ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৪০ বছর পর সংসদের শীর্ষ পদে নারীশূন্যতা: এরশাদের পথে হাঁটলেন তারেক
পিআইবি সেমিনার দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ফারুক ওয়াসিফের মিথ্যাচারঃ উঠে এলো আরও দুর্নীতিকান্ড!
মানবাধিকার লঙ্ঘনের সকল দায় থেকে জুলাইযোদ্ধাদের মুক্তি দিয়ে জাতীয়ভাবে সম্মতি চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া পাকি মন্ত্রীদের ২ মাস বেতন বন্ধ, অফিস চলবে ৪ দিন
রাশিয়ান তেল কিনতে অর্থমন্ত্রীর মার্কিন অনুমতি প্রার্থনাঃ রাশিয়ান তেল শোধনে অসম্ভবতা সত্ত্বেও কেন এই পদক্ষেপ?
মোজাম্মেল ‘প্রোস্টেট ক্যান্সার’, শ্যামল ‘স্লিপ অ্যাপনিয়া’, চলাফেরায় ‘অক্ষম’ বয়োবৃদ্ধ শাহরিয়ার: সাংবাদিকরা তাও মুক্তি পাবেন না?
‘বঙ্গবন্ধু শান্তি পদযাত্রা’ থেকে আটক ঢাবি অধ্যাপক জামালকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ
সরকারের তড়িঘড়ি এলএনজি আমদানি: উচ্চমূল্যে ক্রয়ে সরকারি কোষাগারের বিপুল অর্থ অপচয়
বিশ্ববাজারে এলএনজির (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) মূল্য অস্থিরতার মধ্যে সরকার উচ্চমূল্যে তিনটি কার্গো এলএনজি আমদানির সিন্ধান্ত নিয়েছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড’ থেকে এক কার্গো এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ‘পসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন’ থেকে দুটি কার্গো কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২৬৫৪ কোটি টাকারও বেশি।
টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে এক কার্গো এলএনজির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০৭.৮৪ কোটি টাকা, যেখানে প্রতি এমএমবিটিইউ (মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট) এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২১.৫৮ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, পসকো থেকে প্রতিটি কার্গোর দাম পড়বে ৮৭৩.৩৫ কোটি টাকা করে, এবং প্রতি এমএমবিটিইউ এর মূল্য ২০.৭৬ মার্কিন ডলার। এই তিন কার্গো
এপ্রিলের প্রথমার্ধে (৫-৬, ৯-১০ ও ১২-১৩ তারিখ) সরবরাহ করা হবে বলে জানা গেছে। অথচ স্পট মার্কেটে (এশিয়ান বেঞ্চমার্ক জেএকেএম) এলএনজির বর্তমান মূল্য প্রায় ১৫-১৬ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ-এর আশেপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মার্চের শুরুতে জেএকেএম প্রায় ১০-১১ ডলারের কাছাকাছি ছিল, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত (ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, কাতার সরবরাহ বন্ধ ইত্যাদি) কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে। তবুও সরকারের এই কেনায় প্রতি ইউনিটে ৫-৬ ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই তড়িঘড়ি কেনাকাটা সরকারি কোষাগারের অর্থের অহেতুক অপচয়ের নজির। মার্চের প্রথম সপ্তাহে স্পট মার্কেটে দাম অনেক কম ছিল (কিছু ক্ষেত্রে ১০ ডলারের নিচে), কিন্তু সরকার অপেক্ষা না করে উচ্চমূল্যে
চুক্তি করে ফেলেছে। এতে করে জনগণের টাকা থেকে কয়েকশ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে স্পট মার্কেট থেকে কেনা ছাড়া উপায় ছিল না। তবে সমালোচকরা বলছেন, বাজারের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করে আরও কৌশলগতভাবে কেনাকাটা করা যেত। এই ঘটনা সরকারের জ্বালানি নীতি ও আমদানি কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে যে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার দোহাই দিয়ে কেন উচ্চমূল্যে কেনা হলো, যখন অপেক্ষা করলে দাম কমতে পারতো। সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের আমদানিতে আরও সতর্কতা ও বাজার বিশ্লেষণ জরুরি।
এপ্রিলের প্রথমার্ধে (৫-৬, ৯-১০ ও ১২-১৩ তারিখ) সরবরাহ করা হবে বলে জানা গেছে। অথচ স্পট মার্কেটে (এশিয়ান বেঞ্চমার্ক জেএকেএম) এলএনজির বর্তমান মূল্য প্রায় ১৫-১৬ ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ-এর আশেপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। মার্চের শুরুতে জেএকেএম প্রায় ১০-১১ ডলারের কাছাকাছি ছিল, কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত (ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, কাতার সরবরাহ বন্ধ ইত্যাদি) কারণে দাম কিছুটা বেড়েছে। তবুও সরকারের এই কেনায় প্রতি ইউনিটে ৫-৬ ডলারেরও বেশি অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই তড়িঘড়ি কেনাকাটা সরকারি কোষাগারের অর্থের অহেতুক অপচয়ের নজির। মার্চের প্রথম সপ্তাহে স্পট মার্কেটে দাম অনেক কম ছিল (কিছু ক্ষেত্রে ১০ ডলারের নিচে), কিন্তু সরকার অপেক্ষা না করে উচ্চমূল্যে
চুক্তি করে ফেলেছে। এতে করে জনগণের টাকা থেকে কয়েকশ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে স্পট মার্কেট থেকে কেনা ছাড়া উপায় ছিল না। তবে সমালোচকরা বলছেন, বাজারের প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করে আরও কৌশলগতভাবে কেনাকাটা করা যেত। এই ঘটনা সরকারের জ্বালানি নীতি ও আমদানি কৌশল নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে যে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার দোহাই দিয়ে কেন উচ্চমূল্যে কেনা হলো, যখন অপেক্ষা করলে দাম কমতে পারতো। সরকারের পক্ষ থেকে এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের আমদানিতে আরও সতর্কতা ও বাজার বিশ্লেষণ জরুরি।



