২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি ঋণ নিয়ে শূন্য উন্নয়ন: বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দিয়ে যাওয়া ইউনূসের কীর্তি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
শেখ হাসিনা যখন দেশ ছাড়লেন, তখন বাংলাদেশের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯ দশমিক ২৩ লক্ষ কোটি টাকা। মাত্র আঠারো মাসে ইউনূস সেই ঋণ বাড়িয়ে দাঁড় করিয়েছেন ২১ দশমিক ৪৯ লক্ষ কোটি টাকায়। অর্থাৎ নতুন ঋণ নেওয়া হয়েছে ২ দশমিক ২৬ লক্ষ কোটি টাকা। এই বিশাল অংকের টাকা নিয়ে কী করা হলো? কোনো মেগা প্রজেক্ট হয়নি। কোনো সেতু বা সড়ক তৈরি হয়নি। কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়নি। কোনো শিল্পকারখানা গড়ে ওঠেনি। তাহলে এই দুই লাখ ছাব্বিশ হাজার কোটি টাকা গেল কোথায়? ইউনূসের সরকার ক্ষমতায় আসার পর একটা প্রচারণা চালানো হয়েছিল যে শেখ হাসিনার আমলে নাকি প্রতি বছর পনেরো বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।

এই হিসাবটা যদি সত্যি হতো, তাহলে ইউনূসের আমলে যখন কোনো পাচার হচ্ছে না, তখন ফরেন রিজার্ভ তো লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কথা। শেখ হাসিনা রেখে গিয়েছিলেন ২০ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ। আঠারো মাসে যদি পনেরো বিলিয়ন ডলার পাচার না হয়ে দেশেই থাকে, তাহলে রিজার্ভ দাঁড়ানোর কথা ছিল কমপক্ষে বিয়াল্লিশ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। কিন্তু বাস্তবে এখন রিজার্ভ আছে মাত্র ঊনত্রিশ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার। তেরো বিলিয়ন ডলার কোথায় গেল? এই বিশাল অঙ্কের ডলার কি বাতাসে মিলিয়ে গেল নাকি সুপরিকল্পিতভাবে সরিয়ে ফেলা হয়েছে? যে সরকার আগের সরকারকে পাচারকারী বলে গালাগাল করত, সেই সরকারের আমলেই রিজার্ভ কমে গেল প্রায় নয় বিলিয়ন ডলার। এর চেয়ে

বড় পাচার আর কী হতে পারে? সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো, এই বিশাল পরিমাণ নতুন ঋণ নিয়ে কোনো কাজই হয়নি। শেখ হাসিনার আমলে ঋণ নিয়ে পদ্মা সেতু হয়েছে, মেট্রোরেল হয়েছে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। ইউনূসের আমলে কী হয়েছে? শুধু ঋণের বোঝা বেড়েছে, আর রিজার্ভ কমেছে। এটাকে কী বলা যায়? দুর্নীতি, লুটপাট, নাকি সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক সন্ত্রাস? ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রাস্তায় রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়ে একটা নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হলো। বিদেশি টাকা, ইসলামি জঙ্গিদের সহায়তা আর সামরিক বাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতায় একটা অবৈধ সরকার ক্ষমতায় বসল। সেই সরকার দেশের মানুষকে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে যা করেছে তা হলো দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড

ভেঙে দেওয়া। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কাঠামো এখন এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে যে আগামী দশ বছরে এই ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না। যে সরকার আসবে তারা পাবে একটা নিঃস্ব রাষ্ট্রকোষ, বিশাল ঋণের বোঝা আর শূন্য রিজার্ভ। এই অবস্থা থেকে বের হতে কত বছর লাগবে, কত প্রজন্মের ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, তার কোনো হিসাব নেই। ইউনূস আর তার দলবল এখন চলে যাচ্ছেন। কিন্তু রেখে যাচ্ছেন একটা ধ্বংসস্তূপ। যাদের হাতে এই লুটপাট হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে এই টাকার হিসাব আদায় করতে হবে। প্রতিটা পয়সার খোঁজ নিতে হবে। নইলে এই দেশ কখনো আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ফেসবুক-মেসেঞ্জারে হঠাৎ বিভ্রাট, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা ভারতের নতুন সেনাপ্রধান ধীরাজ শেঠ যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, ঢাকায় ৩ রাউজানে মাথায় গুলি করে যুবদল নেতাকে হত্যা চার দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম এলএনজি টার্মিনাল রক্ষণাবেক্ষণে গ্যাসের স্বল্পচাপ, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও বাংলাদেশের পতাকা হাতে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে সঞ্জয় রাজধানীতে ৩ ঘণ্টার ঝুমবৃষ্টি তাপমাত্রা কমল ১০ ডিগ্রি নিউইয়র্ক উৎসবে তানভীর মোকাম্মেলের ‘মতুয়ামঙ্গল’ ‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানার হুঁশিয়ারি, ‘বর্বর কাজে’ আমার গান ব্যবহার করবেন না ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের ‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী