ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
স্পেনকে রুখে দিল প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দে
নেইমার কি গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচ মিস করবেন?
বিশ্বকাপ অভিযানে নামছে দুই পরাশক্তি আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স
বিশ্বকাপে মাইলফলকের সামনে মেসি
গ্রুপ পর্বে নেইমারের মাঠে ফেরার সম্ভাবনা খুব কম: ব্রাজিলের গণমাধ্যম
ডাচদের রুখে দিল জাপান, গ্যালারিতে মানবিক সৌন্দর্য দেখালেন সমর্থকরা
কুরাসাওকে ৭ গোলে বিধ্বস্ত করে ব্রাজিলের রেকর্ড ভাঙল জার্মানি
রাজনৈতিক উত্তাপে ভরা ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ইরানের ড্র
সোমবার লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে ইরান। ম্যাচটিতে ইরান দুইবার পিছিয়ে পড়েও সমতা ফেরায়। তেহরান সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ থামানোর একটি খসড়া চুক্তি—সব মিলিয়ে ম্যাচটি ঘিরে আগে থেকেই বেশ উত্তেজনা ছিল।
ম্যাচের শুরুতেই ক্রিস উডের পাস থেকে বক্সের ভেতর চমৎকার ভলি শটে গোল করে নিউজিল্যান্ডকে এগিয়ে দেন ইলাইজাহ জাস্ট। ইরান সরকারের বিরোধী কিছু সমর্থক এই গোলটিতে বেশ আনন্দ পান। তাঁদের অনেকের হাতেই ছিল বিপ্লব-পূর্ব ইরানের ঐতিহ্যবাহী ‘সিংহ ও সূর্য’ চিহ্নিত পতাকা। খেলা শুরুর আগে ইরানের জাতীয় সংগীত বাজার সময়ও কেউ কেউ ভুয়ো ধ্বনি দিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে স্টেডিয়ামে
উপস্থিত ৭০ হাজারেরও বেশি দর্শকের বড় অংশই ইরান দলের (টিম মেল্লি) সমর্থনে গলা ফাটান। তাঁরা ‘ইর-রান! ইর-রান!’ বলে চিৎকার করতে থাকেন এবং ম্যাচের আধ ঘণ্টার মাথায় রামিন রেজায়িয়ান গোল করে সমতা ফেরাতেই পুরো গ্যালারি উল্লাসে মেতে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণে ইরানের ঘরোয়া লিগ বন্ধ থাকায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে অনেক খেলোয়াড়ই কোনো ক্লাব ফুটবল খেলতে পারেননি, রেজায়িয়ান তাঁদেরই একজন। প্রতিপক্ষের বাধা পেয়ে ফিরে আসা একটি বলে দ্রুত শট নিয়ে তিনি এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে গোলটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই উড ও জাস্টের জুটিতে আবার এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের নিখুঁত পাস ধরে ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জাস্ট জোরালো শটে
গোল করে ‘অল হোয়াইটস’দের লিড এনে দেন। এর ১০ মিনিট পরেই মোহাম্মদ মোহেব্বির এক দারুণ গোলে সমতায় ফেরে ইরান। রেজায়িয়ানের চমৎকার ক্রস থেকে দূরবর্তী পোস্টে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান তিনি। এই ড্রয়ের ফলে ‘জি’ গ্রুপের সব দলেরই পয়েন্ট এখন সমান ১। কারণ সোমবারের আগের ম্যাচে বেলজিয়াম ও মিশরের খেলাটিও ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। বিশ্বকাপে এটি নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় অংশগ্রহণ। তবে সাতটি ম্যাচ খেলেও এখনো কোনো জয়ের মুখ দেখেনি তারা। অন্যদিকে, ইরান এবারই প্রথম নকআউট বা শেষ ষোলোর পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ইরানিদের মধ্যকার ভেদাভেদকে স্পষ্ট করে তুলেছে। অনেকের মনেই কাজ করছিল মিশ্র অনুভূতি—একদিকে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিজের
