ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
বিএনপি-জামায়াত সিন্ডিকেটে জিম্মি আদালতপাড়া: চট্টগ্রামের রাজপথে সাধারণ আইনজীবীরা
দেশের বিচারব্যবস্থার পবিত্র আঙিনা এখন রাজনৈতিক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আজ যে নজিরবিহীন সংঘাত ও পেশিশক্তির মহড়া দেখা গেল, তাকে আইনজীবীরা অভিহিত করছেন বারের ইতিহাসের এক ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে।
দৃশ্যত, বিএনপি-জামায়াত পন্থী আইনজীবীদের পদ-পদবী ভাগাভাগির চূড়ান্ত নকশা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সাধারণ আইনজীবীদের ভোটাধিকার হরণ করার অভিযোগ উঠেছে।
আজ ২০শে মে, বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন লাইব্রেরির সামনে এক নজিরবিহীন দৃশ্যের অবতারণা হয়। ‘সাধারণ আইনজীবী পরিষদ’-এর ব্যানারে আওয়ামী লীগপন্থী সভাপতি প্রার্থী আবদুর রশিদের নেতৃত্বে আইনজীবীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গেলে তাদের ওপর চড়াও হয় বিএনপি সমর্থিত একদল আইনজীবী।
পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা লাইব্রেরির
মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। এই অপমানের প্রতিবাদে আদালত প্রাঙ্গণের রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ আইনজীবীরা। তাদের কণ্ঠে তখন একটিই স্লোগান ছিল— “ভোট চোর, ভোট চোর!” সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ফখরুদ্দিন জাবেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদেরকে মনোনয়নপত্র পর্যন্ত নিতে দেওয়া হচ্ছে না। লাইব্রেরিতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি কোনো নির্বাচন নয়, এটি রীতিমতো ডাকাতি।” অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা কামরুল ইসলাম চৌধুরীর মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। তিনি সাফ জানিয়েছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠদের নির্বাচনের পরিবেশ নেই—যা সরাসরি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কেবল চট্টগ্রাম নয়, দেশের প্রতিটি বার অ্যাসোসিয়েশনে এখন একই চিত্র। ঢাকা বারের নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা,
বরিশাল ও মানিকগঞ্জে হুমকির মুখে ভোট এবং সর্বশেষ সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী ৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেরও নজরে এসেছে। ৯০ জন প্রার্থীর মধ্যে অর্ধেককেই বাদ দিয়ে একপাক্ষিক নির্বাচনের যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে চরমভাবে রুদ্ধ করছে। আগামীকাল ২১শে মে চট্টগ্রাম জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের ভোট হওয়ার কথা থাকলেও আজ থেকেই সেখানে বিরাজ করছে আতঙ্কের পরিবেশ। সাধারণ আইনজীবীদের প্রশ্ন—যাদের হাতে সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার রক্ষার দায়িত্ব, তাদের নিজেদের ভোটাধিকার যদি এভাবে হরণ করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল কোথায়? চট্টগ্রামের সাধারণ আইনজীবীরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই কলঙ্কিত ও একপাক্ষিক নির্বাচন ইতিহাসের পাতায় একটি কালো দাগ
হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। এই অপমানের প্রতিবাদে আদালত প্রাঙ্গণের রাস্তায় নেমে আসেন সাধারণ আইনজীবীরা। তাদের কণ্ঠে তখন একটিই স্লোগান ছিল— “ভোট চোর, ভোট চোর!” সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ফখরুদ্দিন জাবেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদেরকে মনোনয়নপত্র পর্যন্ত নিতে দেওয়া হচ্ছে না। লাইব্রেরিতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এটি কোনো নির্বাচন নয়, এটি রীতিমতো ডাকাতি।” অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা কামরুল ইসলাম চৌধুরীর মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। তিনি সাফ জানিয়েছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠদের নির্বাচনের পরিবেশ নেই—যা সরাসরি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কেবল চট্টগ্রাম নয়, দেশের প্রতিটি বার অ্যাসোসিয়েশনে এখন একই চিত্র। ঢাকা বারের নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা,
বরিশাল ও মানিকগঞ্জে হুমকির মুখে ভোট এবং সর্বশেষ সুপ্রিম কোর্ট বারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী ৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেরও নজরে এসেছে। ৯০ জন প্রার্থীর মধ্যে অর্ধেককেই বাদ দিয়ে একপাক্ষিক নির্বাচনের যে সংস্কৃতি শুরু হয়েছে, তা দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে চরমভাবে রুদ্ধ করছে। আগামীকাল ২১শে মে চট্টগ্রাম জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের ভোট হওয়ার কথা থাকলেও আজ থেকেই সেখানে বিরাজ করছে আতঙ্কের পরিবেশ। সাধারণ আইনজীবীদের প্রশ্ন—যাদের হাতে সাধারণ মানুষের আইনি অধিকার রক্ষার দায়িত্ব, তাদের নিজেদের ভোটাধিকার যদি এভাবে হরণ করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের শেষ ভরসাস্থল কোথায়? চট্টগ্রামের সাধারণ আইনজীবীরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এই কলঙ্কিত ও একপাক্ষিক নির্বাচন ইতিহাসের পাতায় একটি কালো দাগ
হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।



