ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
থাই বাজারে বাংলাদেশি কসমেটিকস, বাড়ছে বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা
লৈঙ্গিক সমতা অর্জনের এক অনন্য বৈশ্বিক সুযোগ
সূর্যাস্ত দেখা যেভাবে শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে
ওজন কমাতে গ্রিন টি, মাচা টি নাকি লিকার চা- কোনটি বেশি কার্যকর?
আপনার জীবন বদলে ফেলুন, প্রতিদিন ১০ হাজার পা হাঁটুন
শুধু রঙ দেখে নয়, গন্ধ শুকে বুঝুন আম টক না মিষ্টি
টবের মাটি অতিরিক্ত শক্ত হয়ে গেছে? কীভাবে নরম করবেন
প্রতিদিনের ছোট ছোট ভুল অভ্যাসই ডেকে আনছে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও স্ট্রোক: অধ্যাপক ড. মজিবুল হক
প্রতিদিনের কিছু ভুল জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস ধীরে ধীরে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি রোগসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়ায় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান চিকিৎসা গবেষক ও যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ইন্টিগ্রেটিভ মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মজিবুল হক।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মজিবুল হক বলেন, বর্তমান বিশ্বে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। আন্তর্জাতিক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, অতিমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ক্যানসার, হৃদরোগ ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই চিকিৎসার পাশাপাশি
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারার পরিবর্তন সুস্থ থাকার অন্যতম প্রধান শর্ত। তিনি বলেন, দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত সকালের নাশতা, সারাদিন বারবার খাওয়া, ফাস্টফুড গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, রাত জেগে থাকা এবং দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকার মতো অভ্যাস শরীরের বিপাকীয় ভারসাম্য নষ্ট করে দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। খাদ্যাভ্যাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব ধরনের চর্বি ক্ষতিকর নয়। মাছ, বাদাম ও অলিভ অয়েলের মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের জন্য উপকারী। একই সঙ্গে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ট্রান্স ফ্যাট, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড ও শিল্পোৎপাদিত পরিশোধিত তেল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি। ডায়াবেটিস সম্পর্কে ড. মজিবুল হক বলেন, টাইপ-২ ডায়াবেটিস মূলত একটি মেটাবলিক
ডিসঅর্ডার। শুধু রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত ব্যায়াম, যোগব্যায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, ধ্যান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে উপবাস স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাত ১০টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে মোবাইল ফোন, টেলিভিশন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখারও পরামর্শ দেন তিনি। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের উপমহাব্যবস্থাপক মোস্তাকার রহমান এবং রংপুর হাইপারটেনশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. কাওছার
আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টারের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান। বক্তারা বলেন, প্রতিরোধভিত্তিক চিকিৎসা, সঠিক স্বাস্থ্যজ্ঞান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এ ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক উদ্যোগ জনসাধারণকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন। পরে উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেন অধ্যাপক ড. মজিবুল হক এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক, বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারার পরিবর্তন সুস্থ থাকার অন্যতম প্রধান শর্ত। তিনি বলেন, দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা, অতিরিক্ত শর্করাযুক্ত সকালের নাশতা, সারাদিন বারবার খাওয়া, ফাস্টফুড গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান না করা, রাত জেগে থাকা এবং দীর্ঘদিন মানসিক চাপে থাকার মতো অভ্যাস শরীরের বিপাকীয় ভারসাম্য নষ্ট করে দীর্ঘমেয়াদে নানা রোগের ঝুঁকি সৃষ্টি করে। খাদ্যাভ্যাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব ধরনের চর্বি ক্ষতিকর নয়। মাছ, বাদাম ও অলিভ অয়েলের মতো স্বাস্থ্যকর চর্বি শরীরের জন্য উপকারী। একই সঙ্গে অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ট্রান্স ফ্যাট, ডুবো তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড ও শিল্পোৎপাদিত পরিশোধিত তেল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন তিনি। ডায়াবেটিস সম্পর্কে ড. মজিবুল হক বলেন, টাইপ-২ ডায়াবেটিস মূলত একটি মেটাবলিক
ডিসঅর্ডার। শুধু রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, অন্ত্রের স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, নিয়মিত ব্যায়াম, যোগব্যায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন, ধ্যান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শে উপবাস স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রাত ১০টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুমানোর অন্তত দুই ঘণ্টা আগে মোবাইল ফোন, টেলিভিশন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক স্ক্রিন ব্যবহার বন্ধ রাখারও পরামর্শ দেন তিনি। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের উপমহাব্যবস্থাপক মোস্তাকার রহমান এবং রংপুর হাইপারটেনশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা. কাওছার
আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আমেরিকান ওয়েলনেস সেন্টারের চেয়ারম্যান মাহাবুবুর রহমান। বক্তারা বলেন, প্রতিরোধভিত্তিক চিকিৎসা, সঠিক স্বাস্থ্যজ্ঞান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এ ধরনের বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক উদ্যোগ জনসাধারণকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন। পরে উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেন অধ্যাপক ড. মজিবুল হক এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক, বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব তুলে ধরেন।



