আমরা কোনো দলকে দানব বানাতে সমর্থন করিনি: জিএম কাদের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

আমরা কোনো দলকে দানব বানাতে সমর্থন করিনি: জিএম কাদের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ |
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, অনেকে বলেন- আমরা নাকি আওয়ামী লীগকে দানব বানিয়েছি। আমাদের সমর্থন না পেলে আওয়ামী লীগ দানব হতো না? আমরা বিএনপিকে সমর্থন দিলে বিএনপি দানব হতো না? আওয়ামী লীগ সুযোগ পেয়েছে দানব হয়েছে। আমরা কোনো দলকে দানব বানাতে সমর্থন করিনি। তিনি বলেন, কোনো দল যদি দানব হয়ে থাকে তাহলে তারা নিজেদের দোষেই দানব হয়েছে। আবার কোনো দল সুযোগ পেলে যে দানব হবে না তা কি বলা যায়? মঙ্গলবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয়ে জাতীয় মহিলা পার্টি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জিএম কাদের বলেন, এখন যারা বড় বড় কথা বলছেন- তারা আওয়ামী

লীগের আমলে কতজন কথা বলতে পেরেছেন? আওয়ামী লীগের উলটা কথা বলার পরে যদি আওয়ামী লীগ পরের দিন আপনাকে আবার সেই কথার উলটা কথা বলতেন, না বলতে পারতেন? আওয়ামী লীগ উঠিয়ে নিলে আপনিও জয়বাংলা বলতেন। অনেকে জয়বাংলা বলছে না? আমরা আমাদের কথা বলে গেছি, আমরা জনগণের পক্ষে কথা বলেছি। আমাদের বিরোধী দল করা হয়েছিল, আমরা ইচ্ছেমতো সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের পতনে কোনো রাজনৈতিক দলের কৃতিত্ব নেই। অনেক দলতো নির্বাচন বন্ধ করতে চেয়েছিল, পেরেছিল? অনেক দল নির্বাচনে আসতে চেয়েছিল, কিন্তু সরকারই তাদের নামে বিভিন্ন মামলা দিয়ে নির্বাচন থেকে দূরে রেখেছিল। নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের পতন হয়নি, আওয়ামী লীগের

পতন হয়েছে তাদের দুর্নীতি ও দুঃশাসনের জন্য। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে, এই কৃতিত্ব ছাত্র-জনতার। জিএম কাদের বলেন, জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগ জোর করে নির্বাচনে নিয়েছে। এতে জাতীয় পার্টি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি কি মন্ত্রী হতে নির্বাচনে গিয়েছি? আমি তো ২০০৮ সালে মন্ত্রী ছিলাম। তখনকার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেছিলাম। আমি কখনো মন্ত্রিত্বের জন্য রাজনীতি করি না। ২০১৪ সালের নির্বাচন জাতীয় পার্টি বর্জন করেছিল। ৩০০ আসনের মধ্যে আমিসহ ২৭০ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের নির্বাচনে যাইনি এবং সংসদেও যাইনি। তখন আওয়ামী লীগ আমাকে মন্ত্রিত্ব দিতে চেয়েছিল, আমি রাজি হইনি। আমরা জনগণের কোনো ক্ষতি করিনি জনগণের উপকার করতে

চেষ্টা করেছি। ২০১৪ সালে যখন আমরা নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তখন আরেকটা গ্রুপ বানিয়ে তাদের লাঙ্গল মার্কা দিয়ে নির্বাচনে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল সরকার। আমি বিশ্বাস করিনি তাই ২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা ২৭০ জন প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছিলাম। ২০২৪ সালের নির্বাচনও আমরা বর্জন করতে চেয়েছিলাম। আমাদের বাধ্য করা হয় নির্বাচনে যেতে এটা সবাই জানে। ১৭ ডিসেম্বর ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। আমরা সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থার লোকজন আমাদের অফিস ঘেরাও করে রাখে। আমাদের সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জন করতে দেয়নি। জোর করে নির্বাচনে নেওয়ার কারণে আমাদের রাজনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা জনগণের প্রত্যাশা

অনুযায়ী নির্বাচন বর্জন করতে পারিনি। আওয়ামী লীগের পতন না হলে আমাদের দল বিলীন হয়ে যেত, তাদের পতন না হলে কোনো দলই বাংলাদেশে থাকত না। শুধু আওয়ামী লীগ থাকত। আমরা কখনোই আওয়ামী লীগের দোসর ছিলাম না আমরা সব সময় জনগণের দোসর ছিলাম। জাতীয় পার্টির সঙ্গে বিএনপির আদর্শগত মিল আছে, কিন্তু চরিত্রগত কোনো মিল নেই। জাতীয় পার্টিকে সব সময় ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। ১৯৯০ সালের পর থেকে জাতীয় পার্টি নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে। সেই ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আক্তারের সভাপতিত্বে এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু। উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য

মীর আব্দুস সবুর আসুদ, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, মনিরুল ইসলাম মিলন, মাসরুর মওলা, জসীম উদ্দিন ভূইয়া, উপদেষ্টা মেহেরুন্নেসা খান হেনা পন্নী, মো. খলিলুর রহমান খলিল, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন ও ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ সেলিম। মহিলা পার্টির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- ডা. সেলিনা খান, জেসমিন নূর প্রিয়াঙ্কা, তাসলিমা আক্তার রুনা, সীমানা আমির, ফরিদা সিকদার, মিথিলা রওয়াজা, জোসনা আক্তার, পারুল বেগম, রোকসানা পারভীন রুমি, তানজিনা আহমেদ, সাফিয়া পারভীন, শামীমা সুলতানা, রীমা বেগম, রিলু বেগম, সাদিয়া পারভিন, ফেরদৌসি বেগম, শাহীনুর আক্তার, ফেরদৌসি বেগম, শান্তা ইসলাম, বিথি আক্তার, রায়সা মাহিম কনা প্রমুখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা বিএনপি সরকারের এক মাসেই আন্তর্জাতিক সংস্থার চাপ: মানবাধিকার ইস্যুতে তারেক রহমানকে কড়া বার্তা ৯ আন্তর্জাতিক সংস্থার মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায় রমজানে ফলের বাজার থেকে লুট ৭০০–৮০০ কোটি টাকা রাশিয়ার তেল পাইপলাইন ইস্যুতে ইউরোপীয় মিত্রদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ জেলেনস্কির ‘যেকোনো কিছু ঘটা সম্ভব’, রিয়ালের বিপক্ষে ফিরতি লেগের আগে গার্দিওলা শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা! আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সংস্কারের মুখোশে দমন : অবৈধ ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি এবার জেলা পরিষদে নেতা-কর্মী বসিয়ে লুটপাটের প্ল্যান তারেকের রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত আবারো সংকটে জাতি, আবারো তিনিই প্রেরণা মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?