ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: নির্মাণের এক মাসেই সড়কে ধস, জলাবদ্ধতায় স্থবির পাঁচ গ্রামের জনজীবন
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ফাঁড়ির খাবার পানিতে বিষ: নাশকতার শঙ্কা, নমুনা পাঠানো হলো ল্যাবে
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে ডিগবাজি দেওয়া নেতা চাঁদাবাজির দায়ে গ্রেপ্তার
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প: বিপুল ব্যয়ে নির্মিত ড্রেন ভেঙে পড়ল ৭ দিনেই, দায় চাপল মিস্ত্রিদের ঘাড়ে
চট্টগ্রামে নালা থেকে উদ্ধার ১৪শ গুলির বড় অংশই একে-৪৭ ও মেশিনগানের
বালু ব্যবসার দ্বন্দ্বে দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাচেষ্টা বিএনপির অপর গ্রুপের
ধ্বংস করে দেওয়া শেখ হাসিনার বাড়ি ‘সুধা সদন’ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার
অস্ত্রের ভাণ্ডারে পরিণত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বাড়ছে জঙ্গি আতঙ্ক
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। অপহরণ, চাঁদাবাজি, মুক্তিপণ আদায়, মাদক ও অস্ত্রের কারবারের পাশাপাশি বিভিন্ন উগ্রপন্থি গোষ্ঠীর সদস্য সংগ্রহের খবরও সামনে আসছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, এনজিওকর্মী ও নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অস্ত্র ঢুকে ক্যাম্পের ভেতরে পৌঁছাচ্ছে। ফলে ক্যাম্পের ভেতরে অপরাধী চক্রগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তার, অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং নানা ধরনের সংঘবদ্ধ অপরাধ নিয়ন্ত্রণে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিনিয়ত সংঘাতের ঘটনা ঘটছে। এসব গোষ্ঠী নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে অবৈধ অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে কাজ করা কয়েকটি আন্তর্জাতিক
ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থার কর্মীরা জানান, ক্যাম্পের ভেতরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় জটিল হয়ে উঠেছে। রাত নামলেই অনেক এলাকায় সাধারণ রোহিঙ্গারা ঘরের বাইরে বের হতে ভয় পান। বিভিন্ন ব্লকে অস্ত্রধারী ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে চলাফেরা, গোপন বৈঠক এবং শক্তি প্রদর্শনের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে মিয়ানমার থেকে ছোট ও অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং বিস্ফোরকসামগ্রী চোরাইপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। পরে সেগুলো ক্যাম্পের ভেতরে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এসব অস্ত্র ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, অপহরণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শুধু রোহিঙ্গারাই নন, স্থানীয় লোকজনও এখন অপহরণের শিকার হচ্ছেন।
অনেককে জোর করে ক্যাম্পের ভেতরে অথবা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। মুক্তিপণ না পেলে শারীরিক নির্যাতন এমনকি হত্যার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, অপহরণের পর তাদের চোখ বেঁধে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দিনের পর দিন আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয়। টাকা পরিশোধের পরই কেবল তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। শুধু অপহরণ নয়, ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার, মানবপাচার, জাল মুদ্রা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র ব্যবসাও বিস্তৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এসব অপরাধ থেকে অর্জিত
অর্থই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা ও নতুন সদস্য সংগ্রহে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিভিন্ন উগ্রপন্থি ও সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা ক্যাম্পের তরুণদের টার্গেট করে সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। অর্থের লোভ, ভয়ভীতি কিংবা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দলে টেনে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলোর সক্রিয়তা অব্যাহত থাকলে তা শুধু কক্সবাজার নয়, পুরো দেশের নিরাপত্তার জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো সেই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারে বলে তারা মনে করেন। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক
করছেন, ক্যাম্পে অপরাধী ও উগ্রপন্থি নেটওয়ার্কের ঝুঁকি রয়েছে এবং তা কার্যকর গোয়েন্দা নজরদারি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার মাধ্যমে মোকাবিলা করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার, ক্যাম্পে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান, অপহরণ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।
ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থার কর্মীরা জানান, ক্যাম্পের ভেতরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় জটিল হয়ে উঠেছে। রাত নামলেই অনেক এলাকায় সাধারণ রোহিঙ্গারা ঘরের বাইরে বের হতে ভয় পান। বিভিন্ন ব্লকে অস্ত্রধারী ব্যক্তিদের প্রকাশ্যে চলাফেরা, গোপন বৈঠক এবং শক্তি প্রদর্শনের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে মিয়ানমার থেকে ছোট ও অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি এবং বিস্ফোরকসামগ্রী চোরাইপথে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। পরে সেগুলো ক্যাম্পের ভেতরে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এসব অস্ত্র ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা, অপহরণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শুধু রোহিঙ্গারাই নন, স্থানীয় লোকজনও এখন অপহরণের শিকার হচ্ছেন।
অনেককে জোর করে ক্যাম্পের ভেতরে অথবা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নির্যাতন চালিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করা হয়। মুক্তিপণ না পেলে শারীরিক নির্যাতন এমনকি হত্যার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, অপহরণের পর তাদের চোখ বেঁধে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দিনের পর দিন আটকে রেখে মারধর করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের কাছে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয়। টাকা পরিশোধের পরই কেবল তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। শুধু অপহরণ নয়, ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে মাদক পাচার, মানবপাচার, জাল মুদ্রা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র ব্যবসাও বিস্তৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এসব অপরাধ থেকে অর্জিত
অর্থই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা ও নতুন সদস্য সংগ্রহে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বিভিন্ন উগ্রপন্থি ও সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা ক্যাম্পের তরুণদের টার্গেট করে সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছে। অর্থের লোভ, ভয়ভীতি কিংবা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদের দলে টেনে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে ভবিষ্যতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের ভেতরে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলোর সক্রিয়তা অব্যাহত থাকলে তা শুধু কক্সবাজার নয়, পুরো দেশের নিরাপত্তার জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো সেই সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে পারে বলে তারা মনে করেন। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক
করছেন, ক্যাম্পে অপরাধী ও উগ্রপন্থি নেটওয়ার্কের ঝুঁকি রয়েছে এবং তা কার্যকর গোয়েন্দা নজরদারি, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার মাধ্যমে মোকাবিলা করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তে নজরদারি আরও জোরদার, ক্যাম্পে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান, অপহরণ ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি ব্যবস্থা চালুর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।



