ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপি নেতাদের দৃষ্টিতে ‘অপ্রয়োজনীয়’ রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রই এখন সংকটে সরকারের শেষ ভরসা
মৃত্যুঞ্জয়ী বঙ্গবন্ধু: ইতিহাসের আয়নায় আমাদের পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও অস্তিত্বের প্রতীক
জাতির পিতার জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি-বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
ডিজেলের পর এবার এলো ১৬ হাজার মেট্রিক টন ভারতীয় চাল, নামল মোংলায়
শিক্ষক রাজনীতি নাকি শিক্ষার্থীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার রাজনীতি
তেল সরবরাহে হরমুজ ঝুঁকি: ৩ লাখ টন ক্রুডের চালান নিয়ে তেহরানের দ্বারস্থ ঢাকা
আওয়ামী লীগ ফিরবেই, তবে পুরনো নাকি নতুন নেতৃত্বে— এটিই এখন মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন”: মাসুদ কামাল
একটি বন্দিত্ব: বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মের অনিবার্যতা
২৫ মার্চ গণহত্যার রাতে শেখ মুজিবুর রহমান আত্মগোপন করেনি-তিনি স্বেচ্ছায়, সচেতনভাবে, বন্দিত্ব বরণ করেছিলেন। এই একটি সিদ্ধান্ত আজও বাংলাদেশের রাষ্ট্র চিন্তাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। কারও কাছে এটি হঠকারী আত্মসমর্পণ, কারও কাছে গভীর কৌশল। কিন্তু যদি এটি কেবল ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বা তাৎক্ষণিক রাজনীতির পদক্ষেপ হতো, তবে কেন এই বন্দিত্বই শেষ পর্যন্ত একটি রাষ্ট্রের জন্মকে অনিবার্য করে তুলেছিল? হয়তো আমরা ইতিহাসের সবচেয়ে ভুল বোঝা সিদ্ধান্তটির সামনে দাঁড়িয়ে আছি-যেখানে বন্দিত্ব পরিণত হয়েছিল স্বাধীনতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষায়
বঙ্গবন্ধুর স্বেচ্ছায় বন্দিত্ব কেবল একজন নেতার গ্রেপ্তার ছিল না; এটি যুদ্ধের ময়দান ও জনমানস—উভয় স্তরেই একযোগে অভিঘাত সৃষ্টি করেছিল। এই বন্দিত্ব জনতাকে শুধু আলোড়িত করেনি, সংক্ষুব্ধ করে
তুলেছিল-এক ধরনের নৈতিক ক্রোধ জন্ম দিয়েছিল, যেখানে নিরপেক্ষ থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেই সংক্ষুব্ধতাই মরণপণ লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার টনিক হিসেবে কাজ করে, ভয়ের জায়গা দখল করে নেয় প্রতিরোধের সংকল্প। গণজাগড়ণে গণবিস্ফোড়ণ সৃষ্টি হয়েছিলো যা যুদ্ধের অভিমুখ নির্ধারণ করে দেয়। এই মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তরের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধ অনিবার্য বিজয়ের পথে গতি পায়। অনেকেই এটাকে আত্মসমর্পণ বলে থাকেন। তবে প্রথমেই ‘আত্মসমর্পণ’ শব্দটির রাজনৈতিক অর্থ নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা জরুরি। রাষ্ট্রতত্ত্বে আত্মসমর্পণ মানে ক্ষমতার দাবি ত্যাগ করা। কিন্তু ১৯৭১ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু ক্ষমতার দাবি ত্যাগ করেননি; বরং তিনি ক্ষমতার উৎস—জনগণের ম্যান্ডেট ও নৈতিক বৈধতাকে-নিজের বন্দিত্বের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান করে তুলেছিলেন। তারই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রজ্ঞায়
এবং চাতুর্যতায় পূর্ণ যা জনযুদ্ধে পরিণত হয়। এখানে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তখন বিশ্ব ছিল স্নায়ুুযুদ্ধের কঠিন বাস্তবতায় আবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের কৌশলগত মিত্র, জাতিসংঘ রাষ্ট্রভিত্তিক বৈধতার বাইরে যেতে অনিচ্ছুক, আর ভারতও সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের আগে নৈতিক ও কূটনৈতিক ভিত্তি খুঁজছিল। এই পরিস্থিতিতে আত্মগোপনকারী নেতা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সহজেই ‘অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ’ হিসেবে চিহ্নিত হতেন এবং ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলে পলাতক হিসেবে গণ্য হতেন। কিন্তু একজন বন্দি, নির্বাচিত ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধির গ্রেফতার-এটি রাষ্ট্রদাবির সবচেয়ে শক্তিশালী নৈতিক দলিল। এখানেই বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত একটি মৌলিক রাষ্ট্রীয় তত্ত্বের রূপ নেয় যা ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের মাস্টারস্ট্রোক। তিনি ব্যক্তি হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার পথ বেছে নেননি; তিনি নিজেকে রাষ্ট্রের
