ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গুজবের অবসান ও শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা
বিনা বিচারে কারাবন্দি আর কতদিন?
এক কোটি টাকার রাস্তা, এক জীবনের ভিটা
শান্তি আলোচনার আড়ালে দেশে পরিকল্পিত গণহত্যা চালায় পাকিস্তানিরা
অপারেশন ক্লিনহার্ট ২.০: মব সন্ত্রাস থামবে, নাকি কেবল স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে?
জ্বালানিবাহী জাহাজের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে নৌবাহিনী: আইএসপিআর
সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়
স্বাধীনতার মাসে যুদ্ধাপরাধীদের নামে শোক প্রস্তাব, সংসদ কলুষিত করল বিএনপি-জামায়াত
মহান স্বাধীনতার মাস মার্চে একাত্তরের ভয়ংকর মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিতদের নাম জাতীয় সংসদের শোকপ্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করে সংসদকে কলুষিত করার নজির গড়ল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। আজ বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই বিতর্কিত শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়।
অধিবেশনের শুরুতে প্রথা অনুযায়ী শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হলেও সেখানে সুকৌশলে একাত্তরের ঘাতক-দালাল ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিতদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম এবং বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের দফায় দফায় অনুরোধে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, আব্দুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাসেম আলী এবং আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম শোকপ্রস্তাবে যুক্ত করা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরবর্তীতে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও ফাঁসি কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধী সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নামও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। অথচ এই ব্যক্তিরাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে গণহত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগে লিপ্ত ছিলেন বলে আদালতের রায়ে প্রমাণিত। জামায়াত-বিএনপির এই বিতর্কিত তালিকার বাইরেও বিভিন্ন সময়ে মারা যাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এবং ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয়। একইসাথে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ
অন্যান্য যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। তবে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের নামের পাশে কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের নাম বসানোকে সচেতন মহল জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটের অবমাননা হিসেবে দেখছেন। আলোচনায় বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, শোকপ্রস্তাব আগে ‘একপেশে’ ছিল। এরপর তিনি একে একে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও দণ্ডিতদের দীর্ঘ তালিকা পাঠ করেন। চিফ হুইপ এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বিভিন্ন প্রস্তাবনার পর স্পিকার সকল বিতর্কিত নামগুলো শোকপ্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করে নেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বাধীনতার মাসে যে সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে দেশপ্রেমের শপথ নেওয়া হয়, সেই সংসদেই দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে থাকবে। এর মাধ্যমে একাত্তরের
শহীদদের আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে মনে করছেন ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ।
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর নাম শোকপ্রস্তাবে যুক্ত করা হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরবর্তীতে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও ফাঁসি কার্যকর হওয়া যুদ্ধাপরাধী সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নামও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। অথচ এই ব্যক্তিরাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে গণহত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগে লিপ্ত ছিলেন বলে আদালতের রায়ে প্রমাণিত। জামায়াত-বিএনপির এই বিতর্কিত তালিকার বাইরেও বিভিন্ন সময়ে মারা যাওয়া সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস এবং ইরানের ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয়। একইসাথে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ
অন্যান্য যোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। তবে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের নামের পাশে কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের নাম বসানোকে সচেতন মহল জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিটের অবমাননা হিসেবে দেখছেন। আলোচনায় বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেন, শোকপ্রস্তাব আগে ‘একপেশে’ ছিল। এরপর তিনি একে একে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও দণ্ডিতদের দীর্ঘ তালিকা পাঠ করেন। চিফ হুইপ এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের বিভিন্ন প্রস্তাবনার পর স্পিকার সকল বিতর্কিত নামগুলো শোকপ্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করে নেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বাধীনতার মাসে যে সংসদ ভবনে দাঁড়িয়ে দেশপ্রেমের শপথ নেওয়া হয়, সেই সংসদেই দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের নাম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে থাকবে। এর মাধ্যমে একাত্তরের
শহীদদের আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করা হয়েছে বলে মনে করছেন ক্ষুব্ধ নাগরিক সমাজ।



