ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এমআরপির চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় সিগারেট: বছরে ৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্বের বাইরে, যাচ্ছে কার পকেটে?
শেয়ারবাজারে বড় ধস, এক সপ্তাহে উধাও ৯ হাজার ৬৩২ কোটি টাকার বাজারমূলধন
ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে মার খাচ্ছে বাংলাদেশ, বিকল্প খুঁজছেন ক্রেতারা
অধিকাংশ সবজি ১০০ টাকার ওপরে: কাঁচা মরিচের ট্রিপল সেঞ্চুরি, বেড়েছে মাছ-ডিম-মুরগির দামও
৩ মাসে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ২০৯ জন
২৫ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন
টানা দুই অর্থবছর প্রবৃদ্ধি ৩% এর নীচে থাকলেও কোটিপতি বেড়েছে মোট ১৯,৩৫৬ জন
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীরগতির মধ্যেও দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি (১ কোটি টাকার বেশি আমানতধারী হিসাব) হিসাবের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ উপলব্ধ তথ্য অনুসারে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর (২০২৪ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত) কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ১৯,৩৫৬টি।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, সাম্প্রতিক অর্থবছরগুলোতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুর্বল ছিল। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ২.২২ শতাংশে। পুরো অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলনও অনেক ক্ষেত্রে ৩-৪ শতাংশের আশেপাশে রয়েছে, যা টানা দুই অর্থবছর নিম্নমুখী প্রবণতা নির্দেশ করে। শিল্প খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও উচ্চমূল্যের আমানত হিসাব বেড়েছে।
বিস্তারিত
তথ্য (বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে): ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে: প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার ১২৭টি কোটিপতি হিসাব। ২০২৬ সালের মার্চ শেষে: ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫টি। মোট কোটিপতি একাউন্ট বৃদ্ধি: ১৯,৩৫৮টি (প্রায় ১৯,৩৫৬ জন হিসেবে উল্লেখযোগ্য)। এ সময়ে বিভিন্ন প্রান্তিকে বৃদ্ধির হার ছিল: ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর: ৪,৯৫৪টি। ২০২৫ সালের মার্চ-জুন: ৫,৯৭৪টি। ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ: ২,৪৪১টি (ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে)। ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটি টাকার হিসাব মানেই সবসময় ব্যক্তিগত কোটিপতি নয়। এতে প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও একাধিক হিসাব অন্তর্ভুক্ত। কোনো কোনো সময়ে হিসাব বাড়লেও সেসব হিসাবে জমা অর্থ কমেছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, যা লুকানো টাকা ব্যাংকে ফেরত আসা বা অন্যান্য কারণে হতে পারে। সামগ্রিক ব্যাংক হিসাবের সংখ্যাও
বেড়েছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত মোট ব্যাংক হিসাব দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ২৩২টি (যার মধ্যে সঞ্চয়ী হিসাব প্রায় ১৭.৭৯ কোটি)। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নিম্ন প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কোটিপতি হিসাব বৃদ্ধি অসমতার চিত্র তুলে ধরতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও আস্থা ফেরার প্রভাব পড়লেও খেলাপি ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিয়োগের দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।
তথ্য (বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে): ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর শেষে: প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার ১২৭টি কোটিপতি হিসাব। ২০২৬ সালের মার্চ শেষে: ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৮৫টি। মোট কোটিপতি একাউন্ট বৃদ্ধি: ১৯,৩৫৮টি (প্রায় ১৯,৩৫৬ জন হিসেবে উল্লেখযোগ্য)। এ সময়ে বিভিন্ন প্রান্তিকে বৃদ্ধির হার ছিল: ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর: ৪,৯৫৪টি। ২০২৫ সালের মার্চ-জুন: ৫,৯৭৪টি। ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ: ২,৪৪১টি (ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে)। ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কোটি টাকার হিসাব মানেই সবসময় ব্যক্তিগত কোটিপতি নয়। এতে প্রতিষ্ঠান, সরকারি সংস্থা ও একাধিক হিসাব অন্তর্ভুক্ত। কোনো কোনো সময়ে হিসাব বাড়লেও সেসব হিসাবে জমা অর্থ কমেছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, যা লুকানো টাকা ব্যাংকে ফেরত আসা বা অন্যান্য কারণে হতে পারে। সামগ্রিক ব্যাংক হিসাবের সংখ্যাও
বেড়েছে। জুন ২০২৬ পর্যন্ত মোট ব্যাংক হিসাব দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৩২ লাখ ৫১ হাজার ২৩২টি (যার মধ্যে সঞ্চয়ী হিসাব প্রায় ১৭.৭৯ কোটি)। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, নিম্ন প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও কোটিপতি হিসাব বৃদ্ধি অসমতার চিত্র তুলে ধরতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি ও আস্থা ফেরার প্রভাব পড়লেও খেলাপি ঋণ, মুদ্রাস্ফীতি ও বিনিয়োগের দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।