প্রতীক হিসেবে দাঁড় করান। তার বন্দিত্ব ব্যক্তিগত নয়—রাষ্ট্রের বন্দিত্বে পরিণত হয়। তার বিচার মানে একটি জাতির রাজনৈতিক অধিকারের বিচার। আর তার সম্ভাব্য ফাঁসি কেবল একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং একটি রাষ্ট্রকে হত্যা করার ঘোষণা। পাকিস্তানের সামনে কোনো নিরাপদ পথ খোলা ছিল না—প্রতিটি পথেই নৈতিক ও রাজনৈতিক পরাজয় অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই রাষ্ট্র চিন্তার নীতি বৈশ্বিকভাবে অনুরূপ অনেক উদাহরণ দেখা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ কারাবাসের মধ্যেও নিজের রাজনৈতিক দাবি ছেড়ে দেননি, বরং নতুন নৈতিক ও রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করেছিলেন। মহাত্মা গান্ধী বারবার গ্রেফতার হওয়া সত্ত্বেও নিজের আন্দোলনকে শক্তিশালী করে রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তি দৃঢ় করেছিলেন। পোল্যান্ডের লেহেল ওয়ালেসা গ্রেফতার হবার পরও
গণতান্ত্রিক আন্দোলন আন্তর্জাতিকভাবে দৃঢ় হয়। বঙ্গবন্ধুর বন্দিত্বও একই ধরণের রাষ্ট্র চিন্তার প্রমাণ-যেখানে ব্যক্তি সরে গেলেও রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তি দৃঢ় থেকে যায় এবং স্বাধীনতার প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। এই সিদ্ধান্ত ঝুঁকিমুক্ত ছিল না। ফাঁসির সম্ভাবনা ছিল, নেতৃত্ব বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। কিন্তু রাষ্ট্র চিন্তা সবসময় কম ঝুঁকির পথ বেছে নেয় না; এটি বেছে নেয় সেই পদক্ষেপ যা না নিলে রাষ্ট্রের জন্মই অসম্ভব হতো। বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত ছিল চরম ঝুঁকির, কিন্তু উচ্চ নিশ্চয়তার। সামরিক অর্থে এটি হয়তো দুর্বল অবস্থান ছিল, কিন্তু রাজনৈতিক ও নৈতিক অর্থে ছিল অপ্রতিরোধ্য। আজ স্পষ্ট যে, এই বন্দিত্বই মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিকীকরণ করেছে, গণহত্যাকে বৈশ্বিক বিবেকের সামনে উন্মোচিত করেছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ‘সম্ভাবনা’
থেকে ‘অনিবার্যতা’-তে রূপান্তর করেছে। বঙ্গবন্ধুর ধরা দেওয়া কোনো হঠকারী আত্মসমর্পণ ছিল না; এটি ছিল গভীর রাষ্ট্র চিন্তার ঘোষণা-যেখানে ব্যক্তি সরে গিয়ে রাষ্ট্র সামনে আসে, আর বন্দিত্ব পরিণত হয় স্বাধীনতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষায়। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে যে নৈতিক ভিত্তির ওপর, তার এক গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এই সিদ্ধান্ত। ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়-কিছু যুদ্ধে জেতা যায় অস্ত্র দিয়ে, কিন্তু রাষ্ট্র জেতা যায় এমন সিদ্ধান্ত দিয়ে, যা শাসকের জন্য পিছু হটার সব পথ বন্ধ করে দেয়। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তই স্বাধীনতার যুদ্ধক্ষেত্রকে রূপ দিয়েছিল রাষ্ট্র গঠনের মহাযজ্ঞে।
তুলেছিল-এক ধরনের নৈতিক ক্রোধ জন্ম দিয়েছিল, যেখানে নিরপেক্ষ থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেই সংক্ষুব্ধতাই মরণপণ লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ার টনিক হিসেবে কাজ করে, ভয়ের জায়গা দখল করে নেয় প্রতিরোধের সংকল্প। গণজাগড়ণে গণবিস্ফোড়ণ সৃষ্টি হয়েছিলো যা যুদ্ধের অভিমুখ নির্ধারণ করে দেয়। এই মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তরের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধ অনিবার্য বিজয়ের পথে গতি পায়। অনেকেই এটাকে আত্মসমর্পণ বলে থাকেন। তবে প্রথমেই ‘আত্মসমর্পণ’ শব্দটির রাজনৈতিক অর্থ নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা জরুরি। রাষ্ট্রতত্ত্বে আত্মসমর্পণ মানে ক্ষমতার দাবি ত্যাগ করা। কিন্তু ১৯৭১ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু ক্ষমতার দাবি ত্যাগ করেননি; বরং তিনি ক্ষমতার উৎস—জনগণের ম্যান্ডেট ও নৈতিক বৈধতাকে-নিজের বন্দিত্বের মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান করে তুলেছিলেন। তারই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রজ্ঞায়
