ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
আওয়ামী লীগ আমলে সফলভাবে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হলো আরও ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রে খননকৃত শ্রীকাইল-৫ কূপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে আজ ১৪ই মার্চ, আজ শনিবার।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই কূপের উদ্বোধন করেন।
এর ফলে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক অতিরিক্ত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হয়েছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-এর অধীনে এই কূপটি খনন করা হয়েছে। খনন কাজ সম্পন্ন হয় এ বছরের ১৮ই জানুয়ারি। প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩২ কোটি টাকা।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ
সাইফুল ইসলামসহ বাপেক্সের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “আমরা নিজস্ব সম্পদ দিয়েই গ্যাসের চাহিদা পূরণ করব। শ্রীকাইল-৫ কূপ থেকে পরীক্ষামূলক উত্তোলনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।” তিনি আরও জানান, সরকারের ১৮০ দিনের বিশেষ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতীয় গ্রিডে মোট ৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে, এবং এই কূপ তার একটি অংশ। শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের আবিষ্কারের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১-১৯৯২ সালে বাপেক্সের পরিচালিত সিসমিক জরিপের মাধ্যমে। তখন শ্রীকাইল ভূগঠন চিহ্নিত হয়। প্রথম অনুসন্ধান কূপ (শ্রীকাইল-১) খনন করা হয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে- ২০০৪ সালে। কিন্তু অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা ও ত্রুটিপূর্ণ
খননের কারণে তখন বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালে বিস্তৃত জরিপ এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে শ্রীকাইল-২ কূপ খনন করে বাপেক্স সফলভাবে গ্যাসের স্তর আবিষ্কার করে। গ্যাসের পরিমাণ এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দেখা যায়। পরে ক্ষেত্রটিতে আরও জোরালো অনুসন্ধান চালায় আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৯ সালের ২৮শে অক্টোবর থেকে শ্রীকাইল পূর্ব-১ অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হয় এবং ২০২০ সালের ৩রা মার্চ এখানে গ্যাস প্রাপ্তির চূড়ান্ত ঘোষণার পর একে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। প্রথম উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে যুক্ত: ২২শে মার্চ ২০১৩ (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন, প্রতিদিন ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। পরবর্তী উন্নয়ন: ২০২০ সালে শ্রীকাইল পূর্ব-১ কূপ থেকে
অতিরিক্ত ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত। বর্তমানে শ্রীকাইলসহ বাপেক্সের ক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক প্রায় ১০৩-১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। এই নতুন কূপের উদ্বোধন দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ, যা আমদানি-নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে। বাপেক্সের অব্যাহত অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র থেকে আরও সম্ভাব্য গ্যাস উত্তোলনের আশা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি স্বনির্ভরতার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক।
সাইফুল ইসলামসহ বাপেক্সের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, “আমরা নিজস্ব সম্পদ দিয়েই গ্যাসের চাহিদা পূরণ করব। শ্রীকাইল-৫ কূপ থেকে পরীক্ষামূলক উত্তোলনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।” তিনি আরও জানান, সরকারের ১৮০ দিনের বিশেষ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জাতীয় গ্রিডে মোট ৮২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে, এবং এই কূপ তার একটি অংশ। শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের আবিষ্কারের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯১-১৯৯২ সালে বাপেক্সের পরিচালিত সিসমিক জরিপের মাধ্যমে। তখন শ্রীকাইল ভূগঠন চিহ্নিত হয়। প্রথম অনুসন্ধান কূপ (শ্রীকাইল-১) খনন করা হয় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে- ২০০৪ সালে। কিন্তু অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা ও ত্রুটিপূর্ণ
খননের কারণে তখন বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১২ সালে বিস্তৃত জরিপ এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে শ্রীকাইল-২ কূপ খনন করে বাপেক্স সফলভাবে গ্যাসের স্তর আবিষ্কার করে। গ্যাসের পরিমাণ এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা দেখা যায়। পরে ক্ষেত্রটিতে আরও জোরালো অনুসন্ধান চালায় আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৯ সালের ২৮শে অক্টোবর থেকে শ্রীকাইল পূর্ব-১ অনুসন্ধান কূপ খনন শুরু হয় এবং ২০২০ সালের ৩রা মার্চ এখানে গ্যাস প্রাপ্তির চূড়ান্ত ঘোষণার পর একে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। প্রথম উৎপাদন ও জাতীয় গ্রিডে যুক্ত: ২২শে মার্চ ২০১৩ (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন, প্রতিদিন ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। পরবর্তী উন্নয়ন: ২০২০ সালে শ্রীকাইল পূর্ব-১ কূপ থেকে
অতিরিক্ত ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত। বর্তমানে শ্রীকাইলসহ বাপেক্সের ক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক প্রায় ১০৩-১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হচ্ছে। এই নতুন কূপের উদ্বোধন দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর প্রচেষ্টার অংশ, যা আমদানি-নির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে। বাপেক্সের অব্যাহত অনুসন্ধান ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র থেকে আরও সম্ভাব্য গ্যাস উত্তোলনের আশা রয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি স্বনির্ভরতার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক।