দেশকে দেখার গর্ব, অন্যদিকে দেশের আন্দোলনকারীদের ওপর সরকারের অত্যাচার নিয়ে ক্ষোভ এবং ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের বোমা হামলা নিয়ে দুশ্চিন্তা। খেলা শুরুর আগে স্টেডিয়ামের বাইরে প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে সরকারবিরোধী প্ল্যাকার্ড ও পতাকা নিয়ে প্রতিবাদ জানান। কিছু ইরানি আমেরিকানের মতে, এই ম্যাচ দেখতে আসা মানে ইরান সরকারকে সমর্থন করা। আবার অনেকে মনে করেন, রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রেখে কেবল খেলোয়াড়দেরই সমর্থন করা উচিত। আগামী রবিবার বেলজিয়ামের মুখোমুখি হতে ইরান আবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিরবে। আর একই দিনে ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ড খেলবে মিশরের সঙ্গে।
উপস্থিত ৭০ হাজারেরও বেশি দর্শকের বড় অংশই ইরান দলের (টিম মেল্লি) সমর্থনে গলা ফাটান। তাঁরা ‘ইর-রান! ইর-রান!’ বলে চিৎকার করতে থাকেন এবং ম্যাচের আধ ঘণ্টার মাথায় রামিন রেজায়িয়ান গোল করে সমতা ফেরাতেই পুরো গ্যালারি উল্লাসে মেতে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণে ইরানের ঘরোয়া লিগ বন্ধ থাকায় গত ফেব্রুয়ারি থেকে অনেক খেলোয়াড়ই কোনো ক্লাব ফুটবল খেলতে পারেননি, রেজায়িয়ান তাঁদেরই একজন। প্রতিপক্ষের বাধা পেয়ে ফিরে আসা একটি বলে দ্রুত শট নিয়ে তিনি এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে গোলটি করেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই উড ও জাস্টের জুটিতে আবার এগিয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের নিখুঁত পাস ধরে ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড জাস্ট জোরালো শটে
গোল করে ‘অল হোয়াইটস’দের লিড এনে দেন। এর ১০ মিনিট পরেই মোহাম্মদ মোহেব্বির এক দারুণ গোলে সমতায় ফেরে ইরান। রেজায়িয়ানের চমৎকার ক্রস থেকে দূরবর্তী পোস্টে দারুণ এক হেডে বল জালে জড়ান তিনি। এই ড্রয়ের ফলে ‘জি’ গ্রুপের সব দলেরই পয়েন্ট এখন সমান ১। কারণ সোমবারের আগের ম্যাচে বেলজিয়াম ও মিশরের খেলাটিও ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল। বিশ্বকাপে এটি নিউজিল্যান্ডের তৃতীয় অংশগ্রহণ। তবে সাতটি ম্যাচ খেলেও এখনো কোনো জয়ের মুখ দেখেনি তারা। অন্যদিকে, ইরান এবারই প্রথম নকআউট বা শেষ ষোলোর পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা ইরানিদের মধ্যকার ভেদাভেদকে স্পষ্ট করে তুলেছে। অনেকের মনেই কাজ করছিল মিশ্র অনুভূতি—একদিকে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিজের
দেশকে দেখার গর্ব, অন্যদিকে দেশের আন্দোলনকারীদের ওপর সরকারের অত্যাচার নিয়ে ক্ষোভ এবং ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের বোমা হামলা নিয়ে দুশ্চিন্তা। খেলা শুরুর আগে স্টেডিয়ামের বাইরে প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে সরকারবিরোধী প্ল্যাকার্ড ও পতাকা নিয়ে প্রতিবাদ জানান। কিছু ইরানি আমেরিকানের মতে, এই ম্যাচ দেখতে আসা মানে ইরান সরকারকে সমর্থন করা। আবার অনেকে মনে করেন, রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রেখে কেবল খেলোয়াড়দেরই সমর্থন করা উচিত। আগামী রবিবার বেলজিয়ামের মুখোমুখি হতে ইরান আবার লস অ্যাঞ্জেলেসে ফিরবে। আর একই দিনে ভ্যাঙ্কুভারে নিউজিল্যান্ড খেলবে মিশরের সঙ্গে।



