ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঋণের লাগামহীন বিস্তার: দেড় বছরে অভ্যন্তরীণ দেনা বেড়েছে পৌনে ৩ লাখ কোটি টাকা
ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ভারতীয় রুপির দর
এশিয়ার বাজার খোলার পর তেলের দাম ছাড়াল ১১৫ ডলার
স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন, ভরিতে কমলো ৬৫৯০ টাকা
শেখ হাসিনা সরকারের ছাপা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটেই শেষ ভরসা বিএনপি সরকারের
বিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দাম
১০০ ডলার ছাড়াল জ্বালানি তেলের দাম
‘জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই’
দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, তাই তেল সংকট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘আমরা ক্লিয়ার নির্দেশনা দিয়েছি, কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর মাধ্যমে যাতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষকরা ডিজেলটা পায়, সেই চেষ্টা করছি।’
সোমবার (৩০ মার্চ) সচিবালয়ে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তিনি এসব কথা বলেন।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা ভারত থেকে ২২ হাজার টন ডিজেল পেয়েছি। তাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি রয়েছে। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়া থেকেও তেল আনা হচ্ছে। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল
আমদানির জন্যও আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের জাহাজ হরমুজ দিয়ে আসতে সমস্যা নেই। কিন্তু সব জাহাজ বাংলাদেশের পতাকাবাহী হয় না। এখানেই সমস্যা তৈরি হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘রাশিয়া থেকে দুই মাসের জন্য ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির জন্য প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে আমেরিকার কাছেও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিছু দেশে আমেরিকার স্যাংশন থাকায় অনুমতির এই প্রক্রিয়ায় যেতে হয়েছে।’ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব বলেন, ‘আমরা আপাতত সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বলছি। এজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিচ্ছি। সরবরাহ চেইনে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয়, সরকার সেই চেষ্টা করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের দিনে ডিজেলের যে মজুত আছে, তা হলো এক লাখ ৩৩
হাজার টন। ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল ৫৪ হাজার ৬০০ টন তেল আসবে। মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে এক লাখ ৫৪ হাজার টন তেল আসবে এপ্রিলেই। আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।’
আমদানির জন্যও আমরা ইরানের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের জাহাজ হরমুজ দিয়ে আসতে সমস্যা নেই। কিন্তু সব জাহাজ বাংলাদেশের পতাকাবাহী হয় না। এখানেই সমস্যা তৈরি হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘রাশিয়া থেকে দুই মাসের জন্য ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির জন্য প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে আমেরিকার কাছেও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। কিছু দেশে আমেরিকার স্যাংশন থাকায় অনুমতির এই প্রক্রিয়ায় যেতে হয়েছে।’ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব বলেন, ‘আমরা আপাতত সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য বলছি। এজন্য ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিচ্ছি। সরবরাহ চেইনে যাতে কোনো সংকট তৈরি না হয়, সরকার সেই চেষ্টা করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের দিনে ডিজেলের যে মজুত আছে, তা হলো এক লাখ ৩৩
হাজার টন। ৩০ মার্চ ও ৩ এপ্রিল ৫৪ হাজার ৬০০ টন তেল আসবে। মালয়েশিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকে এক লাখ ৫৪ হাজার টন তেল আসবে এপ্রিলেই। আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।’



