ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মার্কিন চুক্তি ও স্বার্থরক্ষায় সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: আন্তর্জাতিক বাজার দরের চেয়ে উচ্চমূল্যে গম আমদানির অনুমোদন
সম্পত্তির বিরোধ থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, উচিৎ শিক্ষা দিতে সবার নামে জুলাই মামলা: আছেন ভূমিমন্ত্রী জাবেদসহ আওয়ামী নেতারাও
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন বিএনপির হজম করা কঠিন হবে, অকল্পনীয় অনেক ব্যাপার ঘটতে পারে: সাবির মুস্তাফা
মবসন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিতে হাসনাতই সেরা: অনুসন্ধানে উঠে এলো মুখোশের আড়ালের চিত্র
এই সংসদ একটি পরাশক্তির মধ্যস্থতায় গড়ে ওঠা আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সংসদ: জমিয়ত নেতা ইউসুফী
বান্দরবানে কেএনএফ ক্যাম্পে সেনা-জেএসএস যৌথ হামলা, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ৪ সেনা নিহতের দাবি
সাংবাদিক এনায়েত শাওনকে হুমকি, নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা
“আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা আমি সমর্থন করি না”, সাক্ষাৎকারে এম সাখাওয়াত হোসেন
ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের অন্দরমহলের চাঞ্চল্যকর ও নজিরবিহীন সত্য জনসমক্ষে উন্মোচন করেছেন সেই সরকারেরই সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার চরম ও বিতর্কিত সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি নিজের অনড় অবস্থান ব্যক্ত করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সমর্থন করি না।”
সাক্ষাৎকার গ্রহণকারী সাংবাদিক যখন অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন যে—‘অন্তর্বর্তী সরকার যখন আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার মতো এত বড় ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, তখন আপনি নিজেই তো সেই অন্তর্বর্তী
সরকারের এক অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন; তাহলে এখন কেন এই দ্বিমত?’ এই প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই ক্ষমতাধর উপদেষ্টা স্পষ্ট করে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কখনোই আওয়ামী লীগের ওপর এই পাইকারি নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ছিলেন না এবং এখনো এটিকে বিন্দুমাত্র সমর্থন করেন না। তিনি অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণভাবে মনে করিয়ে দেন, দলটির ভেতরে যারা সুনির্দিষ্টভাবে অপরাধে জড়িত, তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় এনে বিচার করা যেতে পারে; কিন্তু অপরাধীদের বিচারের অজুহাতে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তর রাজনৈতিক দল এবং তার বৃহত্তর একটা বিশাল জনগোষ্ঠী, তাদের রাজনৈতিক শক্তিকে পাইকারি হারে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার এই ফ্যাসিবাদী কৌশলের পক্ষে তিনি কোনোভাবেই অবস্থান নিতে পারেন না। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণের
পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছিলেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন। কিন্তু জুলাই আন্দোলন চলাকালে গুপ্ত হত্যাগুলো নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন এবং সংশয় প্রকাশ করার কারণেই তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রসঙ্গে ঝানু এই সাবেক আমলার এমন মন্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এম সাখাওয়াত হোসেনের এই বক্তব্য প্রমাণ করে , আওয়ামী লীগকে দেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে মাইনাস বা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটি অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে সবার সর্বসম্মত কোনো পদক্ষেপ ছিল না, বরং একটি নির্দিষ্ট উগ্রপন্থী মহলের
চরম ও অন্যায্য রাজনৈতিক চাপের মুখেই এই একপেশে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সরকারের অন্দরে থেকে সমস্ত নথিপত্র ও গোয়েন্দা খতিয়ান নিবিড়ভাবে দেখা এই সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এমন কঠোর অবস্থান দেশের আগামী দিনের ক্ষমতার সমীকরণ, গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে বর্তমান সরকারের নৈতিক ভিত্তিকেই এক মস্ত বড় কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
সরকারের এক অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন; তাহলে এখন কেন এই দ্বিমত?’ এই প্রশ্নের জবাবে সাবেক এই ক্ষমতাধর উপদেষ্টা স্পষ্ট করে জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কখনোই আওয়ামী লীগের ওপর এই পাইকারি নিষেধাজ্ঞার পক্ষে ছিলেন না এবং এখনো এটিকে বিন্দুমাত্র সমর্থন করেন না। তিনি অত্যন্ত যুক্তিপূর্ণভাবে মনে করিয়ে দেন, দলটির ভেতরে যারা সুনির্দিষ্টভাবে অপরাধে জড়িত, তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় এনে বিচার করা যেতে পারে; কিন্তু অপরাধীদের বিচারের অজুহাতে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তর রাজনৈতিক দল এবং তার বৃহত্তর একটা বিশাল জনগোষ্ঠী, তাদের রাজনৈতিক শক্তিকে পাইকারি হারে নিষিদ্ধ করে দেওয়ার এই ফ্যাসিবাদী কৌশলের পক্ষে তিনি কোনোভাবেই অবস্থান নিতে পারেন না। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টার পদে দায়িত্ব গ্রহণের
পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ছিলেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন। কিন্তু জুলাই আন্দোলন চলাকালে গুপ্ত হত্যাগুলো নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন এবং সংশয় প্রকাশ করার কারণেই তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রসঙ্গে ঝানু এই সাবেক আমলার এমন মন্তব্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এম সাখাওয়াত হোসেনের এই বক্তব্য প্রমাণ করে , আওয়ামী লীগকে দেশের রাজনীতি থেকে চিরতরে মাইনাস বা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তটি অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে সবার সর্বসম্মত কোনো পদক্ষেপ ছিল না, বরং একটি নির্দিষ্ট উগ্রপন্থী মহলের
চরম ও অন্যায্য রাজনৈতিক চাপের মুখেই এই একপেশে অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সরকারের অন্দরে থেকে সমস্ত নথিপত্র ও গোয়েন্দা খতিয়ান নিবিড়ভাবে দেখা এই সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এমন কঠোর অবস্থান দেশের আগামী দিনের ক্ষমতার সমীকরণ, গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশ্নে বর্তমান সরকারের নৈতিক ভিত্তিকেই এক মস্ত বড় কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।



