ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে মাউশির জরুরি নির্দেশনা
কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও প্রতিমাসে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমার নির্দেশ
শিক্ষকদের জন্য সুখবর
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের স্থায়ী বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা
ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর
চবিতে ফের ভুয়া শিক্ষার্থী আটক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ভুয়া শিক্ষার্থী পরিচয়ে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় একজনকে আটক করে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরীরা। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা যায়, আটক ব্যক্তি ক্যাম্পাসে নিজেকে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। তিনি নিজেকে এএফ রহমান হলের শিক্ষার্থী হিসেবে আইডি কার্ড প্রদর্শন করেন। অথচ ইংরেজি বিভাগ কলা ও মানববিদ্যা অনুষদভুক্ত এবং সোহরাওয়ার্দী হলের অধীন হওয়ায় বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে নিরাপত্তা প্রহরীরা তাকে আটক করে।
আটক ব্যক্তির নাম মো. উমর ফারুক (১৭)। তার পিতা নুরুন্নবী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় মুদি ব্যবসা করেন। উমর ফারুক পার্শ্ববর্তী জোবরা
এলাকার বাসিন্দা এবং জোবরা পশ্চিমপুর স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে উমর ফারুক অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, বন্ধুদের প্ররোচনায় আমি এ কাজ করেছি। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশের সুবিধার জন্যই আইডি কার্ডটি বানিয়েছিলাম। নিরাপত্তা দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার আবদুল মান্নান জানান, বহিরাগতদের ব্যাপারে আমরা সবসময়ই কঠোর অবস্থানে আছি। মূল ফটক দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশের সময় তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে নিজেকে শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে আইডি কার্ড দেখালে সেটি যাচাই করে আমরা বুঝতে পারি এটি ভুয়া। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নূরুল হামিদ কানন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে
আমাদের কড়াকড়ির কারণে মোটরসাইকেল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্য সে এই পথ অবলম্বন করেছে। পরে আমরা তার বাবাকে ডেকেছি। ভবিষ্যতে এমন অপরাধের সঙ্গে আর জড়াবে না বলে একটা মুচলেকা নিয়ে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর মোটরসাইকেলটি এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে হেফাজতে আছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও দুই ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছিল।
এলাকার বাসিন্দা এবং জোবরা পশ্চিমপুর স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে উমর ফারুক অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, বন্ধুদের প্ররোচনায় আমি এ কাজ করেছি। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশের সুবিধার জন্যই আইডি কার্ডটি বানিয়েছিলাম। নিরাপত্তা দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার আবদুল মান্নান জানান, বহিরাগতদের ব্যাপারে আমরা সবসময়ই কঠোর অবস্থানে আছি। মূল ফটক দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশের সময় তার আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে নিজেকে শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে আইডি কার্ড দেখালে সেটি যাচাই করে আমরা বুঝতে পারি এটি ভুয়া। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে সোপর্দ করা হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর নূরুল হামিদ কানন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে
আমাদের কড়াকড়ির কারণে মোটরসাইকেল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের জন্য সে এই পথ অবলম্বন করেছে। পরে আমরা তার বাবাকে ডেকেছি। ভবিষ্যতে এমন অপরাধের সঙ্গে আর জড়াবে না বলে একটা মুচলেকা নিয়ে তার বাবার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর মোটরসাইকেলটি এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে হেফাজতে আছে। এ বিষয়ে আগামীকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেও দুই ভুয়া শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছিল।



