ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আগস্টে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন না হলে সরকারি কর্মচারীদের বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা
রবীন্দ্র সরোবরে বর্ষামঙ্গল উদযাপন: গান-কবিতা-নৃত্যে মুখরিত হলো ধানমন্ডি
ভারতীয় সন্দেহে বিজিবি গাড়ি বহরের উপর আক্রমণে নিহত সন্ত্রাসীরা স্থান পেলো জুলাই শহিদ গেজেটে
সংসদ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কোথাও ঠাঁই না পেয়ে ১১ দলীয় জোট ছাড়ছেন ইসলামিক দলগুলো
সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে চরম অনিয়ম: রাজনৈতিক প্রভাব ও বহিরাগতদের দাপটে প্রশ্নবিদ্ধ পরীক্ষা
চট্টগ্রাম রেলওয়েতে ছাত্রদল নেতার মাস্তানি, বখরা না পেয়ে দপ্তরে হামলা, প্রকৌশলী লাঞ্ছিত
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: রংপুরে নির্মাণের ১৫ দিনেই সড়কে ফাটল, উঠে গেছে কার্পেটিং
‘লীগ নেতা’ ট্যাগে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, না পেয়ে ব্যবসায়ীকে আয়নাঘরে নির্যাতনের পর পুলিশে দিল বিএনপি নেতা
গাজীপুরের শ্রীপুরে চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করে দোকান থেকে তুলে নিয়ে আয়নাঘরে রেখে গরম রড দিয়ে ছ্যাঁকা এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করার পর পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে।
নির্যাতনের শিকার ব্যবসায়ীর নাম সজীব মিয়া (৩০)। তিনি ফার্নিচার ও ইলেকট্রনিকস পণ্যের ব্যবসায়ী। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পুলিশ উল্টো তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রহরায় চিকিৎসা দিচ্ছে।
প্রধান অভিযুক্ত মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেন সরকারের ছেলে শরীফ সরকার হচ্ছেন জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।
এ ঘটনায় সজীব মিয়ার মা
খালেদা আক্তার ২৪শে জুলাই, শুক্রবার শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেন সরকারের ছেলে শরীফ সরকার (৪৩), মুন্না (৩০), আনোয়ার হোসেন (৩৫), কামরুল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়া (৩৮) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন। ভুক্তভোগী সজীব মিয়া উপজেলার টেপিরবাড়ী গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে। তিনি শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন আছেন। থানায় দেওয়া অভিযোগে মা উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শরীফ ও তার সহযোগীরা সজীবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সজীবকে আওয়ামী লীগ নেতা ট্যাগ দিয়ে রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে পেটান
শরীফ ও তার সহযোগীরা। এরপর জোরপূর্বক প্রাইভেটকারে করে তাকে তুলে নিয়ে যান তারা। পরে তাকে শরীফ সরকারের বাড়ির নিচতলার আয়নাঘর খ্যাত একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে গ্যাসের চুলায় লোহার রড গরম করে দুই পা ও বাম হাতে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। এ ছাড়া গরম রড ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায় এবং গুরুতর জখম হন। একপর্যায়ে ব্যবসায়ী সজীব অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সজীবকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শহিদ তাজউদ্দীন
আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে পুলিশি প্রহরায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শরীফ সরকার, তার গাড়িচালক মুন্না, আনোয়ার হোসেন ও সুজন মিয়াসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে জেলা শ্রমিক দল নেতা শরীফের নেতৃত্বে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়। সজীব মিয়ার বাবা কফিল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিক দল নেতা শরীফ তার লোকজন এমসি বাজারে অবস্থিত আমার ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সজীব চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ওখানেই লোহার রড লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর
করেন। একপর্যায়ে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যান স্বপ্নপুরী হোটেল সংলগ্ন শ্রমিক দল নেতার বাড়ির নিচে টর্চারসেলে। সেখানে রাতভর তার ওপর চালায় নির্যাতন। রাত ১২টার দিকে খবর পেয়ে ছেলেকে খুঁজতে বের হলে লোকজনের মারফতে জানতে পারি শরীফ ও তার লোকজন ধরে নিয়ে গেছে। পরে নির্যাতনকারীর অফিসসহ কয়েকটি স্থানে খোঁজ না পেয়ে সর্বশেষ স্বপ্নপুরী হোটেলের পেছনে ছেলেকে তাদের হাতে নির্যাতন করা অবস্থায় দেখতে পাই। তাকে রক্ষা করতে আমার ভাইয়ের ছেলে আনিস এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে আহত করা হয়। কফিল উদ্দিন আরও বলেন, তারা আমার ছেলেকে না ছেড়ে দিয়ে রাতভর নির্যাতন চালায়। শেষে পুলিশকে খবর দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বলে এবং তাকে হত্যা মামলার আসামির
