ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আমিরাতের পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা
১০০টিরও বেশি আসন লুট করে নিয়েছে বিজেপি: মমতা
শুভেন্দুর কাছে হেরে গেলেন মমতা
কেরালায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাকে বেছে নেবে কংগ্রেস?
চীনের শিল্পভূমিতে নীরব সংকটের বিস্তার
সাগরে বিপদে পড়া ভারতীয় নাবিকদের উদ্ধার করল পাকিস্তান নৌবাহিনী
বাঘের বাচ্চার মতো লড়বেন মমতা, বিজেপিকে হুঙ্কার
নিজ আসনে পিছিয়ে গেলেন মমতা
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনে সবচেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে ভবানিপুর আসনে। সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা ব্যানার্জি ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী নির্বাচন করেছেন।
সোমবার (৪ মে) ফলাফল ঘোষণা শুরুর পর সারাদিন সেখানে এগিয়ে ছিলেন মমতা। কিন্তু বিকালের পর উত্তপ্ত পরিস্থিতি হলে সাময়িক সময়ের জন্য ভোট গণনা বন্ধ থাকে।
এরপর আবার ফলাফল ঘোষণা শুরু হলে দেখা যায় মমতা পিছিয়ে গেছেন।
আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, ১৬ রাউন্ড গণনা শেষে শুভেন্দুর চেয়ে মমতা ৫৩৮ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন। এখন আরও চার রাউন্ড ভোট গণনা বাকি। এরপরই জানা যাবে সেখানে কে জিতেছেন।
২০২১ সালে নন্দিগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছিলেন মমতা। এরপর ভবানিপুরের উপনির্বাচনে তিনি জেতেন এবং টানা তৃতীয়বারের মতো
মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। নন্দ্রিগ্রাম আসনে এবারও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরমাধ্যমে তিনি টানা তৃতীয়বার এই আসনে জিতলেন। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নন্দ্রিগামে ১০ হাজার ২০০ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিয়েছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার কিছু পরে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। সেখানে আগে থেকেই বিজেপি কর্মীদের জটলা ছিল এবং তাঁর আগমনের আগেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মমতার গাড়ি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় স্লোগান। মমতা পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে গণনাকেন্দ্রের অদূরে একটি পেট্রল পাম্পে অবস্থান নিয়েছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। পরে জানা যায়, পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরে যেতে
বলে। যদিও ওই সময়ে সুব্রত বক্সী সেখানে ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এর কিছু পর এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরে বিজেপি সমর্থকেরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে গেলে চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্র এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বাড়ানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যসংখ্যা। এর মধ্যেই বিজেপি সমর্থকেরা মমতার বিরুদ্ধে ‘চোর-চোর’ ও ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং শেষ পর্যন্ত স্কুলচত্বর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান।
মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন। নন্দ্রিগ্রাম আসনে এবারও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এরমাধ্যমে তিনি টানা তৃতীয়বার এই আসনে জিতলেন। ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, নন্দ্রিগামে ১০ হাজার ২০০ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দিয়েছেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার কিছু পরে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রে পৌঁছান তিনি। সেখানে আগে থেকেই বিজেপি কর্মীদের জটলা ছিল এবং তাঁর আগমনের আগেই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মমতার গাড়ি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় স্লোগান। মমতা পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে গণনাকেন্দ্রের অদূরে একটি পেট্রল পাম্পে অবস্থান নিয়েছিলেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। পরে জানা যায়, পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরে যেতে
বলে। যদিও ওই সময়ে সুব্রত বক্সী সেখানে ছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। এর কিছু পর এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি শুরু হয়। পরে বিজেপি সমর্থকেরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলে পৌঁছে গেলে চেয়ার ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। উত্তেজনা বাড়তে থাকায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্র এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বাড়ানো হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যসংখ্যা। এর মধ্যেই বিজেপি সমর্থকেরা মমতার বিরুদ্ধে ‘চোর-চোর’ ও ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং শেষ পর্যন্ত স্কুলচত্বর থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান।



