ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘ভুয়া ফটোকার্ড প্রথম কে আপলোড করেছে তা শনাক্ত সম্ভব’
১৩ লাখ টাকা দিলে পরীক্ষা ও পাস করা ছাড়াই জাতীয় জাদুঘরে চাকরির নিশ্চয়তা!
খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ২
রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা
খুনের মতো গুরুতর অপরাধ বেড়েছে
ইমো হ্যাকার গ্রুপের ৫ সদস্য গ্রেফতার
দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মাদ্রাসার কাজ বন্ধ করে দিলেন বিএনপি নেতা!
দুই লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে একটি মাদ্রাসার নির্মাণকাজ জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছে এবং স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দরপত্রের সকল নিয়মকানুন মেনে সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার একটি বহুতল একাডেমিক ভবনের নির্মাণকাজ শুরু করেছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু কাজ শুরুর পর থেকেই অভিযুক্ত ওই বিএনপি নেতা ও তার অনুসারীরা বিভিন্ন সময় নির্মাণকাজে বাধা সৃষ্টি করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তারা ঠিকাদারের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
দাবিকৃত এই চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গত
সোমবার দুপুরের দিকে অভিযুক্ত নেতা তার দলবল নিয়ে নির্মাণস্থলে উপস্থিত হন এবং জোরপূর্বক কাজ বন্ধ করে দেন। এ সময় তারা সেখানে কর্মরত সাধারণ শ্রমিকদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ঠিকাদার বলেন, "আমরা সরকারি সকল নিয়ম মেনেই মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজটি করছিলাম। কিন্তু ওই নেতা অন্যায়ভাবে আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তারা আমাদের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এবং শ্রমিকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। নিরুপায় হয়ে আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি।" থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত
গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সোমবার দুপুরের দিকে অভিযুক্ত নেতা তার দলবল নিয়ে নির্মাণস্থলে উপস্থিত হন এবং জোরপূর্বক কাজ বন্ধ করে দেন। এ সময় তারা সেখানে কর্মরত সাধারণ শ্রমিকদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে বড় ধরনের ক্ষতির হুমকি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ঠিকাদার বলেন, "আমরা সরকারি সকল নিয়ম মেনেই মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজটি করছিলাম। কিন্তু ওই নেতা অন্যায়ভাবে আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তারা আমাদের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এবং শ্রমিকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। নিরুপায় হয়ে আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি।" থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি অত্যন্ত
গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



