ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
বেশি দামে এলএনজি কেনা ও মার্কিন চুক্তি: সরকারের ভুল নাকি ইচ্ছাকৃত সিদ্ধান্ত!
আওয়ামী লীগ আমলে খননকৃত শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের ৫ম কূপ উদ্বোধন, যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
কুর্মিটোলা এভিয়েশন ডিপো থেকে বিমানের ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল গায়েব!
বাংলাদেশের জ্বালানী নিরাপত্তায় কি ব্যবস্থা নিয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার?
কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
স্পিকার–ডেপুটি স্পিকারের পদত্যাগ নিয়ে সংবিধানিক প্রশ্ন: সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে বিএনপির দুই নেতা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামালের দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের দলীয় পদত্যাগকে ঘিরে সংবিধানিক প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে তারা বিএনপির “সকল পর্যায়ের পদ” থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর সংসদ সদস্যপদ বহাল আছে কি না—তা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনগত আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
এ বিষয়ে কানাডার কার্লেটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও আইনগত বিভাগের সহযোগী গবেষক হাসান মাহমুদ টিপু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার পোস্টে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে।
তিনি
উল্লেখ করেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির সকল পর্যায়ের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। এমনকি সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, “আজ থেকে আপনারা আর কোনো দলের নন। আপনারা এই সংসদের স্পিকার।” টিপুর মতে, যদি তাদের পদত্যাগের মাধ্যমে দলীয় সদস্যপদও বাতিল হয়ে থাকে, তাহলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের সংসদ সদস্যপদও বাতিল হওয়ার কথা। আর কেউ সংসদ সদস্য না থাকলে তিনি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার পদেও থাকতে পারেন না। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে
নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন এবং পরে সেই দল থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে তার সংসদে আসন শূন্য হয়ে যাবে। একইভাবে সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও তার সদস্যপদ বাতিল হতে পারে। এদিকে সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ২(খ) ধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার অবশ্যই সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হতে হবে। ফলে কেউ যদি সংসদ সদস্য না থাকেন, তাহলে তিনি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও পালন করতে পারবেন না। এ বিষয়ে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক আমীন আল রশীদ “স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সংসদ সদস্যপদ থাকা না থাকার তর্ক” শিরোনামে একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখায় বিষয়টি তুলে ধরেন। তার প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২
মার্চ বিএনপির চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ লিখেছেন—তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর ব্যারিস্টার কায়সার কামালও তার পদত্যাগপত্রে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্পাদকসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয় ১২ মার্চ। ওইদিন বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়। পরে তারা শপথ গ্রহণ করেন। স্পিকারের চেয়ারে বসে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন ব্যবস্থা। সরকার ও বিরোধী দল
উভয়ে জাতির স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আশা করি। বিরোধী দল যাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে সে জন্য আমি সচেষ্ট থাকব।” তবে প্রশ্ন উঠেছে—“সকল পর্যায়ের পদ থেকে পদত্যাগ” বলতে কি দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? যদি হয়ে থাকে, তাহলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের সংসদ সদস্যপদও বাতিল হওয়ার কথা। ফলে বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন অনেক পর্যবেক্ষক। বাংলাদেশের সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় থেকেই এই ধারা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গণপরিষদের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য হাফেজ হাবীবুর রহমানও ছিলেন, এই
ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে গণপরিষদ সদস্য নুরুল হকের সংশোধনী প্রস্তাবের মাধ্যমে ধারা ৭০ সংশোধিত আকারে গৃহীত হয়। এতে বলা হয়—কোনো ব্যক্তি যদি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর সময় এ ধারায় কিছু পরিবর্তন আনা হলেও ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল বিধান আবার ফিরিয়ে আনা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারা একদিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করলেও অন্যদিকে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মত প্রকাশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এটি নিয়ে সংস্কারের দাবি উঠছে। ২০০২ সালে বিএনপির
সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান এই ধারা সংশোধনের জন্য একটি বেসরকারি বিলও সংসদে উত্থাপন করেছিলেন। যদিও সেটি পাস হয়নি। সম্প্রতি সংবিধান সংস্কার কমিশনও ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তন অনুযায়ী, কেবল অর্থ বিল ও আস্থা ভোটের ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্ত মানতে হবে; অন্য বিষয়ে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। সব মিলিয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের দলীয় পদত্যাগকে ঘিরে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা নতুন করে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কী ব্যাখ্যা আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
উল্লেখ করেন, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিএনপির সকল পর্যায়ের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। এমনকি সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, “আজ থেকে আপনারা আর কোনো দলের নন। আপনারা এই সংসদের স্পিকার।” টিপুর মতে, যদি তাদের পদত্যাগের মাধ্যমে দলীয় সদস্যপদও বাতিল হয়ে থাকে, তাহলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের সংসদ সদস্যপদও বাতিল হওয়ার কথা। আর কেউ সংসদ সদস্য না থাকলে তিনি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার পদেও থাকতে পারেন না। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি যে রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে
নির্বাচিত হয়ে সংসদ সদস্য হন এবং পরে সেই দল থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে তার সংসদে আসন শূন্য হয়ে যাবে। একইভাবে সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিলেও তার সদস্যপদ বাতিল হতে পারে। এদিকে সংবিধানের ৭৪ অনুচ্ছেদের ২(খ) ধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার অবশ্যই সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হতে হবে। ফলে কেউ যদি সংসদ সদস্য না থাকেন, তাহলে তিনি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্বও পালন করতে পারবেন না। এ বিষয়ে অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক আমীন আল রশীদ “স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের সংসদ সদস্যপদ থাকা না থাকার তর্ক” শিরোনামে একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখায় বিষয়টি তুলে ধরেন। তার প্রতিবেদনে বলা হয়, ১২
মার্চ বিএনপির চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ লিখেছেন—তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার পর ব্যারিস্টার কায়সার কামালও তার পদত্যাগপত্রে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সম্পাদকসহ দলের সকল পর্যায়ের পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয় ১২ মার্চ। ওইদিন বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়। পরে তারা শপথ গ্রহণ করেন। স্পিকারের চেয়ারে বসে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “গণতন্ত্র সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন ব্যবস্থা। সরকার ও বিরোধী দল
উভয়ে জাতির স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে আশা করি। বিরোধী দল যাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে সে জন্য আমি সচেষ্ট থাকব।” তবে প্রশ্ন উঠেছে—“সকল পর্যায়ের পদ থেকে পদত্যাগ” বলতে কি দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে? যদি হয়ে থাকে, তাহলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদের সংসদ সদস্যপদও বাতিল হওয়ার কথা। ফলে বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন অনেক পর্যবেক্ষক। বাংলাদেশের সংবিধানে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় থেকেই এই ধারা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গণপরিষদের কয়েকজন সদস্য, যার মধ্যে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য হাফেজ হাবীবুর রহমানও ছিলেন, এই
ধারা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে গণপরিষদ সদস্য নুরুল হকের সংশোধনী প্রস্তাবের মাধ্যমে ধারা ৭০ সংশোধিত আকারে গৃহীত হয়। এতে বলা হয়—কোনো ব্যক্তি যদি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পরে সেই দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তাহলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে। ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর সময় এ ধারায় কিছু পরিবর্তন আনা হলেও ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল বিধান আবার ফিরিয়ে আনা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধারা একদিকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করলেও অন্যদিকে সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মত প্রকাশের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা তৈরি করে। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরেই এটি নিয়ে সংস্কারের দাবি উঠছে। ২০০২ সালে বিএনপির
সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান এই ধারা সংশোধনের জন্য একটি বেসরকারি বিলও সংসদে উত্থাপন করেছিলেন। যদিও সেটি পাস হয়নি। সম্প্রতি সংবিধান সংস্কার কমিশনও ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবিত পরিবর্তন অনুযায়ী, কেবল অর্থ বিল ও আস্থা ভোটের ক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্ত মানতে হবে; অন্য বিষয়ে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। সব মিলিয়ে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের দলীয় পদত্যাগকে ঘিরে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা নতুন করে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ককে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন রাজনৈতিক দল ও সংশ্লিষ্ট মহলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কী ব্যাখ্যা আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।



