ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল
৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব
রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ
অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে
একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ!
পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার
রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
চব্বিশের রাজনৈতিক পট-পরিবর্তনের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান কেন্দ্রিক দিবসগুলো অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।
ইউনূসের এসব সিদ্ধান্ত বর্তমান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার বহাল রেখেছে। নতুন তালিকায় ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও ৪ঠা নভেম্বরের সংবিধান দিবস ফেরানো হয়নি।
গত ১১ই মার্চ, বুধবার জারি করা পরিপত্রে মোট ৮৯টি দিবস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক হিসেবে উদযাপন ও পালনের জন্য রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ‘ক’ শ্রেণিতে ১৭টি, ‘খ’ শ্রেণিতে ৩৭টি এবং ‘গ’ শ্রেণিতে ৩৫টি দিবস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান সরকারের এই পদক্ষেপ অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি অনুসরণের প্রকাশ্য পরিচয়, যা
জাতীয় ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ স্মরণীয় দিবসগুলোর ধারাবাহিকতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছে। নতুন তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের ধারায় ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের মধ্যে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ এবং ‘খ’ শ্রেণির মধ্যে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস যেভাবে অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছিল, তা ফেরানো হয়নি। সেসময় ইউনূস সরকার ৭ই মার্চ, ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ই আগস্ট শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ই আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ই অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস, ৪ঠা নভেম্বর সংবিধান দিবস
এবং ১২ই ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল করেছিল।
জাতীয় ইতিহাস ও গুরুত্বপূর্ণ স্মরণীয় দিবসগুলোর ধারাবাহিকতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করছে। নতুন তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের ধারায় ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবসের মধ্যে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ এবং ‘খ’ শ্রেণির মধ্যে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস যেভাবে অন্তর্বর্তী সরকার বাতিল করেছিল, তা ফেরানো হয়নি। সেসময় ইউনূস সরকার ৭ই মার্চ, ১৭ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ই আগস্ট শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ই আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ই অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস, ৪ঠা নভেম্বর সংবিধান দিবস
এবং ১২ই ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল করেছিল।



