ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
গণভবন লুট ও ৩২ নম্বর ভাঙচুরকারীদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে : গোলাম মাওলা রনি
গণভবনে চুরির সঙ্গে এবং ৩২ নম্বর ভাঙার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ওপর প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।
শনিবার (১৬ মে) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘বর্তমানে দেখবেন যারা গণভবনে চুরির সঙ্গে জড়িত এবং ৩২ নম্বর ভাঙার সঙ্গে জড়িত তাদের সেই রমরমা ভাব নেই। তারা আগের মতো বলতে পারছে না আমি এই কাজগুলো করেছি। এটা গর্বেরও বিষয় নয়। এ ছাড়া যারা চিহ্নিত হয়ে গেছে তারা এই কাজগুলো করেছে, তারা অনেকে গা ঢাকা দিয়েছে।
কেউ নিজেদের দায় অন্যের ওপর চাপা দিচ্ছে ইত্যাদি নানা রকম ঘটনা
ঘটছে। এর বাইরে প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘অনেকের ব্যক্তিগত জীবন, শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্যতা, অর্থনৈতিক জীবন তছনছ হয়ে গেছে। অনেকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। অনেকের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেছে।’ এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘অনেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। অনেকে ক্ষমতায় থাকার পরও সারাক্ষণ মৃত্যুভয়ে থরথর করে কাঁপছেন।’ এমন কেন হয়—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খুনের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের তার চেয়েও অপমৃত্যু তাড়া করেছে। একই অবস্থা বঙ্গবন্ধুর। তাকে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত—এমন একটা সিঙ্গেল লোক সুস্থভাবে বাঁচতেও পারেনি এবং স্বাভাবিকভাবে মরতেও পারেনি।’
ঘটছে। এর বাইরে প্রকৃতির অভিশাপ শুরু হয়ে গেছে।’ তিনি বলেন, ‘অনেকের ব্যক্তিগত জীবন, শারীরিক ও মানসিক ভারসাম্যতা, অর্থনৈতিক জীবন তছনছ হয়ে গেছে। অনেকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন। অনেকের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেছে।’ এই রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, ‘অনেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। অনেকে ক্ষমতায় থাকার পরও সারাক্ষণ মৃত্যুভয়ে থরথর করে কাঁপছেন।’ এমন কেন হয়—এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খুনের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের তার চেয়েও অপমৃত্যু তাড়া করেছে। একই অবস্থা বঙ্গবন্ধুর। তাকে হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত—এমন একটা সিঙ্গেল লোক সুস্থভাবে বাঁচতেও পারেনি এবং স্বাভাবিকভাবে মরতেও পারেনি।’