পরিচয় দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু আমার ছেলে কোনও রাজনীতি করে না। সে এক আওয়ামী লীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। পুলিশ পাহারায় ছেলেকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কা দেখে গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শরীফ সরকার ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে দাবি করেন, ফেসবুকে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তিনি বলেন, খবর নিয়ে জেনেছি সজীব বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় করা হত্যা মামলার আসামি। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। তাকে আটক বা মারধরের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।
খালেদা আক্তার ২৪শে জুলাই, শুক্রবার শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার মাওনা উত্তরপাড়া এলাকার মৃত আবুল হোসেন সরকারের ছেলে শরীফ সরকার (৪৩), মুন্না (৩০), আনোয়ার হোসেন (৩৫), কামরুল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়া (৩৮) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জন। ভুক্তভোগী সজীব মিয়া উপজেলার টেপিরবাড়ী গ্রামের কফিল উদ্দিনের ছেলে। তিনি শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন আছেন। থানায় দেওয়া অভিযোগে মা উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শরীফ ও তার সহযোগীরা সজীবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সজীবকে আওয়ামী লীগ নেতা ট্যাগ দিয়ে রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে পেটান
শরীফ ও তার সহযোগীরা। এরপর জোরপূর্বক প্রাইভেটকারে করে তাকে তুলে নিয়ে যান তারা। পরে তাকে শরীফ সরকারের বাড়ির নিচতলার আয়নাঘর খ্যাত একটি কক্ষে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে গ্যাসের চুলায় লোহার রড গরম করে দুই পা ও বাম হাতে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়। এ ছাড়া গরম রড ও লাঠি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায় এবং গুরুতর জখম হন। একপর্যায়ে ব্যবসায়ী সজীব অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে সজীবকে উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় শহিদ তাজউদ্দীন
আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে পুলিশি প্রহরায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় শরীফ সরকার, তার গাড়িচালক মুন্না, আনোয়ার হোসেন ও সুজন মিয়াসহ চার জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে শ্রীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে জেলা শ্রমিক দল নেতা শরীফের নেতৃত্বে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়। সজীব মিয়ার বাবা কফিল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রমিক দল নেতা শরীফ তার লোকজন এমসি বাজারে অবস্থিত আমার ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সজীব চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা ওখানেই লোহার রড লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর
করেন। একপর্যায়ে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যান স্বপ্নপুরী হোটেল সংলগ্ন শ্রমিক দল নেতার বাড়ির নিচে টর্চারসেলে। সেখানে রাতভর তার ওপর চালায় নির্যাতন। রাত ১২টার দিকে খবর পেয়ে ছেলেকে খুঁজতে বের হলে লোকজনের মারফতে জানতে পারি শরীফ ও তার লোকজন ধরে নিয়ে গেছে। পরে নির্যাতনকারীর অফিসসহ কয়েকটি স্থানে খোঁজ না পেয়ে সর্বশেষ স্বপ্নপুরী হোটেলের পেছনে ছেলেকে তাদের হাতে নির্যাতন করা অবস্থায় দেখতে পাই। তাকে রক্ষা করতে আমার ভাইয়ের ছেলে আনিস এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করে আহত করা হয়। কফিল উদ্দিন আরও বলেন, তারা আমার ছেলেকে না ছেড়ে দিয়ে রাতভর নির্যাতন চালায়। শেষে পুলিশকে খবর দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা বলে এবং তাকে হত্যা মামলার আসামির
পরিচয় দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। কিন্তু আমার ছেলে কোনও রাজনীতি করে না। সে এক আওয়ামী লীগ নেতার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। পুলিশ পাহারায় ছেলেকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা আশঙ্কা দেখে গাজীপুর শহিদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত শরীফ সরকার ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে দাবি করেন, ফেসবুকে তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। তিনি বলেন, খবর নিয়ে জেনেছি সজীব বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় করা হত্যা মামলার আসামি। স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। তাকে আটক বা মারধরের বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।



