২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৯:২২ অপরাহ্ণ

২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৯:২২ 10 ভিউ
শেখ হাসিনা যখন দেশ ছাড়লেন, তখন বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯ দশমিক ২৩ লক্ষ কোটি টাকা। মাত্র আঠারো মাসে ইউনূস সেই ঋণ বাড়িয়ে দাঁড় করিয়েছেন ২১ দশমিক ৪৯ লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ নতুন ঋণ নেওয়া হয়েছে ২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি টাকা। এই বিশাল অংকের টাকা নিয়ে কী করা হলো? কোনো মেগা প্রজেক্ট হয়নি। কোনো সেতু বা সড়ক তৈরি হয়নি। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়নি। কোনো শিল্পকারখানা গড়ে ওঠেনি। তাহলে এই দুই লাখ ছাব্বিশ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়? ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটা প্রচারণা চালানো হয়েছিল যে শেখ হাসিনার আমলে নাকি প্রতি বছর পনেরো বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।

এই হিসাবটা যদি সত্যি হতো, তাহলে ইউনূসের আমলে যখন কোনো পাচার হচ্ছে না, তখন ফরেন রিজার্ভ তো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কথা। শেখ হাসিনা রেখে গিয়েছিলেন ২০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ। আঠারো মাসে যদি পনেরো বিলিয়ন ডলার পাচার না হয়ে দেশেই থাকে, তাহলে রিজার্ভ দাঁড়ানোর কথা ছিল কমপক্ষে বিয়াল্লিশ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। কিন্তু বাস্তবে এখন রিজার্ভ আছে মাত্র ঊনত্রিশ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার। তেরো বিলিয়ন ডলার কোথায় গেল? এই বিশাল অঙ্কের ডলার কি বাতাসে মিলিয়ে গেল নাকি সুপরিকল্পিতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে? যে সরকার আগের সরকারকে পাচারকারী বলে গালাগাল করত, সেই সরকারের আমলেই রিজার্ভ কমে গেল প্রায় নয় বিলিয়ন ডলার। এর চেয়ে

বড় পাচার আর কী হতে পারে? সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো, এই বিশাল পরিমাণ নতুন ঋণ নিয়ে কোনো কাজই হয়নি। শেখ হাসিনার আমলে ঋণ নিয়ে পদ্মা সেতু হয়েছে, মেট্রোরেল হয়েছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। ইউনূসের আমলে কী হয়েছে? শুধু ঋণের বোঝা বেড়েছে, আর রিজার্ভ কমেছে। এটাকে কী বলা যায়? দুর্নীতি, লুটপাট, নাকি সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক সন্ত্রাস? ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাস্তায় রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হলো। বিদেশি টাকা, ইসলামি জঙ্গিদের সহায়তা আর সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় একটা অবৈধ সরকার ক্ষমতায় বসল। সেই সরকার দেশের মানুষকে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে যা করেছে তা হলো দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড

ভেঙে দেওয়া। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো এখন এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে যে আগামী দশ বছরে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। যে সরকার আসবে তারা পাবে একটা নিঃস্ব রাষ্ট্রকোষ, বিশাল ঋণের বোঝা আর শূন্য রিজার্ভ। এই অবস্থা থেকে বের হতে কত বছর লাগবে, কত প্রজন্মের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, তার কোনো হিসাব নেই। ইউনূস আর তার দলবল এখন চলে যাচ্ছেন। কিন্তু রেখে যাচ্ছেন একটা ধ্বংসস্তূপ। যাদের হাতে এই লুটপাট হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে এই টাকার হিসাব আদায় করতে হবে। প্রতিটা পয়সার খোঁজ নিতে হবে। নইলে এই দেশ কখনো আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি রাস্তা থেকে যুদ্ধবিমান আর টকশো থেকে যুদ্ধাপরাধী: দুই প্রতিবেশী, দুই বাস্তবতা দেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছেন ইউনূস জুলাই সনদ, এনসিপি আর শেষ বিকেলের আনুগত্য: হিসাব মিলে গেলে যখন নীতিও মেলে ভোটার তাড়ানো, জাল ভোট, আগাম সিল: সংসদ নির্বাচন নিয়ে টিআইবির ভয়াবহ প্রতিবেদন সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে। ছেলে ছাত্রলীগ করায় যারা বৃদ্ধ মানুষের রক্ত ঝরায়, তারা ক্ষমতার নয়, ঘৃণার উত্তরাধিকার বাংলাদেশে আবার ২০০১-২০০৬ এর দিনগুলো ফেরত আসছে গণতন্ত্রের সংকট কি বাড়ছে? সরকারের অবসান ঘটলেও কমেনি প্রভাব; ‘বিদেশি স্বার্থ রক্ষায়’ বহাল থাকছে বিতর্কিত সব চুক্তি: সাবেক এনএসআই কর্মকর্তার দাবি “বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম বি. “বিল” মিলামের মৃত্যুতে আমরা গভীর শোক প্রকাশ করছি ভোট কেন্দ্র নাকি চোরের মেলা? বোঝা বড্ড দায়; একের পর এক সিল মারতে থাকা ভোটচোর ক্যামেরা দেখেই দিলেন চম্পট! সমঝোতা না হওয়ায় ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তথ্য ফাঁস করলেন নাহিদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিলুপ্তির একদিন পরই সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম চাকরি পেয়ে গেছেন বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় চালু করা হয় এবং পতাকা উত্তোলন করা হয়। যার পদত্যাগ একদিন দাবি করেছিল বিএনপি, আজ তাকেই মন্ত্রিসভায় বসানো হয়েছে। গণমাধ্যমে অস্থিতিশীলতা ও নিয়ন্ত্রণ: চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ‘সিন্ডিকেট’ তৈরির অভিযোগ ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দানবের হাতেই পতন হবে’—মব ও ইউনূস সরকার নিয়ে গোলাম মাওলা রনি তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় খলিলুর রহমান ‘ডিপ স্টেটের’ চাপে, আলী রিয়াজ ও জামায়াতের কঠোর সমালোচনায় অ্যাডভোকেট মহসিন রশীদ