ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদ কেন ফুটবল দলের কোচের মতো
যুক্তরাজ্যে তাপপ্রবাহের ‘লাল সতর্কতা’, ৩৯ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে তাপমাত্রা
পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার
তৃণমূলের বিদায়ের পর প্রথম বাজেট বিজেপির
সৌদি আরব, আমিরাতে আটক ৯০% ভিক্ষুক, পকেটমার, চোরই পাকিস্তানি নাগরিক
সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক শুরু
ইরানকে জয়ী বলছে ৯২% ইসরায়েলি, ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বন্দ্বেও সমর্থন
পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার লন্ডনে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে আবেগঘন কণ্ঠে স্টারমার বলেছেন, ‘প্রিয় দেশকে এগিয়ে রাখার উদ্দেশে আমি প্রতিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ কারণেই লেবার পার্টির নেতা হিসেবে পদত্যাগ করব।’
স্টারমার জানান, মধ্য-বামপন্থি এই দলের নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আগামী মাসে শুরু হবে। নতুন নেতা নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরুর আগেই নতুন নেতা দায়িত্ব নেবেন।
এদিকে সোমবারই এমপি হিসেবে শপথ নেবেন অ্যান্ডি বার্নহাম। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক এই মেয়র সম্প্রতি একটি আসনের উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন। তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
গত মে মাসে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে
লেবার পার্টির ভরাডুবির পর থেকে চাপের মুখে ছিলেন স্টারমার। ওই নির্বাচনে জয়ী হয় অভিবাসনবিরোধী দল ইউকে রিফর্ম পার্টি। এ ছাড়া, এপস্টেইন ফাইলে লেবার পার্টির সাবেক নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনের নাম আসা নিয়েও স্টারমারের ওপর চাপ ছিল। অভিযোগ ওঠে, ম্যান্ডেলসনের অপরাধ জানার পরও তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন স্টারমার। কিছুদিন আগেও স্টারমার জোর দিয়ে বলেছিলেন, তিনি পার্টির নেতৃত্ব বাছাইয়ের লড়াইয়ে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করবেন না। তবে গত শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের মেইকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে বার্নহাম জয়ী হলে স্টারমারের পদত্যাগের গুঞ্জন জোরালো হয়। সোমবার স্টারমার বলেন, ‘নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করব। ক্ষমতা হস্তান্তর যাতে সুশৃঙ্খলভাবে
হয় তা নিশ্চিত করতেও সবকিছু করব।’ স্টারমারের এই পদত্যাগের মাধ্যমে এক দশকের মধ্যে সপ্তম নতুন প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য।
লেবার পার্টির ভরাডুবির পর থেকে চাপের মুখে ছিলেন স্টারমার। ওই নির্বাচনে জয়ী হয় অভিবাসনবিরোধী দল ইউকে রিফর্ম পার্টি। এ ছাড়া, এপস্টেইন ফাইলে লেবার পার্টির সাবেক নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনের নাম আসা নিয়েও স্টারমারের ওপর চাপ ছিল। অভিযোগ ওঠে, ম্যান্ডেলসনের অপরাধ জানার পরও তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন স্টারমার। কিছুদিন আগেও স্টারমার জোর দিয়ে বলেছিলেন, তিনি পার্টির নেতৃত্ব বাছাইয়ের লড়াইয়ে অংশ নেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পদত্যাগ করবেন না। তবে গত শুক্রবার উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের মেইকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে বার্নহাম জয়ী হলে স্টারমারের পদত্যাগের গুঞ্জন জোরালো হয়। সোমবার স্টারমার বলেন, ‘নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করব। ক্ষমতা হস্তান্তর যাতে সুশৃঙ্খলভাবে
হয় তা নিশ্চিত করতেও সবকিছু করব।’ স্টারমারের এই পদত্যাগের মাধ্যমে এক দশকের মধ্যে সপ্তম নতুন প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য।



