ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
প্রিজন ভ্যান থেকে সাবেক এমপি তুহিনের আকুতি: ‘অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি, ন্যায়বিচার চাই’
দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী থাকা সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও যুব মহিলা লীগের সাবেক নেত্রী সাবিনা আক্তার তুহিন প্রিজন ভ্যান থেকে জামিন ও ন্যায়বিচারের আকুতি জানিয়েছেন। আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানের ভেতর থেকে গণমাধ্যমের উদ্দেশে দেওয়া তার একটি বক্তব্যের ভিডিও সম্প্রতি সামনে এসেছে।
ভিডিওতে সাবেক এমপি তুহিন শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে বলেন, "জামিন দ্যান, অনেকদিন হইছে তো। আমরা তো অনেকদিন ধইরা কাস্টডিতে। অসুস্থ হইয়া আসতেছি। এখন ন্যায় বিচার করুক, ব্যাস।" নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তিনি আরও বলেন, "আমরা যদি দোষী না হইয়া থাকি, তাহলে আমাদের ছাইড়া দিক।" এছাড়া নারী বন্দীদের দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, কাস্টডিতে থাকা অনেক
নারীই জানেন না ঠিক কী মামলায় তাদের আটক রাখা হয়েছে। গত বছরের (২০২৫) ২২ জুন মধ্যরাতে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আওনা গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট হত্যা, হত্যাচেষ্টা, রাষ্ট্রদ্রোহ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ ও যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি বেআইনি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকায় তিনি শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত বলে দাবি করছেন। উল্লেখ্য, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের
শিক্ষার্থী হিসেবে এর আগে তিনি কারাগারে বসে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য বই সরবরাহেরও আবেদন জানিয়েছিলেন।
নারীই জানেন না ঠিক কী মামলায় তাদের আটক রাখা হয়েছে। গত বছরের (২০২৫) ২২ জুন মধ্যরাতে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের আওনা গ্রামে বাবার বাড়ি থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর থেকেই তিনি কারাগারে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট হত্যা, হত্যাচেষ্টা, রাষ্ট্রদ্রোহ ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অন্তত পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর থানায় দায়ের করা একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ ও যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি বেআইনি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে থাকায় তিনি শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত বলে দাবি করছেন। উল্লেখ্য, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের
শিক্ষার্থী হিসেবে এর আগে তিনি কারাগারে বসে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য বই সরবরাহেরও আবেদন জানিয়েছিলেন।



