ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জনতার ভিড় থেকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরে ঢিল: ধোঁয়াশায় পুলিশ, স্থানীয়দের দাবি, ‘জনতা অতিষ্ট’
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ৫ ঘণ্টার আন্দোলনেই ঢাবি-তে সরকারের বিজিবি মোতায়েন
ইউনূসসহ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিবাসন চুক্তি ও আশ্বাস সত্ত্বেও থামছে না বাংলাদেশি আটক, মালয়শিয়ায় নতুন করে আটক ২৯০ জন
ফের সংসদ ভবনের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা
শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
‘ফার্মের মুরগি’ এই ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল বলেই আপনি এখন শিক্ষামন্ত্রী
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, একজনের মৃত্যুদণ্ড
বন্যা দুর্গত এলাকায় সরকারি সাহায্য না পৌঁছালেও খাদ্য সাহায্য নিয়ে পৌঁছেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জেলায় সরকারি ত্রাণ সাহায্য এখনও পৌঁছাতে না পারলেও স্থানীয় পর্যায়ে ত্রাণ ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে পৌঁছে গেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন হিসেবে পরিচিত ছাত্রলীগের সদস্যরা বন্যাদুর্গত এলাকায় খাদ্য, পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করছেন বলে জানা গেছে।
সম্প্রতি অতিবৃষ্টি ও বন্যায় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ কয়েকটি জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবানসহ বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা ও ভূমিধসে বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, অনেক দুর্গত এলাকায় এখনও সরকারি ত্রাণকার্য পৌঁছায়নি। এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের কর্মীরা স্বেচ্ছায় ত্রাণ সংগ্রহ করে দুর্গতদের মাঝে বিতরণ শুরু করেছেন।
বাঁশখালি, বোয়ালখালি সহ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায়
ছাত্রলীগের একাধিক স্থানীয় নেতা জানান, তারা দলীয়ভাবে খাদ্যপণ্য, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, ওষুধ এবং শিশুদের জন্য দুধ সংগ্রহ করে বন্যাকবলিত গ্রামে পৌঁছে দিচ্ছেন। কয়েকটি এলাকায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মীরাও এই ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করছেন। তবে সরকারি সূত্র থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বোয়ালখালি বন্যাদুর্গত এলাকার বাসিন্দারা জানান, সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় থাকলেও ছাত্রলীগের ত্রাণ সাহায্য তাদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। একজন দুর্গত নারী বলেন, “পানি বাড়ছে, খাবার নেই। সরকারের লোকজন এখনও আসেনি, কিন্তু ছাত্রলীগের ছেলেরা খাবার নিয়ে এসেছে।” বাঁশখালি আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতাদের উদ্যোগে বাহারচড়ায় ৩০ পরিবারকে শুকনা খাবার, ইলশা গ্রামে ৪২০ জনের রান্না করা দুপুরের খাবার এবং গন্ডামারায় ১০ পরিবারের
শুকনো খাবারে বিতরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তারপরও সংগঠনের অনেক নেতা-কর্মী স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক ও ত্রাণমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিসহ সরকারি প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে। তবে দুর্গত এলাকায় সাহায্য পৌঁছানোর গতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে ত্রাণ সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি সকল স্তরের সমন্বিত ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন দুর্গত এলাকার মানুষ।
ছাত্রলীগের একাধিক স্থানীয় নেতা জানান, তারা দলীয়ভাবে খাদ্যপণ্য, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, ওষুধ এবং শিশুদের জন্য দুধ সংগ্রহ করে বন্যাকবলিত গ্রামে পৌঁছে দিচ্ছেন। কয়েকটি এলাকায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় কর্মীরাও এই ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করছেন। তবে সরকারি সূত্র থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। বোয়ালখালি বন্যাদুর্গত এলাকার বাসিন্দারা জানান, সরকারি সাহায্যের অপেক্ষায় থাকলেও ছাত্রলীগের ত্রাণ সাহায্য তাদের কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে। একজন দুর্গত নারী বলেন, “পানি বাড়ছে, খাবার নেই। সরকারের লোকজন এখনও আসেনি, কিন্তু ছাত্রলীগের ছেলেরা খাবার নিয়ে এসেছে।” বাঁশখালি আওয়ামীলীগের স্থানীয় নেতাদের উদ্যোগে বাহারচড়ায় ৩০ পরিবারকে শুকনা খাবার, ইলশা গ্রামে ৪২০ জনের রান্না করা দুপুরের খাবার এবং গন্ডামারায় ১০ পরিবারের
শুকনো খাবারে বিতরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। তারপরও সংগঠনের অনেক নেতা-কর্মী স্থানীয় পর্যায়ে সামাজিক ও ত্রাণমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটিসহ সরকারি প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে। তবে দুর্গত এলাকায় সাহায্য পৌঁছানোর গতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে ত্রাণ সংকট আরও তীব্র হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি সকল স্তরের সমন্বিত ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন দুর্গত এলাকার মানুষ।



