে ক্ষিপ্ত শিপন, স্ত্রীসহ শাশুড়িকে হত্যা করে
বিয়ের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে কলেজছাত্রীকে মসজিদের কক্ষে নিয়ে বারবার ধর্ষণ, হত্যার হুমকি
৪ বিয়ের পরেও পরনারীর ঘরে! জামায়াত কর্মীকে রাতভর খুঁটিতে বেঁধে পুলিশে সোপর্দ
মাদ্রাসার বাথরুমে ছাত্রের মরদেহ: গ্রেপ্তার ২ শিক্ষক কারাগারে
বাগেরহাটে একই পরিবারের তিনজনের গলিত মরদেহ উদ্ধার
মোহাম্মদপুরে ‘ককটেল’ বিস্ফোরণ
আশুলিয়ায় আজও বন্ধ ৫২ কারখানা, যানচলাচল শুরু
শিল্পাঞ্চল আশুলিয়া সকালে কিছুটা অশান্ত হলে দুপুরের পর স্বস্তি ফিরে এসেছে। অবরোধ তুলে নেওয়ায় আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কে এখন যানচলাচল স্বাভাবিক। তবে এখনো বন্ধ রয়েছে ৫২টি শিল্প-কারখানা।
শিল্প পুলিশ জানায়, সকালে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার কারখানাগুলোতে শ্রমিকরা কাজে যোগ দেন। বেশিরভাগ কারখানায় উৎপাদন চললেও বেশ কয়েকটিতে কর্মবিরতিতে যান শ্রমিকরা। জামগড়া, ইউনিক, নরসিংহপুর, নিশ্চিতপুরসহ কয়েকটি এলাকার কারখানাগুলো অনিদিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকে। যে কয়েকটি চালু ছিল তার কয়েকটিতে কর্মবিরতি শুরু করলে ছুটি ঘোষণা করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের নরসিংহপুর এলাকায় জেনারেশন নেক্সট গার্মেন্টসের কয়েকশ শ্রমিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। প্রায় দেড়ঘণ্টা অবরোধের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন। বকেয়া বেতন ও বেতন বৃদ্ধিসহ
১৫ দফার দাবিতে তারা এ বিক্ষোভ করেন। তবে দুপুরের পর শিল্পাঞ্চলের কোথাও কোনো বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেশিরভাগ কারখানায় উৎপাদন চলছে। কাজে যোগ দিয়েছেন প্রায় শতভাগ শ্রমিক। তবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা অর্ধশতাধিক কারখানার শ্রমিকদের সড়কে কিংবা কারখানার প্রধান ফটকে দেখা যায়নি। অমিত শাহ’র বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ বাংলাদেশের পুরো শিল্প এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে র্যাব, পুলিশ ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যদের। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে সাঁজোয়া যান। আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম জানান, ৪৩টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। সাধারণ ছুটি রয়েছে আরও ৯টি কারখানায়। সকালে কিছুটা ঝামেলা হলেও দুপুরের পর কর্মপরিবেশ অনেকটা
স্বাভাবিক।
১৫ দফার দাবিতে তারা এ বিক্ষোভ করেন। তবে দুপুরের পর শিল্পাঞ্চলের কোথাও কোনো বিক্ষোভের খবর পাওয়া যায়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেশিরভাগ কারখানায় উৎপাদন চলছে। কাজে যোগ দিয়েছেন প্রায় শতভাগ শ্রমিক। তবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকা অর্ধশতাধিক কারখানার শ্রমিকদের সড়কে কিংবা কারখানার প্রধান ফটকে দেখা যায়নি। অমিত শাহ’র বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ বাংলাদেশের পুরো শিল্প এলাকায় দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে র্যাব, পুলিশ ছাড়াও সেনাবাহিনীর সদস্যদের। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে সাঁজোয়া যান। আশুলিয়া শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম জানান, ৪৩টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। সাধারণ ছুটি রয়েছে আরও ৯টি কারখানায়। সকালে কিছুটা ঝামেলা হলেও দুপুরের পর কর্মপরিবেশ অনেকটা
স্বাভাবিক।



