ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এশিয়ান গেমসকে বড় স্বপ্ন ছোঁয়ার বিরল সুযোগ হিসেবে দেখছেন লিটন
ভারতের বিপক্ষেও ‘প্রীতি নয়’, যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে খেলবে ব্রাজিল
না খেলেই কীভাবে এশিয়ান গেমসে পদক নিশ্চিত বাংলাদেশের জিন্নাতের
সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর
টি-টোয়েন্টির ‘ডাকে’র বিশ্বরেকর্ডের শীর্ষ পাঁচে আছেন যারা
গণমাধ্যমে মন্তব্যের জেরে সারওয়ার ইমরানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছে বিসিবি
এশিয়ান গেমসে ৪০ বছর পর বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তিগত পদক নিশ্চিত করলেন জিন্নাত
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়
ডারউইনের মারারারা স্টেডিয়ামে ক্রিকেট ইতিহাস পুনর্বিন্যাস করল বাংলাদেশ। স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে তাদেরই মাটিতে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এক অবিস্মরণীয় টেস্ট জয় ছিনিয়ে নিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে এই জয় কেবল একটি সাধারণ সাফল্য নয়, বরং বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অর্জনগুলোর একটি।
চতুর্থ দিনের সকালেই জয়ের ভিত শক্ত ভিত্তি গড়ে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তাঁর দুর্দান্ত ঘূর্ণি বোলিং এবং হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের নিয়ন্ত্রিত পেসে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় ২৮৪ রানে। একা লড়াই করে ক্যামেরন গ্রিনের শতক (১০৪) অজিদের কেবল ৫৭ রানের সামান্য লিড এনে দিতে সক্ষম হয়। মিরাজ ৬৬
রানে ৫ উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের মিডল ও লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন। জয়ের জন্য ৫৮ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম শুরুতেই শূন্য রানে আউট হলেও বাংলাদেশ বিন্দুমাত্র চাপে পড়েনি। মোমিনুল হক (অপরাজিত ৩০) ও সাদমান ইসলাম (অপরাজিত ২৫) সতর্কতার সঙ্গে ব্যাট চালিয়ে মাত্র ১৪.২ ওভারেই দলকে ঐতিহাসিক জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারানো কিংবা পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর ডারউইনের এই সাফল্য প্রমাণ করল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন অন্য উচ্চতায়। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারিয়ে শান্ত-মিরাজরা বিশ্ব ক্রিকেটকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন—লাল-সবুজের টেস্ট যাত্রা এখন এক নতুন স্বর্ণযুগে প্রবেশ করেছে।
রানে ৫ উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের মিডল ও লোয়ার অর্ডার গুঁড়িয়ে দেন। জয়ের জন্য ৫৮ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম শুরুতেই শূন্য রানে আউট হলেও বাংলাদেশ বিন্দুমাত্র চাপে পড়েনি। মোমিনুল হক (অপরাজিত ৩০) ও সাদমান ইসলাম (অপরাজিত ২৫) সতর্কতার সঙ্গে ব্যাট চালিয়ে মাত্র ১৪.২ ওভারেই দলকে ঐতিহাসিক জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে নিউজিল্যান্ডকে হারানো কিংবা পাকিস্তানের মাটিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর ডারউইনের এই সাফল্য প্রমাণ করল টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ এখন অন্য উচ্চতায়। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারিয়ে শান্ত-মিরাজরা বিশ্ব ক্রিকেটকে স্পষ্ট বার্তা দিলেন—লাল-সবুজের টেস্ট যাত্রা এখন এক নতুন স্বর্ণযুগে প্রবেশ করেছে।



