আমার ছেলে হত্যার বিচার করবে কে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

আরও খবর

৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে জঙ্গিবাদের প্রসার: মাদ্রাসায় টিটিপি জঙ্গির আত্মগোপন টের পায়নি গোয়েন্দা সংস্থা, চলে যাওয়ার পর তত্ত্ব-তালাশ!

‘ইউনূরজাহান’ গংয়ের ওপি বন্ধের খেসারত: হামের পর র‌্যাবিস টিকার সংকট, ‘বাদ যাবেনা একটি রোগও’

ইউনূস সরকারের সকল নৈরাজ্যের সুরক্ষা দিয়ে অবশেষে ব্যারাকে ফিরছে সেনাবাহিনী মিশন ব্যর্থ নাকি সফলতার পর দৃশ্যপট ত্যাগ?

সরকারি গুদামে ধান বিক্রির আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে কৃষকদের ভোগান্তি, সিন্ডিকেটের অভিযোগ

বিজেপি সভাপতির কাছে তারেক রহমানের চিঠি:মোদিকে খুশির চেষ্টা?

করের টাকা কী করেন, সরকারের কাছে প্রশ্ন বিটিএমএ সভাপতির

ঈদুল আযহায় চলবে ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন, অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৩ মে থেকে

আমার ছেলে হত্যার বিচার করবে কে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
‘আমার ছেলে যোগ দিয়েছিল ছাত্র-জনতার আন্দোলনে। তার কোনো অপরাধ ছিল না, সে অপরাধীও নয়। সবার ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সে আন্দোলন করছিল। কিন্তু পুলিশ আমার নির্দোষ ছেলেকে নির্মমভাবে গুলি করে মেরেছে। আমার ছেলে হত্যার বিচার করবে কে? কে দেবে ক্ষতিপূরণ?’ ছেলের ছবি বুকে নিয়ে আর্তনাদ করে জানতে চান শেখ রাকিবের (২৩) মা সুইটি আক্তার। বৃহস্পতিবার ছেলের একটি ছবি নিয়ে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন সন্তানহারা অসহায় মা সুইটি আক্তার। তিনি বলেন, ‘১৯ জুলাই যমুনা ফিউচার পার্কের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার মিছিলে রাকিবও যোগ দিয়েছিল। তখন বিকাল ৫টা। দুপুরের দিকে রাকিব ফোন করে বলেছিল, মা আন্দোলনে যাচ্ছি, চিন্তা করিও না-মরব না, বীরের মতো

বাঁচব।’ কিন্তু বিকাল ৫টার পর পরিবারের কেউ আর রাকিবের খোঁজ পাচ্ছিলেন না। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। বুক চাপড়ে মা বলেন, ‘আমার সন্তানসহ লাখ লাখ ছাত্র-জনতা অধিকার আদায়ে লড়াই করেছে। সেই লড়াইয়ে পাখির মতো গুলি করে তাদের মারা হয়েছে। আমার বুক খালি করা হয়েছে। আমার শূন্য বুক কে পূরণ করবে?’ এমন সব মায়ের আর্ত চিৎকারকে সম্বল করে বাংলাদেশের তরুণ কবি সাহাত হোসাইন লিখেছেন, ‘যে মায়ের চোখ, সমুদ্র শোক, কন্যার শ্বাস... সে মায়ের কোল, শূন্য আঁচল, ভরে যাবে কীসে?’ শেখ রাকিব রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোডস্থ যমুনা-বসুন্ধরা সড়কের পাশের একটি ওয়েল্ডিংয়ের দোকানে শ্রমিকের কাজ করতেন। তার গ্রামের বাড়ি ঢাকার নবাবগঞ্জের কামারখোলা চুড়াইন গ্রামে। তার বাবার নাম মো.

হুমায়ুন কবি ওরফে মিজানুর রহমান। অভাবের সংসারে রাকিব ছিলেন অন্যতম অবলম্বন। শ্রমিকের কাজ করে তিনি পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন। এখন রাকিব নেই, আর্থিক টানাপড়েনে চলছে তাদের সংসার। সুইটি আক্তার বলেন, ‘২৩ বছরের ছেলে আমার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে আন্দোলনে শহিদ হয়েছে। কিন্তু ছেলেকে কি এ দেশ, দেশের মানুষ মনে রাখবে? রাকিবের গলায়-বুকে একাধিক গুলি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর বন্ধু-পথচারীরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই প্রাণ হারায় রাকিব। ওই দিন কিছুতেই রাকিবের লাশ পাওয়া গেল না। এক রকম জোর করেই তারা লাশ মর্গে ঢুকিয়ে ফেলে।’ তিনি বলেন, ‘একদিকে ছেলের লাশ পড়ে আছে মর্গে। অন্যদিকে রাজধানীজুড়ে আন্দোলন চলছে।

