কুমারী মেয়ের নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, আফগানিস্তানে নতুন আইন – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৭ মে, ২০২৬

কুমারী মেয়ের নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, আফগানিস্তানে নতুন আইন

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৭ মে, ২০২৬ |
আফগানিস্তানের তালেবান সরকার দেশে একটি নতুন পারিবারিক আইন বিধিমালা জারি করেছে। এই নতুন বিধিমালার অধীনে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ এবং বাল্যবিয়ে সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মকানুন তালেবানের নিজস্ব ইসলামিক ব্যাখ্যার আলোকে নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘দম্পতিদের পৃথকীকরণের নীতি’ শিরোনামের এই ৩১ অনুচ্ছেদের ডিক্রিটি অনুমোদন করেছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। আফগানিস্তানের সরকারি গেজেটে প্রকাশিত এই নথিতে তালেবান শাসনের অধীনে বিয়ের বিরোধ, বিচ্ছেদ, অভিভাবকত্ব এবং বিয়ে বাতিলের প্রক্রিয়াগুলো বিশদভাবে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এই ডিক্রির সবচেয়ে বিতর্কিত ধারাগুলোর একটিতে বলা হয়েছে যে কোনো ‘কুমারী মেয়ের’ নীরবতাকে বিয়ের সম্মতি হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে কোনো ছেলে বা বিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না, অর্থাৎ তাদের নীরবতাকে সম্মতি

হিসেবে নেওয়া যাবে না। এছাড়া এই নতুন আইন নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিয়ের অনুমতি দেয় এবং এ ধরনের বিয়ের ক্ষেত্রে বাবা ও দাদাকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করে। আইন অনুযায়ী, আত্মীয়দের দ্বারা ঠিক করা কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে বা মেয়ের বিয়ে তখনই বৈধ বলে গণ্য হবে যদি বর সামাজিকভাবে উপযুক্ত হয় এবং মোহরানা ধর্মীয় মানদণ্ড পূরণ করে। নতুন এই নিয়মে ‘খিয়ার আল-বুলুগ’ বা ‘বয়ঃসন্ধির পর পছন্দ’ নামক একটি আইনি নীতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে বয়ঃসন্ধির আগে হওয়া কোনো বিয়ে, পরবর্তীতে সন্তানটি বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর পর তার অনুরোধে বাতিল করার সুযোগ থাকবে। তবে এই বিয়ে বাতিলের জন্য অবশ্যই ধর্মীয় আদালতের অনুমতির

প্রয়োজন হবে। পাশাপাশি সঙ্গী যদি অনুপযুক্ত হয় কিংবা মোহরানার পরিমাণে যদি চরম ভারসাম্যহীনতা থাকে, তবে সেই বিয়ে আইনগতভাবে বৈধ হবে না। এই ডিক্রিটি তালেবান বিচারকদের ব্যভিচারের অভিযোগ, ধর্মান্তর, স্বামীর দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতি এবং ‘জিহার’-এর মতো বিষয়গুলোর বিরোধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা দেয়। জিহার হলো একটি ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক ধারণা যেখানে স্বামী তার স্ত্রীকে এমন কোনো নারী আত্মীয়ের সঙ্গে তুলনা করেন যাকে বিয়ে করা তার জন্য নিষিদ্ধ। এই বিধানগুলোর অধীনে বিচারকরা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিচ্ছেদ, কারাদণ্ড বা অন্যান্য শাস্তির নির্দেশ দিতে পারেন। ২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় আসার পর থেকে নারী ও মেয়েদের ওপর তালেবানের নানা কঠোর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে সমালোচনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই এই

নতুন পারিবারিক আইনটি জারি করা হলো। সূত্র: এনডিটিভি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
যখন বাড়ির দেয়াল নিজেই একটা ভূগোলের বই হয়ে ওঠে! হরমুজের গভীরে নতুন শক্তিতে নজর ইরানের, নিয়ন্ত্রণে থাকবে পুরো দুনিয়া অন্তর্বর্তী সরকার ঢাকার ১২টা বাজিয়ে গেছে: আবদুস সালাম ইসরাইলি হামলায় লেবাননের দৈনিক ক্ষতি ৩০ মিলিয়ন ডলার ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে যেতে যে ৫ শর্ত দিল যুক্তরাষ্ট্র ডিএমপির নতুন কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন কুমারী মেয়ের নীরবতাই বিয়ের সম্মতি, আফগানিস্তানে নতুন আইন ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করল ইন্দোনেশিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের জ্বালানি চুক্তিতে কী আছে? ‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’ শিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষ, পুলিশ কর্মকর্তা ও ইউএনওসহ আহত ২৫ সৌদিতে ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা ফাইনালে হেরে রুপার পদক নিতে গেলেন না রোনালদো ইরান যুদ্ধে বিপাকে ইরাক, তেল-বাণিজ্যে বড় ধস পদত্যাগ করতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরব আমিরাতে দিবালোকেই দেখা মিলল জিলহজের চাঁদের, জানা গেল ঈদের তারিখ ঢাকাসহ ৪ বিভাগে ভারি বর্ষণের আভাস উচ্চশিক্ষায় আবাসিক সংকট ‘ঝড়ের আগে নীরবতা’— কীসের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প? ই-লোন কী, কীভাবে নেওয়া যায়?