ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিশ্বকাপে না খেলা নিয়ে মুখ খুললেন লিটন
অসামান্য প্রতিভা দিয়ে বিশ্বকাপ মাতাতে পারেন ফ্রান্সের অলিসে
নাহিদ ও মোস্তাফিজকে এবার আর পিএসএলে যেতে দেবে না বিসিবি
টানা তিন সিরিজ জয়ের পর যা বললেন মিরাজ
শান্ত-লিটন জুটিতে বাংলাদেশের লড়াকু সংগ্রহ
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল, নতুন সেনসেশনের খেলা নিয়ে শঙ্কা
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরল শ্রীলংকা
বিশ্বকাপ মিসের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নতুন শুরুর লক্ষ্য লিটনের
বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে টাইগারদের ফেরার আগে একটি পরিমিত সুর বেঁধে দিয়েছেন। গত আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মিস করার হতাশা ঝেড়ে ফেলে একটি নতুন চক্র শুরু করার প্রাক্কালে তিনি তাঁর দলকে কোনো বোঝা ছাড়াই খেলার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবারের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে গতকাল সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় লিটন পরিষ্কার করে জানান যে, দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ২০২৮ সালের বৈশ্বিক আসর হলেও, বর্তমানের প্রধান লক্ষ্য হলো ছন্দ ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া, যার শুরু হচ্ছে চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন সিরিজ দিয়ে।
বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে মিশ্র ফর্ম নিয়ে এই সিরিজে নামছে। তারা আফগানিস্তান (সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩–০) এবং আয়ারল্যান্ডের (ঘরের মাঠে ২–১) বিপক্ষে দাপুটে সিরিজ
জয় পেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩–০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগের কথা স্বীকার করলেও লিটন কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে আলাদা করেননি বা তাৎক্ষণিক প্রত্যাশার চাপ দেননি। তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় হলো আমরা অনেক দিন পর আবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলছি। শুরুতে আমরা কারো ওপর বাড়তি কোনো চাপ দিতে চাই না।’ ‘ওদের খেলতে দিন। এক-দুইটা ম্যাচের পর সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের ভূমিকা বুঝে যাবে কারণ সেটআপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া একটা বড় বিষয়।’ অধিনায়ক সামনের ব্যস্ত সূচিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে সুযোগ হিসেবে দেখছেন। চলতি বছরের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ থাকায় বাংলাদেশ শীর্ষ সারির প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলার
সুযোগ পাচ্ছে। লিটন উল্লেখ করেন, ‘সুসংবাদ হলো এ বছর আমাদের যে ৯টি টি-টোয়েন্টি আছে, তার সবই ভালো দলের বিপক্ষে এবং সিরিজগুলো একের পর এক। একবার আমরা ছন্দে ফিরলে পরের সিরিজগুলো আমাদের জন্য তুলনামূলক সহজ হয়ে যাবে।’ দূরবর্তী লক্ষ্যের বিষয়ে লিটন জোর দিয়ে বলেন যে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এখনই শুরু হয়ে গেছে। ২০২৬ সালে ভারতের আসরটিতে বাংলাদেশ অংশ নিতে না পারলেও সেই সময়ের নেওয়া প্রস্তুতিকেই ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ২০২৮ বিশ্বকাপ এবং আমরা জানি এটি এশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে না। তাই আমরা সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করব। যেহেতু আমাদের দলের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া ছিল এবং গত বিশ্বকাপের জন্য আমাদের প্রস্তুতি
খুব ভালো ছিল, আমি এই দলটিকে ভালোভাবে ধরে রাখার এবং এখান থেকেই এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’ বৈশ্বিক আসরে জায়গা না পাওয়ার হতাশা দলটি কাটিয়ে উঠতে পেরেছে কি না, এমন প্রশ্নে অধিনায়কের বক্তব্যে মানসিকতার পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি অবশ্যই মনে করি আমরা সেটা কাটিয়ে উঠেছি। সেই সময়ের ঠিক পরেই আমরা একটি টুর্নামেন্ট খেলেছি যেখানে খেলোয়াড়রা ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছে। সবথেকে বড় বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিটি ম্যাচই প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি তারা সেভাবেই চিন্তা করবে এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য প্রয়োজনীয় জয়ের মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামবে।
জয় পেলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩–০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। ব্যাটিং ইউনিট নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগের কথা স্বীকার করলেও লিটন কোনো নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে আলাদা করেননি বা তাৎক্ষণিক প্রত্যাশার চাপ দেননি। তিনি বলেন, ‘একটি বিষয় হলো আমরা অনেক দিন পর আবার টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলছি। শুরুতে আমরা কারো ওপর বাড়তি কোনো চাপ দিতে চাই না।’ ‘ওদের খেলতে দিন। এক-দুইটা ম্যাচের পর সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজের ভূমিকা বুঝে যাবে কারণ সেটআপের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া একটা বড় বিষয়।’ অধিনায়ক সামনের ব্যস্ত সূচিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে না দেখে সুযোগ হিসেবে দেখছেন। চলতি বছরের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে সিরিজ থাকায় বাংলাদেশ শীর্ষ সারির প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে ৯টি টি-টোয়েন্টি খেলার
সুযোগ পাচ্ছে। লিটন উল্লেখ করেন, ‘সুসংবাদ হলো এ বছর আমাদের যে ৯টি টি-টোয়েন্টি আছে, তার সবই ভালো দলের বিপক্ষে এবং সিরিজগুলো একের পর এক। একবার আমরা ছন্দে ফিরলে পরের সিরিজগুলো আমাদের জন্য তুলনামূলক সহজ হয়ে যাবে।’ দূরবর্তী লক্ষ্যের বিষয়ে লিটন জোর দিয়ে বলেন যে, ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এখনই শুরু হয়ে গেছে। ২০২৬ সালে ভারতের আসরটিতে বাংলাদেশ অংশ নিতে না পারলেও সেই সময়ের নেওয়া প্রস্তুতিকেই ভিত্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ২০২৮ বিশ্বকাপ এবং আমরা জানি এটি এশিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে না। তাই আমরা সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করব। যেহেতু আমাদের দলের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া ছিল এবং গত বিশ্বকাপের জন্য আমাদের প্রস্তুতি
খুব ভালো ছিল, আমি এই দলটিকে ভালোভাবে ধরে রাখার এবং এখান থেকেই এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।’ বৈশ্বিক আসরে জায়গা না পাওয়ার হতাশা দলটি কাটিয়ে উঠতে পেরেছে কি না, এমন প্রশ্নে অধিনায়কের বক্তব্যে মানসিকতার পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি অবশ্যই মনে করি আমরা সেটা কাটিয়ে উঠেছি। সেই সময়ের ঠিক পরেই আমরা একটি টুর্নামেন্ট খেলেছি যেখানে খেলোয়াড়রা ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেছে। সবথেকে বড় বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিটি ম্যাচই প্রতিটি খেলোয়াড়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বিশ্বাস করি তারা সেভাবেই চিন্তা করবে এবং বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য প্রয়োজনীয় জয়ের মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামবে।