সেই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছিল হাসিনা সরকার।’ ছেলের লাশ কিছুতেই দিচ্ছিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ছেলের লাশ পেতে দিশেহারা হয়ে পড়েন মাসহ পরিবারের লোকজন। কোনো উপায় না পেয়ে অবশেষে তারা লাশ পেতে যোগাযোগ করেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামের সঙ্গে। পারিবারিক জীবনে যে কোনো আপদ-বিপদে পড়লে-তার সঙ্গেই তারা যোগাযোগ করেন। রাকিবের ভাই শেখ সাকিব বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে যখন আমরা কোনোভাবেই লাশ বের করতে পারছিলাম না-তখন আমাদের এমপি অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম ম্যাডামের সঙ্গে যোগাযোগ করি। ওই সময় ম্যাডামসহ তার বড় মেয়ে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশকে বলে দেন। পরে ওই

দিনই রাকিবের লাশ দ্রুত সময়ের মধ্যে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়। ওই হাসপাতাল মর্গ থেকে রাকিরের লাশ হস্তান্তর করে ২২ জুলাই।’ মা সুইটি আক্তার বললেন, ‘ছেলেকে সারা জীবনের মতো আমার বুক থেকে কেড়ে নিয়েছে খুনিরা। আমার মতো শত শত মা-বাবা সন্তানহারা হয়েছেন। অপেক্ষায় আছি, হয়তো কোনো এক ভোরে কোনো উপদেষ্টা বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কেউ ডেকে বলবে, ‘শহিদ রাকিবের মা কি ঘরে আছেন-আমরা এসেছি।’ নতুন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের হত্যাকারীকে যেন ফাঁসি দেওয়া হয়।’ ছেলে হত্যার জন্য তিনি যথাযথ ক্ষতিপূরণও দাবি করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাঁশখালীতে কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মাদ্রাসায় নিয়োগের এক সপ্তাহের মধ্যেই শিশু ছাত্রকে বলাৎকার করে শ্রীঘরে হাফেজ ‘গুপ্ত, গুপ্ত, ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে আমির হামজাকে কলেজে অবরুদ্ধ ৫ আগস্টের পর দেশজুড়ে জঙ্গিবাদের প্রসার: মাদ্রাসায় টিটিপি জঙ্গির আত্মগোপন টের পায়নি গোয়েন্দা সংস্থা, চলে যাওয়ার পর তত্ত্ব-তালাশ! ‘ইউনূরজাহান’ গংয়ের ওপি বন্ধের খেসারত: হামের পর র‌্যাবিস টিকার সংকট, ‘বাদ যাবেনা একটি রোগও’ যবিপ্রবিতে জামায়াতপন্থি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে বৈছা নেতাদের বৈষম্যমূলক গণমামলা: শত শত মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন হুমকিতে ইউনূস সরকারের সকল নৈরাজ্যের সুরক্ষা দিয়ে অবশেষে ব্যারাকে ফিরছে সেনাবাহিনী মিশন ব্যর্থ নাকি সফলতার পর দৃশ্যপট ত্যাগ? থমকে গেছে এমআরটির উন্নয়নমূলক কাজ, বারিধারা-নতুনবাজার এলাবাসীর ভোগান্তি চরমে সরকারি গুদামে ধান বিক্রির আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে কৃষকদের ভোগান্তি, সিন্ডিকেটের অভিযোগ বিজেপি সভাপতির কাছে তারেক রহমানের চিঠি:মোদিকে খুশির চেষ্টা? আরও ১২টি পরিবার হারালো তাদের শিশু সন্তান মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে অবহেলার মামলা ভেঙে গেল বিধানসভা, মমতা আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী নন করের টাকা কী করেন, সরকারের কাছে প্রশ্ন বিটিএমএ সভাপতির ফিক্সিংকাণ্ডে ৪ জনকে সাময়িক বহিষ্কার ঈদুল আযহায় চলবে ১০ জোড়া বিশেষ ট্রেন, অগ্রিম টিকিট বিক্রি ১৩ মে থেকে ইন্টারপোলের সাহায্যে হত্যা মামলার আসামিকে দেশে আনল পিবিআই জোড়াতালি দিয়ে বিপিএলের মতো টুর্নামেন্ট করব না: তামিম আরও বাড়ল স্বর্ণের দাম