এবং চাতুর্যতায় পূর্ণ যা জনযুদ্ধে পরিণত হয়। এখানে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তখন বিশ্ব ছিল স্নায়ুুযুদ্ধের কঠিন বাস্তবতায় আবদ্ধ। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পাকিস্তানের কৌশলগত মিত্র, জাতিসংঘ রাষ্ট্রভিত্তিক বৈধতার বাইরে যেতে অনিচ্ছুক, আর ভারতও সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের আগে নৈতিক ও কূটনৈতিক ভিত্তি খুঁজছিল। এই পরিস্থিতিতে আত্মগোপনকারী নেতা আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় সহজেই ‘অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ’ হিসেবে চিহ্নিত হতেন এবং ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ে গেলে পলাতক হিসেবে গণ্য হতেন। কিন্তু একজন বন্দি, নির্বাচিত ও সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধির গ্রেফতার-এটি রাষ্ট্রদাবির সবচেয়ে শক্তিশালী নৈতিক দলিল। এখানেই বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত একটি মৌলিক রাষ্ট্রীয় তত্ত্বের রূপ নেয় যা ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের মাস্টারস্ট্রোক। তিনি ব্যক্তি হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার পথ বেছে নেননি; তিনি নিজেকে রাষ্ট্রের
প্রতীক হিসেবে দাঁড় করান। তার বন্দিত্ব ব্যক্তিগত নয়—রাষ্ট্রের বন্দিত্বে পরিণত হয়। তার বিচার মানে একটি জাতির রাজনৈতিক অধিকারের বিচার। আর তার সম্ভাব্য ফাঁসি কেবল একজন নেতার মৃত্যু নয়, বরং একটি রাষ্ট্রকে হত্যা করার ঘোষণা। পাকিস্তানের সামনে কোনো নিরাপদ পথ খোলা ছিল না—প্রতিটি পথেই নৈতিক ও রাজনৈতিক পরাজয় অনিবার্য হয়ে ওঠে। এই রাষ্ট্র চিন্তার নীতি বৈশ্বিকভাবে অনুরূপ অনেক উদাহরণ দেখা যায়। দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা দীর্ঘ কারাবাসের মধ্যেও নিজের রাজনৈতিক দাবি ছেড়ে দেননি, বরং নতুন নৈতিক ও রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করেছিলেন। মহাত্মা গান্ধী বারবার গ্রেফতার হওয়া সত্ত্বেও নিজের আন্দোলনকে শক্তিশালী করে রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তি দৃঢ় করেছিলেন। পোল্যান্ডের লেহেল ওয়ালেসা গ্রেফতার হবার পরও
গণতান্ত্রিক আন্দোলন আন্তর্জাতিকভাবে দৃঢ় হয়। বঙ্গবন্ধুর বন্দিত্বও একই ধরণের রাষ্ট্র চিন্তার প্রমাণ-যেখানে ব্যক্তি সরে গেলেও রাষ্ট্রের নৈতিক শক্তি দৃঢ় থেকে যায় এবং স্বাধীনতার প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক হয়ে ওঠে। এই সিদ্ধান্ত ঝুঁকিমুক্ত ছিল না। ফাঁসির সম্ভাবনা ছিল, নেতৃত্ব বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। কিন্তু রাষ্ট্র চিন্তা সবসময় কম ঝুঁকির পথ বেছে নেয় না; এটি বেছে নেয় সেই পদক্ষেপ যা না নিলে রাষ্ট্রের জন্মই অসম্ভব হতো। বঙ্গবন্ধুর সিদ্ধান্ত ছিল চরম ঝুঁকির, কিন্তু উচ্চ নিশ্চয়তার। সামরিক অর্থে এটি হয়তো দুর্বল অবস্থান ছিল, কিন্তু রাজনৈতিক ও নৈতিক অর্থে ছিল অপ্রতিরোধ্য। আজ স্পষ্ট যে, এই বন্দিত্বই মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিকীকরণ করেছে, গণহত্যাকে বৈশ্বিক বিবেকের সামনে উন্মোচিত করেছে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ‘সম্ভাবনা’
থেকে ‘অনিবার্যতা’-তে রূপান্তর করেছে। বঙ্গবন্ধুর ধরা দেওয়া কোনো হঠকারী আত্মসমর্পণ ছিল না; এটি ছিল গভীর রাষ্ট্র চিন্তার ঘোষণা-যেখানে ব্যক্তি সরে গিয়ে রাষ্ট্র সামনে আসে, আর বন্দিত্ব পরিণত হয় স্বাধীনতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষায়। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে যে নৈতিক ভিত্তির ওপর, তার এক গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ এই সিদ্ধান্ত। ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়-কিছু যুদ্ধে জেতা যায় অস্ত্র দিয়ে, কিন্তু রাষ্ট্র জেতা যায় এমন সিদ্ধান্ত দিয়ে, যা শাসকের জন্য পিছু হটার সব পথ বন্ধ করে দেয়। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তই স্বাধীনতার যুদ্ধক্ষেত্রকে রূপ দিয়েছিল রাষ্ট্র গঠনের মহাযজ্ঞে।



