ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কুমিল্লায় ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, ভিডিও ভাইরাল
১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইমাম আটক
অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টা, নিয়ে গেছে মোবাইল-টাকা
ইয়াবা সেবনের আসরে যুবককে গুলি করে হত্যা
নেত্রকোনায় বোনের বাড়িতে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
ঢাকায় পুরোহিতের ওপর নৃশংস হামলা, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন সুভাষ দেউরী
মুক্তিপণের জন্য অপহরণের পর একে একে শিশুহত্যা, ফিরিয়ে এনেছে নব্বই দশকের আতঙ্ক
চাচার বাড়ি থেকে ফেরার পথে শিশুকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় চাচার বাড়ি থেকে ফেরার পথে ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেছে এক যুবক। এ অভিযোগে দীঘিনালা থানায় মামলা করা হয়েছে। রোববার শিশুটির পিতা বাদী হয়ে দীঘিনালা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. লিটন (৪৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুলাই রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ছোট মেরুং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার রাতে শিশুটি তার চাচার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিল। পথে অভিযুক্ত মো. লিটন তাকে ভুল বুঝিয়ে রাস্তার পাশের একটি খালি জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়িতে ফিরে
শিশুটি কান্নাকাটি করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির পিতা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
শিশুটি কান্নাকাটি করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে প্রথমে দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির পিতা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।



