ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, দেখুন ফল
সিলেটে নতুন ডিসি নিয়োগ
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর কভার করতে গিয়ে ৮ বাংলাদেশি সাংবাদিক আটক, মুচলেকায় ছাড়ালো দূতাবাস
বিদেশে চিকিৎসায় উপদেষ্টাদের কোটি টাকার বিল, স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়ে নৈতিক প্রশ্ন
তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় বাংলাদেশ, ১১০ কোটি ডলারের জরুরি ঋণ দিচ্ছে বিশ্ব ব্যাংক
পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
মুচলেকায় ছাড়া পেলেও এমপিপুত্রের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে: ডিবি
করমুক্ত আয়সীমা ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব নুরুল হক নুরের
বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় করমুক্ত আয়সীমা বার্ষিক ৬ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক।
একইসঙ্গে তিনি এই বাজেটকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ ভিশনের বাস্তব প্রতিফলন বলে অভিহিত করেছেন।
রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘ নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে যখন পূর্বাচলের জনসমুদ্রে বলেছিলেন—‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, এই বাজেট সেই পরিকল্পনারই বহিঃপ্রকাশ। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তাকে যেভাবে গুরুত্ব দেওয়া
হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। লন্ডনের মতো উন্নত দেশের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে মডেলে রেখে বাংলাদেশেও স্বাস্থ্য খাতের বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে।’ উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রীর কাজের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরও দ্রুত জনবল, ডাক্তার ও যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করতে হবে। ৬০০টি উপজেলা একসঙ্গে সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।’ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও কর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব। তবে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লাখ টাকা করা দরকার। কারণ
বর্তমানে মাসে ৫০ হাজার টাকার নিচে আয় করে জীবন চালানো কঠিন। উপজেলা পর্যায়েও এখন অনেক সক্ষম করদাতা আছেন, কর আহরণে সেখানে এনফোর্সমেন্টের দিকে জোর দিতে হবে।’ নিজের মন্ত্রণালয়ের বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বিদেশে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য পূরণে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের বাজেট কিছুটা কমলেও প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে কাজের প্রয়োজনে বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হবে।’ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্পর্শকাতর জায়গা। সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য নয়, বরং বাস্তবতার নিরিখে সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে সংলাপের মাধ্যমে তাদের জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।’ চলাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজে
চরাঞ্চলের মানুষ। সেখানকার স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা খুবই করুণ। চরাঞ্চল নিয়ে একটি আলাদা ফাউন্ডেশন বা কর্তৃপক্ষ গঠন করা জরুরি। অর্থমন্ত্রীসহ সহকর্মীদের অনুরোধ করব, আমাদের এলাকার উন্নয়নের কোনো চাহিদাপত্র গেলে যেন মানবিক দৃষ্টিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’
হয়েছে, তা প্রশংসনীয়। লন্ডনের মতো উন্নত দেশের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে মডেলে রেখে বাংলাদেশেও স্বাস্থ্য খাতের বাজেট দ্বিগুণ করা হয়েছে।’ উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘শুধুমাত্র ঘোষণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রধানমন্ত্রীর কাজের গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদেরও দ্রুত জনবল, ডাক্তার ও যন্ত্রপাতি নিশ্চিত করতে হবে। ৬০০টি উপজেলা একসঙ্গে সম্ভব না হলেও পর্যায়ক্রমে ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় এটি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।’ রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও কর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা সম্ভব। তবে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬ লাখ টাকা করা দরকার। কারণ
বর্তমানে মাসে ৫০ হাজার টাকার নিচে আয় করে জীবন চালানো কঠিন। উপজেলা পর্যায়েও এখন অনেক সক্ষম করদাতা আছেন, কর আহরণে সেখানে এনফোর্সমেন্টের দিকে জোর দিতে হবে।’ নিজের মন্ত্রণালয়ের বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বিদেশে ১ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য পূরণে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। আমার মন্ত্রণালয়ের বাজেট কিছুটা কমলেও প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে কাজের প্রয়োজনে বাড়তি বরাদ্দ দেওয়া হবে।’ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্পর্শকাতর জায়গা। সস্তা জনপ্রিয়তার জন্য নয়, বরং বাস্তবতার নিরিখে সব স্টেকহোল্ডারদের সাথে সংলাপের মাধ্যমে তাদের জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে।’ চলাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজে
চরাঞ্চলের মানুষ। সেখানকার স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রা খুবই করুণ। চরাঞ্চল নিয়ে একটি আলাদা ফাউন্ডেশন বা কর্তৃপক্ষ গঠন করা জরুরি। অর্থমন্ত্রীসহ সহকর্মীদের অনুরোধ করব, আমাদের এলাকার উন্নয়নের কোনো চাহিদাপত্র গেলে যেন মানবিক দৃষ্টিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’



