ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১১ মাসে সংশােধিত এডিপির অর্ধেকও বাস্তবায়ন হয়নি
নিত্যপণ্যে ফের অস্থিরতা, নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?
৫ আগস্ট থেকে চলতি জুন: সংকট-অস্থিরতায় ৭ শিল্প এলাকায় ৪৫৭ কারখানার ৮৬% স্থায়ীভাবে বন্ধ
পে-স্কেলে মূল বেতন বাড়লেও ভাতায় কাটছাঁটের প্রস্তাব
চার মোবাইল অপারেটরের কাছে ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া
পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, সভায় যেসব সিদ্ধান্ত হলো
দেশে স্বর্ণের দামে বড় ধস
কৃষি ঋণের ৩২ শতাংশই খেলাপি
কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েই চলছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বকেয়া ঋণের পরিমাণ। ফলে এসব ঋণও আগামীতে খেলাপি হওয়ার আশংকা রয়েছে। এতে আগামীতে এ খাতে খেলাপি ঋণ আরও বেড়ে যেতে পারে। গত মে মাসে এ খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের মধ্যে ৩২ শতাংশ খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। অথচ গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে খেলাপি ঋণের হার ছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত অর্থবছর থেকেই এ খাতে খেলাপি ঋণের হার বাড়ছে। চলতি অর্থবছরেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ আদায় ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। রোববার প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রতিবেদন
থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত মে পর্যন্ত কৃষি খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৬৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে ২০ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণের মধ্যে ৩২ শতাংশ খেলাপি। গত বছরের একই সময়ে বিতরণ করা মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৫৮ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ছিল ৬ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ ছিল খেলাপি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের মধ্যে খেলাপি ছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সূত্র জানায়, গত অর্থবছরের আগে কৃষি খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের মধ্যে খেলাপি ছিল ৫ থেকে
৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা বেড়ে ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। গত মে মাসে তা আরও বেড়ে ৩২ শতাংশে দাড়িয়েছে। মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি খাতেও লুট হয়েছে। লুটপাপটের মাধ্যমে যেসব ঋণ নেওয়া হয়েছে সেগুলোই এখন খেলাপি হচ্ছে। এ কারণে এ খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ার পাশাপাশি বকেয়া ঋণের স্থিতিও বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করায় ঋণ বেকয়া হয়ে এগুলো এখন খেলাপি হওয়ার আগের ধাপে রয়েছে। পরিশোধ বা নবায়ন করা না হলে এসব ঋণও খেলাপি হয়ে যাবে। গত বছরের মে মাস পর্যন্ত বকেয়া ঋণের স্থিতি ছিল
৯ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। গত মে মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। এদিকে গত মে মাসে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ কমেছে আড়াই শতাংশ। তবে আগের অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ বিতরণ বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ার বিষয়টি ইতিবাচক। কৃষি অর্থায়ন বাড়ার ফলে এ খাতের প্রবৃদ্ধি ভাল হওয়ার আভাস দিচ্ছে। তবে যেভাবে খেলাপি ঋণ বাড়ছে তার নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ খাতের খেলাপি ঋণ আদায় ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, গত মে পর্যন্ত কৃষি খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৬৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে ২০ হাজার ১৩০ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণের মধ্যে ৩২ শতাংশ খেলাপি। গত বছরের একই সময়ে বিতরণ করা মোট ঋণের স্থিতি ছিল ৫৮ হাজার ৩২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ছিল ৬ হাজার ৮৮১ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ ছিল খেলাপি। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিতরণ করা ঋণের মধ্যে খেলাপি ছিল ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। সূত্র জানায়, গত অর্থবছরের আগে কৃষি খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের মধ্যে খেলাপি ছিল ৫ থেকে
৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা বেড়ে ৩০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। গত মে মাসে তা আরও বেড়ে ৩২ শতাংশে দাড়িয়েছে। মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে। এর মধ্যে কৃষি খাতেও লুট হয়েছে। লুটপাপটের মাধ্যমে যেসব ঋণ নেওয়া হয়েছে সেগুলোই এখন খেলাপি হচ্ছে। এ কারণে এ খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ছে। প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ বাড়ার পাশাপাশি বকেয়া ঋণের স্থিতিও বেড়েছে। নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করায় ঋণ বেকয়া হয়ে এগুলো এখন খেলাপি হওয়ার আগের ধাপে রয়েছে। পরিশোধ বা নবায়ন করা না হলে এসব ঋণও খেলাপি হয়ে যাবে। গত বছরের মে মাস পর্যন্ত বকেয়া ঋণের স্থিতি ছিল
৯ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। গত মে মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ১০৩ কোটি টাকা। এদিকে গত মে মাসে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ঋণ বিতরণ কমেছে আড়াই শতাংশ। তবে আগের অর্থবছরের জুলাই থেকে মে মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ বিতরণ বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ বাড়ার বিষয়টি ইতিবাচক। কৃষি অর্থায়ন বাড়ার ফলে এ খাতের প্রবৃদ্ধি ভাল হওয়ার আভাস দিচ্ছে। তবে যেভাবে খেলাপি ঋণ বাড়ছে তার নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। এ খাতের খেলাপি ঋণ আদায় ও ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।



