ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের স্বপ্ন গুঁড়িয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
ঘনিষ্ঠ মিত্র আর্জেন্টিনার হাতেই বিশ্বকাপ দেখতে চান নেতানিয়াহু
এমবাপে-দেম্বেলের গোলে মরক্কোকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স
নিজেদের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই গাইলেন ফিফার রেফারিং প্রধান
ফ্রান্সের শৈল্পিকতা বনাম মরক্কোর দৃঢ়তা
তুমুল সমালোচনার পর গা ঢাকা দিলেন আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচের সেই বিতর্কিত রেফারি
ফিফার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
টানা তৃতীয়বার স্পেন-ফ্রান্স মহারণ- কে এগিয়ে?
আধুনিক ইউরোপীয় ফুটবলে সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি হয়ে উঠেছে স্পেন ও ফ্রান্সের লড়াই। টানা তিন বছর, তিনটি ভিন্ন বড় টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই পরাশক্তি। ২০২৪ ইউরো, ২০২৫ উয়েফা নেশনস লিগের পর এবার ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও একে অপরের সামনে দাঁড়িয়েছে তারা। স্পেন বেলজিয়ামকে এবং ফ্রান্স মরক্কোকে হারিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ায় ফুটবল বিশ্ব আবারও অপেক্ষা করছে আরেকটি মহারণের জন্য।
২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে দুই দলের লড়াই ছিল কৌশল বনাম গতি, তরুণ উদ্যম বনাম অভিজ্ঞতার সংঘর্ষ। সেই ম্যাচে স্পেন ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। লামিন ইয়ামালের অবিশ্বাস্য গোল এবং দানি অলমোর গোল স্পেনকে ফাইনালে নিয়ে যায়। ম্যাচটিই ছিল
স্প্যানিশ প্রজন্ম বদলের ঘোষণা। এক বছর পর ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে আরও নাটকীয় এক ম্যাচ উপহার দেয় দুই দল। নয় গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে স্পেন ৫-৪ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে আবারও ফাইনালে ওঠে। সেই ম্যাচে লামিন ইয়ামাল আবারও উজ্জ্বল ছিলেন, আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে গিয়েও হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় কিলিয়ান এমবাপ্পেদের। শক্তির বিচারে কে এগিয়ে? বর্তমান সময়ে স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ভারসাম্যপূর্ণ দল। মাঝমাঠে রদ্রি, পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজদের নিয়ন্ত্রণ, ডান-বাম প্রান্তে নিকো উইলিয়ামস ও লামিন ইয়ামালের গতি, আর বল দখলে রাখার স্বাভাবিক ক্ষমতা প্রতিপক্ষকে দীর্ঘ সময় চাপে রাখে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেনের ধারাবাহিক সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি এই সমন্বিত ফুটবল। অন্যদিকে ফ্রান্সের
সবচেয়ে বড় অস্ত্র এখনও কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সঙ্গে উসমান দেম্বেলে, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা কিংবা মাইকেল ওলিসের মতো তারকারা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন। বিশেষ করে দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে ফ্রান্স এখনও বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি। ২০২৬ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কী হতে পারে? পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক দুই নকআউট লড়াইয়েই জয় পেয়েছে স্পেন। ফলে মানসিকভাবে কিছুটা এগিয়ে থাকবে লা রোহা। অন্যদিকে ফ্রান্সের জন্য এটি প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। টানা দুই সেমিফাইনালে একই প্রতিপক্ষের কাছে হারের স্মৃতি নিশ্চয়ই দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের বাড়তি অনুপ্রেরণা দেবে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ম্যাচের শুরুতে স্পেন বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধৈর্যশীল আক্রমণ গড়ে তুলতে চাইবে। বিপরীতে ফ্রান্স অপেক্ষা করবে স্পেনের ভুলের
জন্য এবং এমবাপ্পের গতিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করবে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং দুই দলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে অভিজ্ঞতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং মুহূর্তের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। তাই কাগজে-কলমে স্পেন সামান্য এগিয়ে থাকলেও, এমবাপ্পের মতো ম্যাচজয়ী ফুটবলার থাকায় ফ্রান্সকে কখনোই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। একটি বিষয় অবশ্য নিশ্চিত—টানা তৃতীয় বছর ইউরোপের দুই পরাশক্তির এই সেমিফাইনাল লড়াই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। আর বিজয়ী দল শুধু ফাইনালের টিকিটই পাবে না, সাম্প্রতিক সময়ের এই উচ্চমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ও নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে।
স্প্যানিশ প্রজন্ম বদলের ঘোষণা। এক বছর পর ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগের সেমিফাইনালে আরও নাটকীয় এক ম্যাচ উপহার দেয় দুই দল। নয় গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে স্পেন ৫-৪ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে আবারও ফাইনালে ওঠে। সেই ম্যাচে লামিন ইয়ামাল আবারও উজ্জ্বল ছিলেন, আর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে গিয়েও হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় কিলিয়ান এমবাপ্পেদের। শক্তির বিচারে কে এগিয়ে? বর্তমান সময়ে স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের ভারসাম্যপূর্ণ দল। মাঝমাঠে রদ্রি, পেদ্রি, ফাবিয়ান রুইজদের নিয়ন্ত্রণ, ডান-বাম প্রান্তে নিকো উইলিয়ামস ও লামিন ইয়ামালের গতি, আর বল দখলে রাখার স্বাভাবিক ক্ষমতা প্রতিপক্ষকে দীর্ঘ সময় চাপে রাখে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্পেনের ধারাবাহিক সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি এই সমন্বিত ফুটবল। অন্যদিকে ফ্রান্সের
সবচেয়ে বড় অস্ত্র এখনও কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সঙ্গে উসমান দেম্বেলে, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা কিংবা মাইকেল ওলিসের মতো তারকারা যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারেন। বিশেষ করে দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে ফ্রান্স এখনও বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ংকর দলগুলোর একটি। ২০২৬ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে কী হতে পারে? পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক দুই নকআউট লড়াইয়েই জয় পেয়েছে স্পেন। ফলে মানসিকভাবে কিছুটা এগিয়ে থাকবে লা রোহা। অন্যদিকে ফ্রান্সের জন্য এটি প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ। টানা দুই সেমিফাইনালে একই প্রতিপক্ষের কাছে হারের স্মৃতি নিশ্চয়ই দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের বাড়তি অনুপ্রেরণা দেবে। বিশ্লেষকদের ধারণা, ম্যাচের শুরুতে স্পেন বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ধৈর্যশীল আক্রমণ গড়ে তুলতে চাইবে। বিপরীতে ফ্রান্স অপেক্ষা করবে স্পেনের ভুলের
জন্য এবং এমবাপ্পের গতিকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করবে। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং দুই দলের রক্ষণভাগের দৃঢ়তাই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে অভিজ্ঞতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং মুহূর্তের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়। তাই কাগজে-কলমে স্পেন সামান্য এগিয়ে থাকলেও, এমবাপ্পের মতো ম্যাচজয়ী ফুটবলার থাকায় ফ্রান্সকে কখনোই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। একটি বিষয় অবশ্য নিশ্চিত—টানা তৃতীয় বছর ইউরোপের দুই পরাশক্তির এই সেমিফাইনাল লড়াই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠেছে। আর বিজয়ী দল শুধু ফাইনালের টিকিটই পাবে না, সাম্প্রতিক সময়ের এই উচ্চমানের প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ও নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ পাবে।



