ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ স্বীকৃতি কুবির
রাবির হলের শূন্য সিটে ওরা কারা? ছাত্রদল পরিচয় দিলেও সভাপতির সন্দেহ ‘শিবির’
শামীম-মাসুদ-তোফাজ্জল হত্যা থেকে হামের টিকা-কাণ্ড: জাবি ছাত্রলীগের ৬ দফায় প্রতিবাদ কর্মসূচি
গান গেয়ে ভাইরাল সেই ঢাবি শিক্ষককে অব্যাহতি
ঢাবির সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তে বরখাস্ত ৩ শিক্ষক, অব্যাহতি দুজনের
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাজিল সমর্থকদের ৭৫০ বর্গফুট পতাকা শোডাউন
৮০% ছেলেই আনফিট তাই ছাত্রীকে লিভ টুগেদারের প্রস্তাব অধ্যাপকের
ঢাবি ছাত্রীর লাশ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমো আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় একজন শিক্ষক ও তার এক ঘনিষ্ঠ সহপাঠীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান কাজী তামান্না হক সিগমা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মিমোর লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
রাজধানীর বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন মিমো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজের বাসায় আত্মহত্যা করেছেন এবং একটি চিরকুটে তিনি একজন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে গেছেন।
সুইসাইড নোটে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে, হানি আর সুদীপ স্যার ভাল থাকো, স্যারের দেয়া গিফটগুলো
ফেরত দেওয়া’। তিনি আরও বলেন, আমরা সকালে বিষয়টি জানতে পারি, এরপর বিভাগের শিক্ষকরা তার বাসায় যাই। পরে তার মোবাইল ফোনের কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও নেওয়া হয়েছে। গুলশান জোনের (বাড্ডা) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া কিছু আলামতের ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে। একই ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর
ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ফেরত দেওয়া’। তিনি আরও বলেন, আমরা সকালে বিষয়টি জানতে পারি, এরপর বিভাগের শিক্ষকরা তার বাসায় যাই। পরে তার মোবাইল ফোনের কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করে একজন শিক্ষকের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতেই পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও নেওয়া হয়েছে। গুলশান জোনের (বাড্ডা) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জুয়েল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া কিছু আলামতের ভিত্তিতে বিভাগের একজন শিক্ষককে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তে তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হবে। একই ঘটনায় ওই শিক্ষার্থীর
ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।



