ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
প্রেমের নাটক ‘সমান সমান’
বস্তিতে জন্ম নেওয়া সেই ছেলেটি এখন দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক
দেশি তারকাদের প্রিয় দল, প্রিয় খেলোয়াড়
বিশ্বের সঙ্গে একইদিনে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ‘ডিসক্লোজার ডে’
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা?
মানহানি মামলার মাঝেই সতর্কবার্তা দিলেন মিমি
ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করে যে বার্তা দিলেন অপু
৪৯ বছর বয়সেও দারুণ ফিট শাকিরা, রহস্যটা জানালেন তাঁর দীর্ঘদিনের প্রশিক্ষক
মঞ্চে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নাচ, গানের পরিবেশনা, বিশ্বজুড়ে ট্যুর—এসব সামলেও ৪৯ বছর বয়সে অসাধারণ ফিটনেস ধরে রেখেছেন শাকিরা। তাঁর ঝরঝরে শরীর, শক্তি আর সহনশীলতা দেখে অনেকেই জানতে চান, কীভাবে নিজেকে এতটা ফিট রাখেন এই পপ তারকা? শাকিরার দীর্ঘদিনের ফিটনেস প্রশিক্ষক অ্যানা কাইজার। গত বছরের শেষ দিকে তিনি জানিয়েছেন শাকিরার ব্যায়াম ও খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে কিছু তথ্য। সেখান থেকে জানা যায়, শাকিরার ফিটনেসের মূল রহস্য লুকিয়ে আছে নিয়মিত শরীরচর্চা, নাচ ও সুষম খাদ্যাভ্যাসে।
নাচ যখন প্রধান কার্ডিও
শাকিরার ব্যায়ামের বড় অংশজুড়ে থাকে নাচ। তবে শুধু নাচ নয়, এর সঙ্গে শক্তি বাড়ানোর ব্যায়ামও করেন।
তাঁর প্রশিক্ষকের ভাষ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ সময় তাঁরা ‘ড্যান্স-কার্ডিও’ করেন। অর্থাৎ এমন
ব্যায়াম, যেখানে নাচের বিভিন্ন মুভমেন্টের মাধ্যমে হৃদ্যন্ত্রের কার্যক্ষমতা, সহনশীলতা ও ক্যালরি খরচ বাড়ানো হয়। মজার বিষয় হলো, অনুশীলনের সময় শেখা কিছু নাচের ধাপ পরবর্তী সময়ে মঞ্চ পরিবেশনায়ও কাজে লাগান শাকিরা। হালকা ওজন ও পুনরাবৃত্তি অনেকেই মনে করেন, পেশি গঠনের জন্য ভারী ওজন তুলতে হয়। তবে শাকিরার ক্ষেত্রে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। শাকিরা ব্যায়ামে তুলনামূলক হালকা ওজন ব্যবহার করেন এবং একটি ব্যায়াম বারবার করেন। এই পদ্ধতি শরীরকে ‘টোনড’ বা সুগঠিত রাখতে সাহায্য করে, আবার অতিরিক্ত চাপও তৈরি করে না। এ ছাড়া তাঁর ব্যায়ামগুলো বেশির ভাগই ‘লো ইমপ্যাক্ট’–এর। এটি এমন শারীরিক কসরত, যা শরীরের হাঁটু, গোড়ালি ও কোমরের মতো অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত ঝাঁকুনি বা চাপ সৃষ্টি করে
না। এসব ব্যায়ামের সময় সব সময় অন্তত একটি পা মাটিতে থাকে, ফলে জয়েন্টে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। পেটের ব্যায়ামে বিশেষ গুরুত্ব অ্যাবস বা পেটের পেশি নিয়েও শাকিরা বিশেষ মনোযোগী। এর পেছনেও আছে নিয়মিত অনুশীলন। তাঁর ওয়ার্কআউটের শেষ দিকে সাধারণত কোর বা পেটের পেশির ব্যায়াম থাকে। এর মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের সিট-আপ ও পিলাটেসভিত্তিক অনুশীলন। ব্যায়ামের পর প্রোটিন ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যায়ামের পর শরীরকে যথাযথ পুষ্টি দেওয়া জরুরি। শাকিরাও এই নিয়ম মেনে চলেন। তাঁর প্রশিক্ষক জানিয়েছেন, ব্যায়ামের ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন শাকিরা। এতে পেশি পুনর্গঠন হয় এবং শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি ফিরে পায়। আর কী খান শাকিরা শাকিরার খাদ্যতালিকায় থাকে পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। দিনের শুরুতে
সাধারণত অমলেট ও শাকসবজি খান। দুপুরে থাকে প্রোটিনসমৃদ্ধ সালাদ। আর রাতের খাবারে থাকে ভাপানো সবজি ও প্রোটিনের কোনো উৎস। এ ছাড়া দিনের বিভিন্ন সময়ে স্যুপ, সবজি ও প্রোটিন শেকের মতো পুষ্টিকর খাবার খান। সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর কিছু না কিছু খাওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে শক্তির ঘাটতি না হয়। শুধু ডায়েট নয়, ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি শাকিরার ফিটনেস রুটিন দেখে একটি বিষয় স্পষ্ট—কোনো জাদুকরি ডায়েট বা কঠিন শর্টকাট নয়; বরং নিয়মিত ব্যায়াম, সক্রিয় জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসই তাঁর ফিট থাকার মূল রহস্য। সূত্র: ইকোনমিক টাইমস
ব্যায়াম, যেখানে নাচের বিভিন্ন মুভমেন্টের মাধ্যমে হৃদ্যন্ত্রের কার্যক্ষমতা, সহনশীলতা ও ক্যালরি খরচ বাড়ানো হয়। মজার বিষয় হলো, অনুশীলনের সময় শেখা কিছু নাচের ধাপ পরবর্তী সময়ে মঞ্চ পরিবেশনায়ও কাজে লাগান শাকিরা। হালকা ওজন ও পুনরাবৃত্তি অনেকেই মনে করেন, পেশি গঠনের জন্য ভারী ওজন তুলতে হয়। তবে শাকিরার ক্ষেত্রে চিত্র কিছুটা ভিন্ন। শাকিরা ব্যায়ামে তুলনামূলক হালকা ওজন ব্যবহার করেন এবং একটি ব্যায়াম বারবার করেন। এই পদ্ধতি শরীরকে ‘টোনড’ বা সুগঠিত রাখতে সাহায্য করে, আবার অতিরিক্ত চাপও তৈরি করে না। এ ছাড়া তাঁর ব্যায়ামগুলো বেশির ভাগই ‘লো ইমপ্যাক্ট’–এর। এটি এমন শারীরিক কসরত, যা শরীরের হাঁটু, গোড়ালি ও কোমরের মতো অস্থিসন্ধি বা জয়েন্টগুলোয় অতিরিক্ত ঝাঁকুনি বা চাপ সৃষ্টি করে
না। এসব ব্যায়ামের সময় সব সময় অন্তত একটি পা মাটিতে থাকে, ফলে জয়েন্টে আঘাত পাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। পেটের ব্যায়ামে বিশেষ গুরুত্ব অ্যাবস বা পেটের পেশি নিয়েও শাকিরা বিশেষ মনোযোগী। এর পেছনেও আছে নিয়মিত অনুশীলন। তাঁর ওয়ার্কআউটের শেষ দিকে সাধারণত কোর বা পেটের পেশির ব্যায়াম থাকে। এর মধ্যে আছে বিভিন্ন ধরনের সিট-আপ ও পিলাটেসভিত্তিক অনুশীলন। ব্যায়ামের পর প্রোটিন ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যায়ামের পর শরীরকে যথাযথ পুষ্টি দেওয়া জরুরি। শাকিরাও এই নিয়ম মেনে চলেন। তাঁর প্রশিক্ষক জানিয়েছেন, ব্যায়ামের ৪৫ মিনিটের মধ্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার চেষ্টা করেন শাকিরা। এতে পেশি পুনর্গঠন হয় এবং শরীর প্রয়োজনীয় শক্তি ফিরে পায়। আর কী খান শাকিরা শাকিরার খাদ্যতালিকায় থাকে পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার। দিনের শুরুতে
সাধারণত অমলেট ও শাকসবজি খান। দুপুরে থাকে প্রোটিনসমৃদ্ধ সালাদ। আর রাতের খাবারে থাকে ভাপানো সবজি ও প্রোটিনের কোনো উৎস। এ ছাড়া দিনের বিভিন্ন সময়ে স্যুপ, সবজি ও প্রোটিন শেকের মতো পুষ্টিকর খাবার খান। সাধারণত দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর কিছু না কিছু খাওয়ার চেষ্টা করেন, যাতে শক্তির ঘাটতি না হয়। শুধু ডায়েট নয়, ধারাবাহিকতাই মূল চাবিকাঠি শাকিরার ফিটনেস রুটিন দেখে একটি বিষয় স্পষ্ট—কোনো জাদুকরি ডায়েট বা কঠিন শর্টকাট নয়; বরং নিয়মিত ব্যায়াম, সক্রিয় জীবনযাপন এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসই তাঁর ফিট থাকার মূল রহস্য। সূত্র: ইকোনমিক টাইমস



